২৪ এপ্রিল ২০১৩ সালে সাভারের রানা প্লাজার ৯ তলা ভবনটি নিমিষেই ধসে পরেছিল তাতে প্রাণ হারিয়েছেন ১ হাজার ১৩৮ শ্রমিক এবং আহত হয়েছেন ২ হাজার ৪৩৮ এর অধিক শ্রমিক। তবে আহত শ্রমিকদের মধ্যে শ্রমিকেই পঙ্গু হয়ে মানবেতর জীবন করছেন এবং অনেকেই জীবন বাঁচানোর তাগিদে মাদকের সঙ্গে ছড়িয়ে পড়ছেন।
দেশের পোশাকশিল্পে ঘটে যাওয়া সবচেয়ে বড় ট্রাজেডির নাম রানা প্লাজা আর আজ বুধবার সেই ভয়াবহ দুর্ঘটনার ১১তম বর্ষ।দেশের ইতিহাসে ঘটেছিল একটি কালো অধ্যায় দুর্ঘটনা যাহা চোখের পলকেই সেদিন কেড়ে নিয়েছিল হাজারেরও অধিক শ্রমিকের প্রাণ।
সেদিনের মৃত্যুপুরী থেকে বেঁচে আসা পঙ্গু মরিয়ম বেগম ঘটনার কথা স্মরণ করে, দৈনিক আমাদের মাতৃভূমিকে বলেন, মুই সেই দিন মরি যাওয়া ভালো ছিল। আজ কেন মুই একমুঠা ভাত পাওনা এই পঙ্গু শরীর নিয়ে কি করিম মুই।
মরিয়ম বেগম স্বামী মোঃগোলজার হোসেন গ্রামঃ বুজরুক তাজপুর থানাঃমিঠাপুকুর জেলাঃরংপুর তিনি রানা প্লাজার পঞ্চম তলায় ইথারটেক্স এ কর্মরত ছিলেন। তিনি বলেন সেদিন আমার মরে যাওয়াই ভালো ছিল এই পঙ্গু শরীর নিয়ে আজ কিছুই করতে পারিনা একমুঠা ভাত খেয়ে বাঁচতে চাই এই ব্যবস্থাই যেন সরকার,শ্রমিক নেত্রীরা সবাই একযোগে কাজ করেন আজকে যারা পঙ্গুত্ব বরণ করেছে তাদের খবর কেউ রাখেনা। শুধু সাংবাদিক সাহেবরা লিখতেই থাকেন কই কিছু হয় আমার ঘরের চাল নেই,পেটে খাদ্য নেই থাকি সরকারি জমিতে তবু মেলেনি কোন সহযোগিতা আমি কিছু চাই না আমিতো মুঠো ভাত খেয়ে বাঁচতে চাই। এমনই কান্না জড়িত কন্ঠে প্রতিবেদকের নিকট উপস্থাপন করলেন রানা প্লাজা থেকে বেঁচে আসা রংপুরের পঙ্গু মরিয়ম বেগম।
শহিদুল ইসলাম উত্তরবঙ্গ আবাসিক প্রতিনিধি। 





















