সংবাদ শিরোনাম ::
আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা করলেন আইসিসির তিন বিচারক গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতায় বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হোটেল রুমে স্বামী, পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দলের ঘরে বিবাদ ১ টাকার দুর্নীতি বের করতে পারলে ইস্তফা দেবো: হাসনাত  আশুরা মানুষকে অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে শেখায় : রাষ্ট্রপতি তিস্তা মহাপরিকল্পনায় কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী চীন নরসিংদীতে কুকুরের গলায় ইট বেঁধে নদীতে নিক্ষেপ, যুবক আটক ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিত আটকা বহু, উদ্ধারে আসছেন না কেউ বরগুনায় সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগে প্যানেল চেয়ারম্যান (ইউপি সদস্যের) বিরুদ্ধে মামলা

এলজিইডির গুরুত্বপূর্ণ নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প রাষ্ট্রের সকল আইনের উর্ধ্বে

দুনীতি, ধর্ষণ, নারী নির্যাতনের মত ঘটনা ঘটলেও কতৃপক্ষ নির্বিকার ।

অনুসন্ধানে জানা যায় সাবেক প্রকল্প পরিচালক কাজী মিজানুর রহমান প্রকল্পের দ্বায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার পরে প্রকল্পের দ্বায়িত্ব পান ফরিদপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: ফারুক আহমেদ। এক মাস যেতে না যেতে সাবেক ভান্ডারিয়ার উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মিরাজুল ইসলাম এবং তার সিন্ডিকেট মো: সুজায়েত হোসেন কে সাবেক মন্ত্রী তাজুল ইসলামের মাধ্যমে প্রকম্প পরিচারক হিসাবে নিয়োগ দেন।

অফিসে একজন আউট সোসিং এ নিয়োগকৃত নারী অফিস কক্ষে অফিস চলাকালীন সময় উপ সহকারী প্রকৌশলী মো : আশরাফুল আলম কতৃক অফিস কক্ষে শ্লীলতাহানির শিকার হন এবং কর্মক্ষেত্রে ধর্ষণের শিকার হন।প্রাথমিক ভাবে দুর্বল ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে আসামি কে বদলি খাগড়াছড়ি বদলি করা হয়।প্রকল্প পরিচালক তাকে আবার প্রকল্পে নিয়ে আসেন।ধর্ষক আর ধর্ষিতাকে এক ছাদের নিচে নিয়ে আসেন।
ভুক্তভোগী নারী এর প্রতিবাদ করলে তার উপর চলে আসে অমানুষিক নির্যাতন। শ্লীলতাহানির আলামত নষ্ট করার জন্য সিসিটিভি পরিবর্তন করা হয়।নারীকে অমানবিক ভাবে অফিস থেকে বের করে রুমে তালা মেরে দেওয়া হয়।কতৃপক্ষের নিকট মিথ্যা নাটক সাজানো হয়।
ভুক্তভোগী নারীর বেতন বন্ধ করে তাকে ফরিদপুর পাঠিয়ে দেওয়া হয়।দ্বারে দ্বারে ঘুরে নারী বিচার না পেয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনালে ৩ এ মামলা করেন।মামলা নং ১৬২/২৪ পিবিআই তদন্ত করছে।উক্ত উপ সহকারী প্রকৌশলী বিশাল অবৈধ সম্পদের মালিক। উক্ত মামলার একজন স্বাক্ষী এ কথা বলেছেন

প্রকল্পের হিসার রক্ষক কর্মকর্তা এবিএম তরিকুল ইসলাম ২৮১ টি পৌরসভা থেকে ফান্ড বরাদ্দ দিয়ে দু’টি হিসাবে কোটি কোটি টাকা সংগ্রহ করেন।তার স্ত্রী জাকিয়া পারভিন UCB ব্যাংক এ চাকরি করতেন।অবৈধ টাকা অপারেটর করার কারনে তার চাকরি চলে যায়। তরিকুলের বিরুদ্ধে দুদক তদন্ত করছে।

মো: রাকিবুল ইসলাম সহকারী প্রকৌশলী আউটসোর্সিং। সে উপ সহকারী প্রকৌশলী থেকে অবৈধ ভাবে আউট সোসিং নিয়োগ বিধিমালা ২০১৮ এর সকল বিধান অমান্য করে সহকারী প্রকৌশলী হয়।সে উপ সহকারী প্রকৌশলী থাকা অবস্থায় তার বেতন হিসাবে কোটি কোটি অবৈধ টাকা সংগ্রহ করে।
সিন্ডিকেটর আর এক সদস্য তাহসিনা আক্তার। উপ সহকারী প্রকৌশলী। তার ডিপ্লোমা ইন সিভিল ইন্জিনিয়ারিং এর সার্টিফিকেট নাই।সার্টিফিকেট জালিয়াতি করে চাকরি করছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

এলজিইডির গুরুত্বপূর্ণ নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প রাষ্ট্রের সকল আইনের উর্ধ্বে

আপডেট সময় ১১:২৮:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ মার্চ ২০২৫

দুনীতি, ধর্ষণ, নারী নির্যাতনের মত ঘটনা ঘটলেও কতৃপক্ষ নির্বিকার ।

অনুসন্ধানে জানা যায় সাবেক প্রকল্প পরিচালক কাজী মিজানুর রহমান প্রকল্পের দ্বায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার পরে প্রকল্পের দ্বায়িত্ব পান ফরিদপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: ফারুক আহমেদ। এক মাস যেতে না যেতে সাবেক ভান্ডারিয়ার উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মিরাজুল ইসলাম এবং তার সিন্ডিকেট মো: সুজায়েত হোসেন কে সাবেক মন্ত্রী তাজুল ইসলামের মাধ্যমে প্রকম্প পরিচারক হিসাবে নিয়োগ দেন।

অফিসে একজন আউট সোসিং এ নিয়োগকৃত নারী অফিস কক্ষে অফিস চলাকালীন সময় উপ সহকারী প্রকৌশলী মো : আশরাফুল আলম কতৃক অফিস কক্ষে শ্লীলতাহানির শিকার হন এবং কর্মক্ষেত্রে ধর্ষণের শিকার হন।প্রাথমিক ভাবে দুর্বল ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে আসামি কে বদলি খাগড়াছড়ি বদলি করা হয়।প্রকল্প পরিচালক তাকে আবার প্রকল্পে নিয়ে আসেন।ধর্ষক আর ধর্ষিতাকে এক ছাদের নিচে নিয়ে আসেন।
ভুক্তভোগী নারী এর প্রতিবাদ করলে তার উপর চলে আসে অমানুষিক নির্যাতন। শ্লীলতাহানির আলামত নষ্ট করার জন্য সিসিটিভি পরিবর্তন করা হয়।নারীকে অমানবিক ভাবে অফিস থেকে বের করে রুমে তালা মেরে দেওয়া হয়।কতৃপক্ষের নিকট মিথ্যা নাটক সাজানো হয়।
ভুক্তভোগী নারীর বেতন বন্ধ করে তাকে ফরিদপুর পাঠিয়ে দেওয়া হয়।দ্বারে দ্বারে ঘুরে নারী বিচার না পেয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনালে ৩ এ মামলা করেন।মামলা নং ১৬২/২৪ পিবিআই তদন্ত করছে।উক্ত উপ সহকারী প্রকৌশলী বিশাল অবৈধ সম্পদের মালিক। উক্ত মামলার একজন স্বাক্ষী এ কথা বলেছেন

প্রকল্পের হিসার রক্ষক কর্মকর্তা এবিএম তরিকুল ইসলাম ২৮১ টি পৌরসভা থেকে ফান্ড বরাদ্দ দিয়ে দু’টি হিসাবে কোটি কোটি টাকা সংগ্রহ করেন।তার স্ত্রী জাকিয়া পারভিন UCB ব্যাংক এ চাকরি করতেন।অবৈধ টাকা অপারেটর করার কারনে তার চাকরি চলে যায়। তরিকুলের বিরুদ্ধে দুদক তদন্ত করছে।

মো: রাকিবুল ইসলাম সহকারী প্রকৌশলী আউটসোর্সিং। সে উপ সহকারী প্রকৌশলী থেকে অবৈধ ভাবে আউট সোসিং নিয়োগ বিধিমালা ২০১৮ এর সকল বিধান অমান্য করে সহকারী প্রকৌশলী হয়।সে উপ সহকারী প্রকৌশলী থাকা অবস্থায় তার বেতন হিসাবে কোটি কোটি অবৈধ টাকা সংগ্রহ করে।
সিন্ডিকেটর আর এক সদস্য তাহসিনা আক্তার। উপ সহকারী প্রকৌশলী। তার ডিপ্লোমা ইন সিভিল ইন্জিনিয়ারিং এর সার্টিফিকেট নাই।সার্টিফিকেট জালিয়াতি করে চাকরি করছে।