ঢাকা ১২:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এলডিসি উত্তরণে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি জোরদারের আহ্বান ডিসিসিআইর পবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের জন্য বাস ভাড়া ফ্রী করল প্রশাসন উন্নত বাংলাদেশ গড়তে দক্ষ যুবসমাজ গড়ে তোলার বিকল্প নেই : রাষ্ট্রপতি বিশ্বকাপের ধাক্কার পর জু’য়া খেলতে গিয়েও হারলেন নেইমার টিকটকার লিটন ও লেবু মিয়ার চুল কেটে দিল জনতা মাদলা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মোটরসাইকেল জব্দ মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার বন্যার্তদের পাশে ৫২ বিজিবি: ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও খাবার বিতরণ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: আরও ৫ দেশে চালু হচ্ছে এনআইডি সেবা বিএমইটিতে নূর-এ-আলমকে ঘিরে দাপুটে সিন্ডিকেটের অভিযোগ শিক্ষামন্ত্রী ‘স্ট্যান্টবাজি ও টেন্ডারবাজিতে ওস্তাদ’ : হাসনাত আবদুল্লাহ

ভালুকায় সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জনের মৃত্যু

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় গত দুই দিনে দুটি পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় এক মাদরাসা ছাত্র ও এক রাজমিস্ত্রি নিহত হয়েছেন। প্রথম ঘটনাটি শনিবার (৮ মার্চ) সন্ধ্যায় ভালুকা পৌরসভার মল্লিকবাড়ি মোড়ে এবং দ্বিতীয়টি রোববার (৯ মার্চ) সকালে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ভালুকা সরকারি কলেজ এলাকায় ঘটে। নিহতরা হলেন মল্লিকবাড়ি ইউনিয়নের সাতেঙ্গা গ্রামের মাদরাসা ছাত্র উবায়দুল ইসলাম (২০) ও নারাঙ্গী গ্রামের রাজমিস্ত্রি আল আমিন (২৫)।

ভরাডোবা হাইওয়ে থানার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যায় উবায়দুল ইসলাম তিন বন্ধুকে নিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে ভালুকা বাজারের পাঁচরাস্তা মোড় থেকে কাঁঠালি নায়েবের বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে মল্লিকবাড়ি মোড়ে পেছন থেকে আসা একটি ট্রাক তাদের মোটরসাইকেলে চাপা দিলে উবায়দুল ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এ সময় মোটরসাইকেলে থাকা সিজান ও ফাহাদ নামের দুই বন্ধুসহ অপর এক যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহত উবায়দুল প্রবাসী সুরুজ মিয়ার একমাত্র সন্তান ছিলেন এবং স্থানীয় একটি মাদরাসায় পড়াশোনা করতেন।

রোববার সকাল সাতটায় ভালুকা সরকারি কলেজ সংলগ্ন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে পথ পারাপারের সময় ঢাকাগামী একটি অজ্ঞাতনামা গাড়ির চাপায় পড়ে আল আমিন মৃত্যুবরণ করেন। আল আমিন নারাঙ্গী গ্রামে নানার বাড়িতে মা ও দুই ছোট ভাই-বোনের সাথে বসবাস করতেন এবং রাজমিস্ত্রির কাজ করে সংসার চালাতেন। স্থানীয়রা জানান, তিনি নিয়মিত ওই সড়ক দিয়ে কাজে যাতায়াত করতেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ভালুকা অংশে গতি কমানোর জন্য স্পিড ব্রেকার ও ট্রাফিক পুলিশের অভাব রয়েছে। গত কয়েক মাসে এ সড়কে একাধিক প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা চলছে বলে তাদের দাবি।

ভরাডোবা হাইওয়ে থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, উভয় ঘটনায় নিহতদের লাশ আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পরিবারকে হস্তান্তর করা হয়েছে। ট্রাক ও গাড়িচালকদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এলডিসি উত্তরণে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি জোরদারের আহ্বান ডিসিসিআইর

ভালুকায় সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জনের মৃত্যু

আপডেট সময় ০২:০৭:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ মার্চ ২০২৫

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় গত দুই দিনে দুটি পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় এক মাদরাসা ছাত্র ও এক রাজমিস্ত্রি নিহত হয়েছেন। প্রথম ঘটনাটি শনিবার (৮ মার্চ) সন্ধ্যায় ভালুকা পৌরসভার মল্লিকবাড়ি মোড়ে এবং দ্বিতীয়টি রোববার (৯ মার্চ) সকালে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ভালুকা সরকারি কলেজ এলাকায় ঘটে। নিহতরা হলেন মল্লিকবাড়ি ইউনিয়নের সাতেঙ্গা গ্রামের মাদরাসা ছাত্র উবায়দুল ইসলাম (২০) ও নারাঙ্গী গ্রামের রাজমিস্ত্রি আল আমিন (২৫)।

ভরাডোবা হাইওয়ে থানার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যায় উবায়দুল ইসলাম তিন বন্ধুকে নিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে ভালুকা বাজারের পাঁচরাস্তা মোড় থেকে কাঁঠালি নায়েবের বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে মল্লিকবাড়ি মোড়ে পেছন থেকে আসা একটি ট্রাক তাদের মোটরসাইকেলে চাপা দিলে উবায়দুল ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এ সময় মোটরসাইকেলে থাকা সিজান ও ফাহাদ নামের দুই বন্ধুসহ অপর এক যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহত উবায়দুল প্রবাসী সুরুজ মিয়ার একমাত্র সন্তান ছিলেন এবং স্থানীয় একটি মাদরাসায় পড়াশোনা করতেন।

রোববার সকাল সাতটায় ভালুকা সরকারি কলেজ সংলগ্ন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে পথ পারাপারের সময় ঢাকাগামী একটি অজ্ঞাতনামা গাড়ির চাপায় পড়ে আল আমিন মৃত্যুবরণ করেন। আল আমিন নারাঙ্গী গ্রামে নানার বাড়িতে মা ও দুই ছোট ভাই-বোনের সাথে বসবাস করতেন এবং রাজমিস্ত্রির কাজ করে সংসার চালাতেন। স্থানীয়রা জানান, তিনি নিয়মিত ওই সড়ক দিয়ে কাজে যাতায়াত করতেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ভালুকা অংশে গতি কমানোর জন্য স্পিড ব্রেকার ও ট্রাফিক পুলিশের অভাব রয়েছে। গত কয়েক মাসে এ সড়কে একাধিক প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা চলছে বলে তাদের দাবি।

ভরাডোবা হাইওয়ে থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, উভয় ঘটনায় নিহতদের লাশ আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পরিবারকে হস্তান্তর করা হয়েছে। ট্রাক ও গাড়িচালকদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।