এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। সেই সাথে এগিয়ে চলেছে এদেশের শিক্ষা-ব্যবস্থা। নানাবিধ কারণে শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও তার পেছনের কারণ জানতে অনাগ্রহী অনেকেই। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিশুদের লেখাপড়া মান উন্নয়ন ও বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষে প্রতিবছর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে প্রতিটি বিদ্যালয় স্লিপ, রুটিন মেরামত এবং প্রাক প্রাথমিক বাবদ দেওয়া হয় বিশেষ বরাদ্দ।
এই বরাদ্দের টাকা বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটিকে নিয়ে প্রধান শিক্ষক বিভিন্ন উপকরণ সামগ্রী ও বিদ্যালয়ের আনুষঙ্গিক কাজ করার সরকারি নীতিমালা রয়েছে।
তবে অভিযোগ উঠেছে ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার দুইজন সহকারী উপজেলা শিক্ষা এ-সকল উপকরণ কমদামে ক্রয় করে প্রধান শিক্ষকদের নিকট তিনগুন বেশিদামে বিক্রি করে আসছেন। কেউ নিতে না চাইলে বাধ্য করা হচ্ছে। যা নিয়ে সবার মাঝে সৃষ্টি হয়েছে তিব্র ক্ষোভ।
নান্দাইল উপজেলায় কর্মরত থেকে এ বানিজ্য চালিয়ে আসছেন। বিগত বছরগুলোতে এভাবে উপকরণ বানিজ্য করে হাতিয়ে নিয়েছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে তৈরি হয়েছে নানান সমালোচনা।
এছাড়া প্রতি বছর অফিস খরচ বাবদ ঘুষ হিসেবে বিদ্যালয় প্রতি নিয়েছেন ৪৫০০-৫০০০/-টাকা। অধিনস্ত ২টি ক্লাষ্টারে বিদ্যালয়ের সংখ্যা মোট ৪৬ টি। সকল প্রধান শিক্ষককে জিম্মি করে অফিসার তার এমন অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।
নাম-পরিচয় গোপন রাখার শর্তে নান্দাইল উপজেলার একাধিক শিক্ষক জানান, তাদের সকল উপকরণ সরবরাহ করেন সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার । ভুক্তভোগী শিক্ষকগন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কার্যকরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
নিজশ্ব প্রতিনিধি 





















