ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বাঙ্গুরা বাজারের দীর্ঘদিন যাবত রাস্তার পাশে সওজ এর জায়গায় এবং যাত্রী ছাউনিতে অস্থায়ী দোকান গড়ে তোলে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করে আসতেছে। এরই মধ্যে একটি স্বার্থান্বেষী ও কুচক্রী মহল উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে কতিপয় সাংবাদিকদের ব্যবহার করে আমার বিরুদ্ধে দোকানপাট দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে গত ২/৩ ধরে সোশ্যাল মিডিয়া ও পত্রিকায় প্রচার করেছেন যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, অসত্য ও ভিত্তিহীন। আমি তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। বৃহস্পতিবার (২০/৩) দুপুরে বাঙ্গুরা বাজারে এই কথাগুলো বললেন নবীনগর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব কাওসার আহাম্মেদ।
সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, স্যোশাল মিডিয়া ও পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে ধরা হলেও বাস্তবতা তার সম্পূর্ণ বিপরীত এমনটাই বললেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। যে দোকানগুলো গড়ে তোলা হয়েছে তা সরকারি লিজ নিয়ে অনেকেই লিজের জায়গায় দোকানপাট করা হয়েছে। বাস্তবে এই দোকানের সাথে তার কোন সম্পর্ক নেই। দোকানগুলোর মালিক হচ্ছেন আনোয়ার হোসেন পিন্টু, হাজী জামাল, হাজী মহিউদ্দিন। তারা জানান, কাউকে কোন টাকা পয়সা দিয়ে এখানে তারা ব্যবসা করেননি, দীর্ঘদিন যাবত এখানে ব্যবসা করে আসিতেছেন। আওয়ামী লীগ সরকার আমলের টাকা নিয়েও তাদের দোকানপাট ভেঙ্গে ফেলা হয়েছিল, তারা এখন খুব কষ্টে দিনাতিপাত করছেন।
এবিষয়ে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হাজী নাজমুল করিম বলেন, স্থানীয় দোকানদার ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত ৫ আগস্ট জাতীয় সরকার পরিবর্তনের আগে আওয়ামী দুষরদের কিছু ব্যবসায়ী চাঁদা দিতে বাধ্য হলেও বর্তমানে তারা সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছেন এবং কোনো ধরনের চাঁদার সম্মুখীন হচ্ছেন না। বরং তারা নিজেদের প্রচেষ্টায় ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন, যা প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিহীনতার প্রমাণ দেয় এবং একজন তরুণ রাজনীতিবিদ ব্যক্তিকে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে এই জঘন্য কাজ করেছেন, আজ তা প্রমাণিত।
যুবদল নেতা কাওসার আহাম্মেদ উপস্থিত সাংবাদিকদের সত্য উদঘাটনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে আরো বলেন, আমি নিজেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছি। একটি মহল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে, যা জনগণকে বিভ্রান্ত করার কৌশল ছাড়া কিছুই নয়। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, এ ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ কেবল তার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন করার জন্যই ছড়ানো হচ্ছে।
এ ধরনের মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে স্থানীয় ব্যবসায়ী, সাধারণ জনগণ ও নেতাকর্মীরা নিন্দা প্রকাশ করেছেন। তারা গণমাধ্যমকে গুজব ও বানোয়াট তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সাংবাদিকতা একটি দায়িত্বশীল পেশা, যেখানে সত্য যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোন কিছুর সঠিক তথ্য না জেনে আমাদের বিরুদ্ধে অসত্য মিথ্যা নিউজ করাতে আমাদের মান সম্মানের ক্ষতি সাধিত হয়েছে, ভবিষ্যতে সঠিক তথ্য না জেনে ভিত্তিহীন নিউজ না করতে সংবাদ কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।
মোঃ শাহ আলম খন্দকার, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) 























