সংবাদ শিরোনাম ::
আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা করলেন আইসিসির তিন বিচারক গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতায় বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হোটেল রুমে স্বামী, পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দলের ঘরে বিবাদ ১ টাকার দুর্নীতি বের করতে পারলে ইস্তফা দেবো: হাসনাত  আশুরা মানুষকে অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে শেখায় : রাষ্ট্রপতি তিস্তা মহাপরিকল্পনায় কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী চীন নরসিংদীতে কুকুরের গলায় ইট বেঁধে নদীতে নিক্ষেপ, যুবক আটক ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিত আটকা বহু, উদ্ধারে আসছেন না কেউ বরগুনায় সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগে প্যানেল চেয়ারম্যান (ইউপি সদস্যের) বিরুদ্ধে মামলা

টেম্পুর বেপরোয়া গতির কারণে নগরীর বিভিন্ন সড়কে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।

চট্টগ্রাম নগরী বারেক বিল্ডিং থেকেই বেশিরভাগ গাড়িই চলে চালকের চোখের আন্দাজে কিংবা হাতের মাপে। কিন্তু চোখের আন্দাজ নয়, গাড়ি চলার কথা স্পিডোমিটার বা গতিমাপক মিটারের সাহায্যে।

গতিমাপক মিটারের মাধ্যমে গাড়ির গতিবেগ নির্ধারণ করে চালক সিদ্ধান্ত নেবেন কোন সড়কে, কী পরিস্থিতিতে এবং কত গতিতে চালাতে হবে।
অথচ এসব তো দূরের কথা, অনেক গাড়িতে নেই ড্যাশবোর্ডও। বাসই শুধু নয়, এমনকি লেগুনা ও টেম্পো, মিনিবাসসহ সিএনজিচালিত গাড়িতেও ড্যাশবোর্ড নেই।
ফলে চালকের ইচ্ছেমতো বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর কারণে নগরীর বিভিন্ন সড়কে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। এতে ঘটছে প্রাণহানির ঘটনাও।বারেক বিল্ডিং থেকে অক্সিজেন যাওয়ার টেম্পুর বেপরোয়া গতির কারণে নগরীর বিভিন্ন সড়কে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।
তাই এরকম দুর্ঘটনা নগরীতে প্রায়ই ঘটছে। আহত হওয়ার বেশিরভাগ ঘটনাতেই সাধারণত সুনির্দিষ্ট অভিযোগ জানানো হয় না সংশ্লিষ্ট থানায়। ফলে এসব দুর্ঘটনা সম্পর্কে সঠিক তথ্যও মেলে না।
সাংবাদিকদের সামনে ঘটলো দুর্ঘটনা বেপরোয়া গতির কারণে এই টেম্পুর ড্রাইভার তার নিজ গতিতে ছুটে চলেছে যাত্রীদের উদ্দেশে

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

টেম্পুর বেপরোয়া গতির কারণে নগরীর বিভিন্ন সড়কে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।

আপডেট সময় ১০:২৭:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৪

চট্টগ্রাম নগরী বারেক বিল্ডিং থেকেই বেশিরভাগ গাড়িই চলে চালকের চোখের আন্দাজে কিংবা হাতের মাপে। কিন্তু চোখের আন্দাজ নয়, গাড়ি চলার কথা স্পিডোমিটার বা গতিমাপক মিটারের সাহায্যে।

গতিমাপক মিটারের মাধ্যমে গাড়ির গতিবেগ নির্ধারণ করে চালক সিদ্ধান্ত নেবেন কোন সড়কে, কী পরিস্থিতিতে এবং কত গতিতে চালাতে হবে।
অথচ এসব তো দূরের কথা, অনেক গাড়িতে নেই ড্যাশবোর্ডও। বাসই শুধু নয়, এমনকি লেগুনা ও টেম্পো, মিনিবাসসহ সিএনজিচালিত গাড়িতেও ড্যাশবোর্ড নেই।
ফলে চালকের ইচ্ছেমতো বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর কারণে নগরীর বিভিন্ন সড়কে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। এতে ঘটছে প্রাণহানির ঘটনাও।বারেক বিল্ডিং থেকে অক্সিজেন যাওয়ার টেম্পুর বেপরোয়া গতির কারণে নগরীর বিভিন্ন সড়কে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।
তাই এরকম দুর্ঘটনা নগরীতে প্রায়ই ঘটছে। আহত হওয়ার বেশিরভাগ ঘটনাতেই সাধারণত সুনির্দিষ্ট অভিযোগ জানানো হয় না সংশ্লিষ্ট থানায়। ফলে এসব দুর্ঘটনা সম্পর্কে সঠিক তথ্যও মেলে না।
সাংবাদিকদের সামনে ঘটলো দুর্ঘটনা বেপরোয়া গতির কারণে এই টেম্পুর ড্রাইভার তার নিজ গতিতে ছুটে চলেছে যাত্রীদের উদ্দেশে