ঢাকা ১০:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেড় বিলিয়ন ডলার আকুর বিল পরিশোধ, কমলো রিজার্ভ শেষ হচ্ছে অপেক্ষা, বৃহস্পতিবার প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ চিকিৎসা শিক্ষার বিকাশে আট দশক ধরে অবদান রেখে চলেছে ঢামেক : প্রধানমন্ত্রী ১০ নম্বর জার্সি কোনোদিনই পেতেন না মেসি, কী ঘটেছিল তখন? ভূমি দখল ও আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে অভিযুক্ত আলী আফজাল রোনালদোর বিদায়ের মধ্যেই মেসির স্ত্রীকে জর্জিনার উপহার সরকারি চাকরিতে ৫ লাখ পদে নিয়োগ নিয়ে সুখবর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পেয়ে যা বললেন ভোক্তা অধিকারের জব্বার মণ্ডল সংবাদ প্রকাশের পর কালুখালীর অসহায় রাসেল মণ্ডলের পাশে উপজেলা প্রশাসন গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে সহযোগিতার আশ্বাস যুক্তরাজ্যের

কিশোরগ্যাং-এর দখলে জামালপুর জেলা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিট

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, জামালপুর জেলা ইউনিট এখনো যুবলীগ, ছাত্রলীগ নেতা ও কিশোরগ্যাংদের দখলে। ‘JMR’ নামক একটি কিশোরগ্যাং পরিচালনা করে জেলা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিট।
বিগত ৫ আগষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পালিয়ে যান জেলা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক মাসুম রেজা রহিমসহ অন্যান্য দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা। বর্তমানে অচল অবস্থা বিরাজ করছে এখানে।
JMR নামক একটি কিশোরগ্যাং এর সদস্য ও যুবলীগ, ছাত্রলীগের পদ নিয়ে কিভাবে প্রকাশ্যে তারা রেড ক্রিসেন্ট অফিসে বসেন তা নিয়ে নানা মহলে উঠেছে আলোচনা সমালোচনা।

শহরের কেন্দ্রবিন্দু ফৌজদারি মোড়স্থ জেলা ইউনিট অফিসে বসে আওয়ামী দোসরা প্রকাশ্যে নানা নাশকতার পরিকল্পনার করে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে জেলা রেড ক্রিসেন্টকে দলীয়করণ, অর্থলোপাট, অন্যান্য সেচ্ছাসেবকদের শারীরিক ও মানষিকভাবে হেনস্তাসহ নানা অভিযোগ রয়েছে JMR গ্রুপের বিরুদ্ধে। সেচ্ছাসেবকদের সম্মানীর অর্ধেক টাকা নিজের পকেটে তুলেন JMR গ্রুপের প্রধান, যুবলীগ নেতা ও জেলা রেড ক্রিসেন্টের তথাকথিত ভারপ্রাপ্ত যুবপ্রধান সামিউল ইসলাম দুখুর বিরুদ্ধে।

বিগত সরকারের আমলে সাদ্দাম হোসেন জামালপুর জেলা ইউনিটের যুবপ্রধানের দ্বায়িত্ব গ্রহণ করে। সাদ্দাম হোসেনের অবর্তমানে জোরপূর্বক অবৈধভাবে ভারপ্রাপ্ত যুবপ্রধান বনে জান ও অফিস দখল করেন সামিউল ইসলাম দুখু। এরপর থেকেই নিজের লোকজন দিয়ে জেলা রেড ক্রিসেন্ট পরিচালনা করে দুখু।
জেলা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের অফিস সহকারী কামরুল হাসান বলেন, বিগত ৪ মাস যাবত এডহোক কমিটি নাই। তাই বর্তমানে ইউনিটের অচলাবস্থা বিরাজ করছে। আশা করি নতুন কমিটি আসলেই সমাধান হয়ে যাবে।
ইউনিট অফিসার জিয়াউল আহসান জানান, আমার কাছে ৫০ জনের একটা সদস্য তালিকা আছে। নভেম্বরের মাসে আমরা তাদের সহযোগিতায় ১ হাজার মানুষের মাঝে ফুড প্যাকেজ বিতরণ করেছি। আমার কাছে যে আসে আগ্রহ প্রকাশ করে আমি তাকেই সুযোগ করে দেই। বিগত ৪ মাস যাবত এডহোক কমিটি নাই। আশা করি সামনের দিনগুলোতে সব সমাধান হয়ে যাবে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেড় বিলিয়ন ডলার আকুর বিল পরিশোধ, কমলো রিজার্ভ

কিশোরগ্যাং-এর দখলে জামালপুর জেলা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিট

আপডেট সময় ১১:৫৬:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, জামালপুর জেলা ইউনিট এখনো যুবলীগ, ছাত্রলীগ নেতা ও কিশোরগ্যাংদের দখলে। ‘JMR’ নামক একটি কিশোরগ্যাং পরিচালনা করে জেলা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিট।
বিগত ৫ আগষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পালিয়ে যান জেলা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক মাসুম রেজা রহিমসহ অন্যান্য দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা। বর্তমানে অচল অবস্থা বিরাজ করছে এখানে।
JMR নামক একটি কিশোরগ্যাং এর সদস্য ও যুবলীগ, ছাত্রলীগের পদ নিয়ে কিভাবে প্রকাশ্যে তারা রেড ক্রিসেন্ট অফিসে বসেন তা নিয়ে নানা মহলে উঠেছে আলোচনা সমালোচনা।

শহরের কেন্দ্রবিন্দু ফৌজদারি মোড়স্থ জেলা ইউনিট অফিসে বসে আওয়ামী দোসরা প্রকাশ্যে নানা নাশকতার পরিকল্পনার করে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে জেলা রেড ক্রিসেন্টকে দলীয়করণ, অর্থলোপাট, অন্যান্য সেচ্ছাসেবকদের শারীরিক ও মানষিকভাবে হেনস্তাসহ নানা অভিযোগ রয়েছে JMR গ্রুপের বিরুদ্ধে। সেচ্ছাসেবকদের সম্মানীর অর্ধেক টাকা নিজের পকেটে তুলেন JMR গ্রুপের প্রধান, যুবলীগ নেতা ও জেলা রেড ক্রিসেন্টের তথাকথিত ভারপ্রাপ্ত যুবপ্রধান সামিউল ইসলাম দুখুর বিরুদ্ধে।

বিগত সরকারের আমলে সাদ্দাম হোসেন জামালপুর জেলা ইউনিটের যুবপ্রধানের দ্বায়িত্ব গ্রহণ করে। সাদ্দাম হোসেনের অবর্তমানে জোরপূর্বক অবৈধভাবে ভারপ্রাপ্ত যুবপ্রধান বনে জান ও অফিস দখল করেন সামিউল ইসলাম দুখু। এরপর থেকেই নিজের লোকজন দিয়ে জেলা রেড ক্রিসেন্ট পরিচালনা করে দুখু।
জেলা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের অফিস সহকারী কামরুল হাসান বলেন, বিগত ৪ মাস যাবত এডহোক কমিটি নাই। তাই বর্তমানে ইউনিটের অচলাবস্থা বিরাজ করছে। আশা করি নতুন কমিটি আসলেই সমাধান হয়ে যাবে।
ইউনিট অফিসার জিয়াউল আহসান জানান, আমার কাছে ৫০ জনের একটা সদস্য তালিকা আছে। নভেম্বরের মাসে আমরা তাদের সহযোগিতায় ১ হাজার মানুষের মাঝে ফুড প্যাকেজ বিতরণ করেছি। আমার কাছে যে আসে আগ্রহ প্রকাশ করে আমি তাকেই সুযোগ করে দেই। বিগত ৪ মাস যাবত এডহোক কমিটি নাই। আশা করি সামনের দিনগুলোতে সব সমাধান হয়ে যাবে।