ঢাকা ০১:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প কেন্দ্রীয় চুক্তিতে যে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ভারত পিএসএলে নিরাপত্তা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার উদ্বেগ, যা বলছে পিসিবি যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী পাটুরিয়ায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, পারাপারে চলছে ১৮টি লঞ্চ চট্টগ্রামে ডিসির নির্দেশে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ মন্ত্রী-এমপিরা কে কোথায় ঈদ করবেন? ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শরীয়তপুর জেলা বি এন পি সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর থানা বি এন পির আহ্বায়ক এস এম এ হামিদ ঈশ্বরদী থেকে এলো উদ্ধারকারী ট্রেন, সৈয়দপুর থেকে আসছে আরেকটি রূহানীনগর এর পক্ষ থেকে সম্মানিত ইমাম-মুয়াজ্জিনগণকে  হাদিয়া প্রদান

প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার রক্ষা সরকারের দায়িত্ব: প্রধান উপদেষ্টা

বাংলাদেশে প্রতিটি নাগরিকের অধিকার রক্ষা করা সরকারের দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

সোমাবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় শ্রী কৃষ্ণের জন্মোৎসব শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এ মন্তব্য করেন তিনি।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, তিনি এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চান যেখানে সবাই কোনো ভয় ছাড়াই তাদের ধর্ম পালন করতে পারে এবং যেখানে কোনো মন্দির পাহারা দিতে হবে না। দেশের প্রতিটি নাগরিকের অধিকার রক্ষায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ সরকার।

হিন্দু নেতাদের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, আমাদের দায়িত্ব প্রতিটি নাগরিকের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। আমাদের কাজ প্রতিটি নাগরিকের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে মানুষের মধ্যে কোনো বিভাজন থাকতে পারে না। অন্তর্বর্তী সরকার দেশের প্রতিটি নাগরিকের অধিকার রক্ষায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

প্রধান উপদেষ্টাকে অভিনন্দন জানিয়ে হিন্দু নেতারা জানান, তারা জাতির সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধি এবং অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য শ্রী কৃষ্ণের আশীর্বাদ চেয়েছেন। তারা দেশের বন্যাকবলিত অঞ্চলে জন্মাষ্টমী উদ্‌যাপন স্থগিত করেছেন। সেই সঙ্গে বন্যাকবলিত অঞ্চলে খাদ্য ও ত্রাণ পাঠিয়েছেন তারা।

হিন্দু নেতারা পুরান ঢাকার ঢাকেশ্বরী মন্দিরে প্রধান উপদেষ্টার সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রশংসা করে বলেন, এটি দেশে একটি অসাম্প্রদায়িক সমাজ গড়ে তুলতে এবং সমাজে ধর্মীয় সম্প্রীতি নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে। তারা হিন্দু মন্দিরের জমিসহ হিন্দু সম্পত্তি দখলের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন।

শীর্ষ হিন্দু নেতাদের মধ্যে ছিলেন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের কাজল দেবনাথ ও মনীন্দ্র কুমার নাথ, ইসকনের চারুচরণ ব্রহ্মচারী, বাংলাদেশ পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের বাসুদেব ধর ও সন্তোষ শর্মা এবং ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের প্রীতি চক্রবর্তী এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প

প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার রক্ষা সরকারের দায়িত্ব: প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় ১২:২৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৪

বাংলাদেশে প্রতিটি নাগরিকের অধিকার রক্ষা করা সরকারের দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

সোমাবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় শ্রী কৃষ্ণের জন্মোৎসব শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এ মন্তব্য করেন তিনি।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, তিনি এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চান যেখানে সবাই কোনো ভয় ছাড়াই তাদের ধর্ম পালন করতে পারে এবং যেখানে কোনো মন্দির পাহারা দিতে হবে না। দেশের প্রতিটি নাগরিকের অধিকার রক্ষায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ সরকার।

হিন্দু নেতাদের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, আমাদের দায়িত্ব প্রতিটি নাগরিকের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। আমাদের কাজ প্রতিটি নাগরিকের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে মানুষের মধ্যে কোনো বিভাজন থাকতে পারে না। অন্তর্বর্তী সরকার দেশের প্রতিটি নাগরিকের অধিকার রক্ষায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

প্রধান উপদেষ্টাকে অভিনন্দন জানিয়ে হিন্দু নেতারা জানান, তারা জাতির সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধি এবং অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য শ্রী কৃষ্ণের আশীর্বাদ চেয়েছেন। তারা দেশের বন্যাকবলিত অঞ্চলে জন্মাষ্টমী উদ্‌যাপন স্থগিত করেছেন। সেই সঙ্গে বন্যাকবলিত অঞ্চলে খাদ্য ও ত্রাণ পাঠিয়েছেন তারা।

হিন্দু নেতারা পুরান ঢাকার ঢাকেশ্বরী মন্দিরে প্রধান উপদেষ্টার সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রশংসা করে বলেন, এটি দেশে একটি অসাম্প্রদায়িক সমাজ গড়ে তুলতে এবং সমাজে ধর্মীয় সম্প্রীতি নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে। তারা হিন্দু মন্দিরের জমিসহ হিন্দু সম্পত্তি দখলের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন।

শীর্ষ হিন্দু নেতাদের মধ্যে ছিলেন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের কাজল দেবনাথ ও মনীন্দ্র কুমার নাথ, ইসকনের চারুচরণ ব্রহ্মচারী, বাংলাদেশ পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের বাসুদেব ধর ও সন্তোষ শর্মা এবং ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের প্রীতি চক্রবর্তী এ সময় উপস্থিত ছিলেন।