ঢাকা ১০:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প কেন্দ্রীয় চুক্তিতে যে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ভারত পিএসএলে নিরাপত্তা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার উদ্বেগ, যা বলছে পিসিবি যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী পাটুরিয়ায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, পারাপারে চলছে ১৮টি লঞ্চ চট্টগ্রামে ডিসির নির্দেশে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ মন্ত্রী-এমপিরা কে কোথায় ঈদ করবেন? ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শরীয়তপুর জেলা বি এন পি সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর থানা বি এন পির আহ্বায়ক এস এম এ হামিদ ঈশ্বরদী থেকে এলো উদ্ধারকারী ট্রেন, সৈয়দপুর থেকে আসছে আরেকটি রূহানীনগর এর পক্ষ থেকে সম্মানিত ইমাম-মুয়াজ্জিনগণকে  হাদিয়া প্রদান

যিনি প্রকৌশলী তিনিই ঠিকাদার টাঙ্গাইল গণপূর্তে হরিলূট

টাঙ্গাইল গণপূর্ত বিভাগে চলছে হরিলুট। নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম তৌহিদুর ইসলামের নেতৃত্বে হয়ে আসছে এই অনৈতিক লুটপাট। তার সীমাহীন দুর্নীতির অভিযোগে গত ২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ইং তারিখে প্রধান প্রকৌশলী জনাব শামীম আখতারের স্বাক্ষরিত ২৫.৩৬০০০০.২১৫.১৯.১০৩.২১-১১৭৬ নং স্মারকে তাকে মেহেরপুরে বদলী করা হয়। এই বদলী আদেশে তাকে ৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চার্জ হস্তান্তরের জন্য বলা হয়। কিন্তু লুটপাটের প্রমাণাদি গোপণ বা লোপাট করতে মোটা অংকের টাকা খরচ করে ওই চার্জ হস্তান্তরের তারিখকে ৯ দিন বাড়িয়ে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর করা হয়। এতে টাঙ্গাইল গণপুর্ত বিভাগের সাধারণ ঠিকাদার, প্রকৌশলী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। তথ্য সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্রের।

এক অভিযোগে জানা যায়, প্রকৌশলী তৌহিদ নিজের স্ত্রীর নামে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান খুলে নিজেই ওই প্রতিষ্ঠানটির নামে কাজ বরাদ্দ করে হাতিয়ে নিয়েছেন কয়েক লক্ষ টাকা। এই প্রতিষ্ঠানটির নাম হচ্ছে মেসার্স দি আর্থ কনস্ট্রাকশন। প্রতিষ্ঠানটির ঠিকানা হচ্ছে-১২/এ বেভারলি হিল, চট্টেশরী রোড, চট্টগ্রাম। এই এলাকাটিতেই প্রকৌশলী তৌহিদ স্থায়ীভাবে বসবাস করেন বলে জানা গেছে। আর তৌহিদ যেখানেই পোষ্টিং নিয়ে যান সেখানে এই প্রতিষ্ঠানের নামে লাভজনক কাজগুলো বরাদ্দ করিয়ে থাকেন।
অনুসন্ধানে  আজ জানা যায়, ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে ওই প্রতিষ্ঠানটির নামে টাঙ্গাইল গণপূর্ত বিভাগে ৪টি কাজের বাস্তবায়ন দেখানো হয়েছে। এগুলো হচ্ছে- ৩৭৯৪৪২.১৭৯ টাকা বরাদ্দে জেলার ও ডেপুটি জেলারের বাংলোর মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ, এর টেন্ডার আইডি হচ্ছে ৯৭৮৮৫৮, ৩৭৯৫৮৪ টাকা বরাদ্দে টাঙ্গাইল সিজেএম কোর্ট ভবনের বিভিন্ন কক্ষের প্লাস্টার ও রংকরন সহ জরুরী মেরামত কাজ, এর টেন্ডার আইডি হচ্ছে ৯৮৭৮২৪: ৩৭৯৩৬৩.২১৫ টাকা বরাদ্দে জেলা প্রশাসকের দপ্তরে বার্ষিক মেরামত রক্ষণাবেক্ষণসহ টাইলস ¯স্বাপন কাজ, এর টেন্ডার আইডি  হচ্ছে  ৯৮৭৮৩০ এবং ৫৬৯৯৯৩.০৮৬ টাকা বরাদ্দে টাঙ্গাইল গণপূর্তর এসডিই বাংলোর ভিতরে কার পার্কিং ও সড়ক তৈরীর কাজ, এর টেন্ডার আইডি হচ্ছে ৯৮৪৫০১। এই কাজগুলো বেশীরভাগই নামেমাত্র কাজ দেখিয়ে ৭০% বরাদ্দ লোপাট করা হয়েছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়।
এছাড়াও প্রকৌশলী তৌহিদ আরো একটি প্রতিষ্ঠানের নামে নিজেই কাজ করিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ময়মনসিংহের ঠিকানায় ওই প্রতিষ্ঠানটির নাম মেসার্স মা এন্টারপ্রাইজ। এই প্রতিষ্ঠানটির নামে ২০২৩-২৯২৪ অর্থবছরে ৯০৮৭৬৯ নং টেন্ডার আইডি’র মাধ্যমে ২৬৯৯২০০.৩৫০ টাকা বরাদ্দে টাঙ্গাইলে ১ম শ্রেণীর আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের পূর্ত মেরামত ও নবায়ন কাজ এবং ৯০৮৯৮৯ নং টেন্ডার আইডির মাধ্যমে ৮৯৩০১৯.৯৯৬ টাকা বরাদ্দে একই কেন্দ্রের বৈদ্যুতিক মেরামত কাজের নামে নামকাওয়াস্তে কাজ করিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী তৌহিদ বেশীরভাগ অর্থ লোপাট করেছেন।
পাশাপাশি টাঙ্গাইল গণপূর্ত বিভাগে বিথী কনস্ট্রাকশন, মেসার্স মৃত্তিকা এন্টারপ্রাইজসহ আরো দুই একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে লুটেরা সিন্ডিকেট তৈরী করেছেন এই প্রকৌশলী। তাদের কাছ থেকে বরাদ্দের ১০% নগদ নিয়ে এপিপি’র বেশীরভাগ কাজ ওই সকল প্রতিষ্ঠানকে দিয়েছেনন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী সাধারণ ঠিকাদারগণ।
এছাড়াও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে ওপি এবং ৩৮ এর বরাদ্দ এনে ১০%/১৫% নিয়ে ইস্টিমেট বিক্রি করেছেন প্রকৌশলী তৌহিদ। একই কাজের নামে তুই/তিনজন ঠিকাদারের কাছ থেকেও টাকা নিয়েছেন তিনি। ওই অর্থবছরে যারা টাকা দিয়েও কাজ পাননি তাদেরকে পরবর্তী বছরে কাজ দিয়ে সমন্বয় করবেন বলে আশসাশ দিয়ে রেখেছেন ধুর্ত এই পূর্ত কর্মকর্তা। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অর্ধকোটির বেশী থোক বরাদ্দ আসে বিশেষ মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ বাস্তবায়নের জন্য। এই বরাদ্দ নিয়েও প্রকৌশলী তৌহিদ নিজে ইস্টিমেট বানিয়ে পছন্দের ঠিকাদারদেরকে দিয়েছেন মোটা অংকের অর্থৈর বিনিময়ে। গত ডিসেম্বর মাসে ডিভিশনটির দায়িত্বে এসে প্রকৌশলী তৌহিদ টেন্ডারবাজি. গোপণ ঠিকাদারী ব্যবসা ভ‚য়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে প্রায় কোটি টাকা লোপাট করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়। এর পূর্বে তিনি ছিলেন পিরোজপুর ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী। সেখানে প্রায় তিনবছরের দায়িত্ব পালনে দুর্নীতি আর লুটপাটের মাধ্যমে ডিভিশনটিকে ছাড়খার করে দিয়ে চলে এসেছেন। গোপণে ঠিকাদারী ব্যবসার কারণে সেখানে ¯স্বানীয় ঠিকাদারদের হাতে কয়েক দফা লাঞ্ছিত হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এর পূর্বে মেডিকেল গণপূর্ত বিভাগের দায়িত্বে থাকতে টেন্ডার জালিয়াতির কারণে দেড়বছরের মাথায় তাকে পিরোজপুরে বদলী করা হয়েছিলো। মেডিকেল ডিভিশনের ওই আর্থ কনস্ট্রাকশনের নামে কয়েক কোটি টাকার কাজ বাস্তবায়ন দেখিয়েছেন দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলী তৌহিদুল ইসলাম। এ সকল বিষয় নিয়ে কথা বলার জন্য তার ব্যবহৃত ০১৯১৫ ৬২২৩৭৫ নং মোবাইলে একাধিকবার ফোন দিয়েও কোন রেসপন্স পাওয়া যায়নি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প

যিনি প্রকৌশলী তিনিই ঠিকাদার টাঙ্গাইল গণপূর্তে হরিলূট

আপডেট সময় ১২:৩৩:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪

টাঙ্গাইল গণপূর্ত বিভাগে চলছে হরিলুট। নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম তৌহিদুর ইসলামের নেতৃত্বে হয়ে আসছে এই অনৈতিক লুটপাট। তার সীমাহীন দুর্নীতির অভিযোগে গত ২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ইং তারিখে প্রধান প্রকৌশলী জনাব শামীম আখতারের স্বাক্ষরিত ২৫.৩৬০০০০.২১৫.১৯.১০৩.২১-১১৭৬ নং স্মারকে তাকে মেহেরপুরে বদলী করা হয়। এই বদলী আদেশে তাকে ৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চার্জ হস্তান্তরের জন্য বলা হয়। কিন্তু লুটপাটের প্রমাণাদি গোপণ বা লোপাট করতে মোটা অংকের টাকা খরচ করে ওই চার্জ হস্তান্তরের তারিখকে ৯ দিন বাড়িয়ে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর করা হয়। এতে টাঙ্গাইল গণপুর্ত বিভাগের সাধারণ ঠিকাদার, প্রকৌশলী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। তথ্য সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্রের।

এক অভিযোগে জানা যায়, প্রকৌশলী তৌহিদ নিজের স্ত্রীর নামে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান খুলে নিজেই ওই প্রতিষ্ঠানটির নামে কাজ বরাদ্দ করে হাতিয়ে নিয়েছেন কয়েক লক্ষ টাকা। এই প্রতিষ্ঠানটির নাম হচ্ছে মেসার্স দি আর্থ কনস্ট্রাকশন। প্রতিষ্ঠানটির ঠিকানা হচ্ছে-১২/এ বেভারলি হিল, চট্টেশরী রোড, চট্টগ্রাম। এই এলাকাটিতেই প্রকৌশলী তৌহিদ স্থায়ীভাবে বসবাস করেন বলে জানা গেছে। আর তৌহিদ যেখানেই পোষ্টিং নিয়ে যান সেখানে এই প্রতিষ্ঠানের নামে লাভজনক কাজগুলো বরাদ্দ করিয়ে থাকেন।
অনুসন্ধানে  আজ জানা যায়, ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে ওই প্রতিষ্ঠানটির নামে টাঙ্গাইল গণপূর্ত বিভাগে ৪টি কাজের বাস্তবায়ন দেখানো হয়েছে। এগুলো হচ্ছে- ৩৭৯৪৪২.১৭৯ টাকা বরাদ্দে জেলার ও ডেপুটি জেলারের বাংলোর মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ, এর টেন্ডার আইডি হচ্ছে ৯৭৮৮৫৮, ৩৭৯৫৮৪ টাকা বরাদ্দে টাঙ্গাইল সিজেএম কোর্ট ভবনের বিভিন্ন কক্ষের প্লাস্টার ও রংকরন সহ জরুরী মেরামত কাজ, এর টেন্ডার আইডি হচ্ছে ৯৮৭৮২৪: ৩৭৯৩৬৩.২১৫ টাকা বরাদ্দে জেলা প্রশাসকের দপ্তরে বার্ষিক মেরামত রক্ষণাবেক্ষণসহ টাইলস ¯স্বাপন কাজ, এর টেন্ডার আইডি  হচ্ছে  ৯৮৭৮৩০ এবং ৫৬৯৯৯৩.০৮৬ টাকা বরাদ্দে টাঙ্গাইল গণপূর্তর এসডিই বাংলোর ভিতরে কার পার্কিং ও সড়ক তৈরীর কাজ, এর টেন্ডার আইডি হচ্ছে ৯৮৪৫০১। এই কাজগুলো বেশীরভাগই নামেমাত্র কাজ দেখিয়ে ৭০% বরাদ্দ লোপাট করা হয়েছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়।
এছাড়াও প্রকৌশলী তৌহিদ আরো একটি প্রতিষ্ঠানের নামে নিজেই কাজ করিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ময়মনসিংহের ঠিকানায় ওই প্রতিষ্ঠানটির নাম মেসার্স মা এন্টারপ্রাইজ। এই প্রতিষ্ঠানটির নামে ২০২৩-২৯২৪ অর্থবছরে ৯০৮৭৬৯ নং টেন্ডার আইডি’র মাধ্যমে ২৬৯৯২০০.৩৫০ টাকা বরাদ্দে টাঙ্গাইলে ১ম শ্রেণীর আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের পূর্ত মেরামত ও নবায়ন কাজ এবং ৯০৮৯৮৯ নং টেন্ডার আইডির মাধ্যমে ৮৯৩০১৯.৯৯৬ টাকা বরাদ্দে একই কেন্দ্রের বৈদ্যুতিক মেরামত কাজের নামে নামকাওয়াস্তে কাজ করিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী তৌহিদ বেশীরভাগ অর্থ লোপাট করেছেন।
পাশাপাশি টাঙ্গাইল গণপূর্ত বিভাগে বিথী কনস্ট্রাকশন, মেসার্স মৃত্তিকা এন্টারপ্রাইজসহ আরো দুই একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে লুটেরা সিন্ডিকেট তৈরী করেছেন এই প্রকৌশলী। তাদের কাছ থেকে বরাদ্দের ১০% নগদ নিয়ে এপিপি’র বেশীরভাগ কাজ ওই সকল প্রতিষ্ঠানকে দিয়েছেনন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী সাধারণ ঠিকাদারগণ।
এছাড়াও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে ওপি এবং ৩৮ এর বরাদ্দ এনে ১০%/১৫% নিয়ে ইস্টিমেট বিক্রি করেছেন প্রকৌশলী তৌহিদ। একই কাজের নামে তুই/তিনজন ঠিকাদারের কাছ থেকেও টাকা নিয়েছেন তিনি। ওই অর্থবছরে যারা টাকা দিয়েও কাজ পাননি তাদেরকে পরবর্তী বছরে কাজ দিয়ে সমন্বয় করবেন বলে আশসাশ দিয়ে রেখেছেন ধুর্ত এই পূর্ত কর্মকর্তা। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অর্ধকোটির বেশী থোক বরাদ্দ আসে বিশেষ মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ বাস্তবায়নের জন্য। এই বরাদ্দ নিয়েও প্রকৌশলী তৌহিদ নিজে ইস্টিমেট বানিয়ে পছন্দের ঠিকাদারদেরকে দিয়েছেন মোটা অংকের অর্থৈর বিনিময়ে। গত ডিসেম্বর মাসে ডিভিশনটির দায়িত্বে এসে প্রকৌশলী তৌহিদ টেন্ডারবাজি. গোপণ ঠিকাদারী ব্যবসা ভ‚য়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে প্রায় কোটি টাকা লোপাট করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়। এর পূর্বে তিনি ছিলেন পিরোজপুর ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী। সেখানে প্রায় তিনবছরের দায়িত্ব পালনে দুর্নীতি আর লুটপাটের মাধ্যমে ডিভিশনটিকে ছাড়খার করে দিয়ে চলে এসেছেন। গোপণে ঠিকাদারী ব্যবসার কারণে সেখানে ¯স্বানীয় ঠিকাদারদের হাতে কয়েক দফা লাঞ্ছিত হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এর পূর্বে মেডিকেল গণপূর্ত বিভাগের দায়িত্বে থাকতে টেন্ডার জালিয়াতির কারণে দেড়বছরের মাথায় তাকে পিরোজপুরে বদলী করা হয়েছিলো। মেডিকেল ডিভিশনের ওই আর্থ কনস্ট্রাকশনের নামে কয়েক কোটি টাকার কাজ বাস্তবায়ন দেখিয়েছেন দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলী তৌহিদুল ইসলাম। এ সকল বিষয় নিয়ে কথা বলার জন্য তার ব্যবহৃত ০১৯১৫ ৬২২৩৭৫ নং মোবাইলে একাধিকবার ফোন দিয়েও কোন রেসপন্স পাওয়া যায়নি।