সংবাদ শিরোনাম ::
আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা করলেন আইসিসির তিন বিচারক গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতায় বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হোটেল রুমে স্বামী, পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দলের ঘরে বিবাদ ১ টাকার দুর্নীতি বের করতে পারলে ইস্তফা দেবো: হাসনাত  আশুরা মানুষকে অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে শেখায় : রাষ্ট্রপতি তিস্তা মহাপরিকল্পনায় কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী চীন নরসিংদীতে কুকুরের গলায় ইট বেঁধে নদীতে নিক্ষেপ, যুবক আটক ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিত আটকা বহু, উদ্ধারে আসছেন না কেউ বরগুনায় সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগে প্যানেল চেয়ারম্যান (ইউপি সদস্যের) বিরুদ্ধে মামলা

যাত্রাবাড়ীতে রিকশা চুরির অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যা

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী হাশেম রোডে রিকশা চুরির ঘটনায় নাহিদ (২২) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

নাহিদের স্বজনরা অভিযোগ করেন সোমবার (১২ আগস্ট) নাহিদকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে এলাকার একটি রিকশার গ্যারেজে দিনভর আটকে রেখে বেধড়ক মারধর করা হয়। তারপর সে মারা গেলে রাস্তার পাশে ফেলে রাখে।

মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নাহিদকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালে নাহিদের বাবা আব্দুল আলিম জানান, তাদের বাড়ি মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার ভবানিপুর গ্রামে। পরিবার নিয়ে যাত্রাবাড়ী মাতুয়াইল দক্ষিণপাড়া উকিলের বাড়িতে ভাড়া থাকেন। ভাড়ায় ব্যাটারিচালিতরিকশা চালাতেন নাহিদ।

বাবা আব্দুল আলিম আরও জানান, গতকাল সোমবার বেলা ১১টার দিকে যাত্রাবাড়ী হাশেম রোডে গার্মেন্টসের মোড় থেকে নাহিদকে তুলে নিয়ে যায় স্থানীয় গ্যারেজ মালিক আনোয়ার, তার ভাই জাকির ও ছেলেরা। তুলে নিয়ে গ্যারেজে আটকে রাখে। নাহিদ দুদিন আগে গ্যারেজের একটি রিকশা চুরি করেছে বলে অভিযোগ এনে দিনভর মারধর করে। সোমবার রাত ৯টার পর যখন নাহিদ নিস্তেজ হয়ে পড়ে, তখন নাহিদকে বাসার পাশে খান বাড়ির জঙ্গলে ফেলে যায়। আজ মঙ্গলবার সকালে এলাকাবাসী মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে খবর দেয়।

তিনি আরও জানান, ছেলের মরদেহ পাওয়ার পর যাত্রাবাড়ী থানায় যাওয়া হয়। তবে সেখানে পুলিশ না পেয়ে কয়েকজন ছাত্রকে ঘটনাটি খুলে বলেন। তখন ছাত্ররা গিয়ে ওই রিকশা গ্যারেজের মালিক আনোয়ার ও তার ছেলেকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। আর স্বজনরা মরদেহ হাসপাতালে নিয়ে আসে।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া জানান, মরদেহে সমস্ত শরীরে নীলাফুলা জখম রয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

যাত্রাবাড়ীতে রিকশা চুরির অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যা

আপডেট সময় ০২:১৪:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৪

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী হাশেম রোডে রিকশা চুরির ঘটনায় নাহিদ (২২) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

নাহিদের স্বজনরা অভিযোগ করেন সোমবার (১২ আগস্ট) নাহিদকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে এলাকার একটি রিকশার গ্যারেজে দিনভর আটকে রেখে বেধড়ক মারধর করা হয়। তারপর সে মারা গেলে রাস্তার পাশে ফেলে রাখে।

মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নাহিদকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালে নাহিদের বাবা আব্দুল আলিম জানান, তাদের বাড়ি মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার ভবানিপুর গ্রামে। পরিবার নিয়ে যাত্রাবাড়ী মাতুয়াইল দক্ষিণপাড়া উকিলের বাড়িতে ভাড়া থাকেন। ভাড়ায় ব্যাটারিচালিতরিকশা চালাতেন নাহিদ।

বাবা আব্দুল আলিম আরও জানান, গতকাল সোমবার বেলা ১১টার দিকে যাত্রাবাড়ী হাশেম রোডে গার্মেন্টসের মোড় থেকে নাহিদকে তুলে নিয়ে যায় স্থানীয় গ্যারেজ মালিক আনোয়ার, তার ভাই জাকির ও ছেলেরা। তুলে নিয়ে গ্যারেজে আটকে রাখে। নাহিদ দুদিন আগে গ্যারেজের একটি রিকশা চুরি করেছে বলে অভিযোগ এনে দিনভর মারধর করে। সোমবার রাত ৯টার পর যখন নাহিদ নিস্তেজ হয়ে পড়ে, তখন নাহিদকে বাসার পাশে খান বাড়ির জঙ্গলে ফেলে যায়। আজ মঙ্গলবার সকালে এলাকাবাসী মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে খবর দেয়।

তিনি আরও জানান, ছেলের মরদেহ পাওয়ার পর যাত্রাবাড়ী থানায় যাওয়া হয়। তবে সেখানে পুলিশ না পেয়ে কয়েকজন ছাত্রকে ঘটনাটি খুলে বলেন। তখন ছাত্ররা গিয়ে ওই রিকশা গ্যারেজের মালিক আনোয়ার ও তার ছেলেকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। আর স্বজনরা মরদেহ হাসপাতালে নিয়ে আসে।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া জানান, মরদেহে সমস্ত শরীরে নীলাফুলা জখম রয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।