ঢাকা ০৭:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৫ আগস্ট ঘিরে গোপালগঞ্জে নিরাপত্তা জোরদার এডভোকেট মিজানুর রহমান অন্তরের ওপর হামলার প্রতিবাদে কুমিল্লা বারে মানববন্ধন ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে থমথমে বেরোবি, নিরাপত্তা জোরদার কালুখালীতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির স্বল্পমূল্যে চাল বিক্রয় শুরু নওগাঁ সীমান্ত থেকে ৯৪ কেজি ওজনের কষ্টি পাথরের বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার করেছে বিজিবি  দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মনিরুজ্জামানের অস্বাভাবিক সম্পদের পাহাড় মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দেশজুড়ে তীব্র গ্যাস সংকট ও ভয়াবহ লোডশেডিং ঝালকাঠি জেলা পরিষদের উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ নরসিংদী প্রেমিকাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২ ৪ আগস্টের গোপন সভার দুই বছর ,এখনো বিচার হয়নি ববির আওয়ামী শিক্ষকদের

বিষবৃক্ষ তামাক চাষ রংপুরে বৃদ্ধি সিগারেট ও তামাক প্রস্তুতকারী কোম্পানির লোভনীয় প্রস্তাবে

দেশের বিভিন্ন তামাক ও সিগারেট প্রস্তুতকারী কোম্পানির লোভনীয় প্রস্তাবে সোনালী ফসলের কৃষকরা দিনে দিনে তামাক চাষ বৃদ্ধি করছে। কমে যাচ্ছে আবাদি ফসলি জমি। রংপুর জেলা জুড়ে আবারো বিস্তীর্ণভাবে আবাদ করছে স্থানীয় চাষীরা এই তামাক। তাই মরণ ঘাতি এই নেশা জাতীয় দ্রব্যের চাষ বন্ধে দাবী সুশীল সমাজ থেকে স্থানীয় জনসচেতন ব্যক্তিরা।পরিবেশ বাদীরা বলছেন, রংপুরে তামাক চাষ কমে গিয়েছিল এখনো আগের তুলনায় কম হঠাৎ করে তামাক চাষ বৃদ্ধি হয় স্থানীয় শিক্ষার্থীরা ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে।সুশীল সমাজ মনে করেন তামাক চাষ বন্ধ হলে, শিক্ষার্থীরা যেমন স্কুল-কলেজে ফিরবে তেমনি যে জমিতে মরণ নাশক বিষবৃক্ষ তামাক উৎপাদিত হয়, সেই কৃষি জমিতে ভালো কিছু উৎপাদিত করে দেশের নাগরিকের কল্যাণের কাজে কাজে লাগাতে পারে।

রংপুরের বিস্তীর্ণ এলাকা ঘুরে দেখা যায়, রংপুর সদর উপজেলা সহ জেলার হারা গাছ, কাউনিয়া, গংগাচড়া, বদরগঞ্জ,মিঠাপুকুর উপজেলার অধিকাংশ এলাকা জুড়ে সবুজ শ্যামল ফসলি মাঠে এই দেশেরই তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংস করার বিশ বৃক্ষ তামাক চাষ,গত বছরে যে সকল কৃষি আবাদি জমিতে ধান, গম, ভুট্টা, সরিষা, আলুসহ বিভিন্ন ফসল চাষাবাদ করা হয়েছিল, এখন সেসব জমিতে বিষবৃক্ষ তামাক চাষ করার আগ্রহ বেশী কৃষক মাঝে দেশের বিভিন্ন তামাক ও সিগারেট প্রস্তুতকারী কোম্পানির লোভনীয় প্রস্তাবে কারণে।

তামাক চাষী আলতাব হোসেন সহ কয়েকজন বলেন, অন্যান্য ফসলের চেয়ে তামাক চাষাবাদ করে দাম বেশি পাচ্ছি তাই তামাক চাষাবাদ আমরা করছি। তামাক ক্ষতি কর এটা ঠিক আছে। কিন্তু ধান, গম, ভুট্টার চেয়ে অনেক লাভ হয় এজন্য আমরা তাই তামাক চাষাবাদ করি।অন্যদিকে তামাক ও সিগারেট প্রস্তুতকারী কোম্পানি গুলোর বীজ সার কীটনাশক সহ বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ায় লোভে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। এ কারণেই মাটির উর্বরতা হারাচ্ছে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। তামাক চাষের ক্ষতিকর দিক জানা থাকলেও অধিক মুনাফার আশায় তামাক চাষ বৃদ্ধি হচ্ছে।পার্শ্ববর্তী কামাল বলেন, তামাক চাষাবাদ করে কৃষি জমির অনেক ক্ষতি হচ্ছে। ধূমপান যেতুহেতু স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। ঠিক তেমনি তামাক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর তাই যত লাভই হোক এর থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। স্থানীয় সচেতন কৃষক মোতালেব দৈনিক আমাদের মাতৃভূমিকে বলেন, তামাক চাষ বন্ধ করে যদি আলু,গম,ভুট্টা চাষাবাদ করা যায়। তাহলে স্বাস্থ্য ঝুঁকি থেকে রক্ষা পাবে সাধারণ মানুষ ও কোমলমতি শিশুরা। আর তামাক চাষ যদি কম হয় আর যদি সবজি চাষ বৃদ্ধি হয় তাহলে এখানকার মানুষ সবজিসহ বিভিন্ন ফল ফলাদি সহজলভ্য ক্রয় করতে পারবে পাশাপাশি আমরা চাই এই তামাক চাষ বন্ধ হোক।

এই তামাকের বিষের কারনে দীর্ঘ উর্বরতা হারাচ্ছে ফসলি ক্ষেত। শুধু ফসলের ক্ষেত নয় তামাক প্রক্রিয়াজাত করার জন্য যে সকল পদক্ষেপ নেয়া হয় তাতেও রয়েছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি হচ্ছে পরিবেশ দূষণ ফলে নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে স্থানীয় জনসাধারণ।

এদিকে তামাক পোড়ার কারণে লক্ষ লক্ষ মানুষ স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে আছে বলে জানালেন জেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আর কিছুই কর্মকর্তারা জানালেন সিগারেট কোম্পানি গুলোর লোভনীয় প্রস্তাবের কারণে নীর উৎসাহী করা যাচ্ছে না কৃষকদের।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে রংপুরে ১৮শ ৪০হেক্টর জমিতে তামাক চাষ হয়েছে বলে জানান।

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অতিরিক্ত
উপ-পরিচালক (শস্য) কৃষিবিদ মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, রংপুর জেলা একটি কৃষি সমৃদ্ধ জেলা এখানে এ বছর ১৮শ ৪০হেক্টর জমিতে তামাক চাষ হয়েছে। তামাক উৎপাদন করার সময় ব্যবহার করার সময় প্রক্রিয়া জাত করণের সময় সর্বক্ষেত্রেই ক্ষতিকর প্রভাব বিদ্যমান রয়েছে। পরিবেশের জন্য অনেক ক্ষতিকর। কৃষকদের নানাভাবে উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা আমরা করছি যাতে কৃষকদের এই বিষবৃক্ষ তামাক চাষ উৎপাদন করা থেকে বিরত রাখা যায়। তিনি আরও বলেন, তামাক চাষের বিকল্প ফসল হিসেবে ভুট্টা, আলু,গম, সরিষা এগুলো আবাদ করার পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি আমরা সব সময় তারপরও কিছু কিছু কৃষক তামাক কোম্পানিগুলো পাশে থাকায় সঠিক দামে তামাক বিক্রয়ের নিশ্চয়তা পান। সেজন্য তারা তামাকের দিকে ঝুঁকে যাচ্ছেন। আবার অনেক কৃষক দুই এক বছর পরে বুঝতে পারে যে তাদেরও ক্ষতি হচ্ছে। পরিবেশেরও ক্ষতি হচ্ছে পাশাপাশি জমিরও উর্বরতা শক্তি নষ্ট হয়ে যায়। এ কারণেই কৃষকরা আবারও ফিরে আসে তামাক চাষ বন্ধ করে। কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে প্রতিনিয়তই কৃষকদের তামাক চাষ পরিহার করে অন্যান্য ফসল উৎপাদনে উৎসাহিত করার চেষ্টা আমরা নিরলস ভাবে করছি।

ফসলি জমিতে তামাক চাষের বিস্তার ঠেকাতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সহ সব বিভাগকে বাস্তবমুখী উদ্যোগ নেয়া দরকার বলে মনে করছেন রংপুরের সুশীল সমাজের জনগণ।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৫ আগস্ট ঘিরে গোপালগঞ্জে নিরাপত্তা জোরদার

বিষবৃক্ষ তামাক চাষ রংপুরে বৃদ্ধি সিগারেট ও তামাক প্রস্তুতকারী কোম্পানির লোভনীয় প্রস্তাবে

আপডেট সময় ১১:৫০:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০২৪

দেশের বিভিন্ন তামাক ও সিগারেট প্রস্তুতকারী কোম্পানির লোভনীয় প্রস্তাবে সোনালী ফসলের কৃষকরা দিনে দিনে তামাক চাষ বৃদ্ধি করছে। কমে যাচ্ছে আবাদি ফসলি জমি। রংপুর জেলা জুড়ে আবারো বিস্তীর্ণভাবে আবাদ করছে স্থানীয় চাষীরা এই তামাক। তাই মরণ ঘাতি এই নেশা জাতীয় দ্রব্যের চাষ বন্ধে দাবী সুশীল সমাজ থেকে স্থানীয় জনসচেতন ব্যক্তিরা।পরিবেশ বাদীরা বলছেন, রংপুরে তামাক চাষ কমে গিয়েছিল এখনো আগের তুলনায় কম হঠাৎ করে তামাক চাষ বৃদ্ধি হয় স্থানীয় শিক্ষার্থীরা ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে।সুশীল সমাজ মনে করেন তামাক চাষ বন্ধ হলে, শিক্ষার্থীরা যেমন স্কুল-কলেজে ফিরবে তেমনি যে জমিতে মরণ নাশক বিষবৃক্ষ তামাক উৎপাদিত হয়, সেই কৃষি জমিতে ভালো কিছু উৎপাদিত করে দেশের নাগরিকের কল্যাণের কাজে কাজে লাগাতে পারে।

রংপুরের বিস্তীর্ণ এলাকা ঘুরে দেখা যায়, রংপুর সদর উপজেলা সহ জেলার হারা গাছ, কাউনিয়া, গংগাচড়া, বদরগঞ্জ,মিঠাপুকুর উপজেলার অধিকাংশ এলাকা জুড়ে সবুজ শ্যামল ফসলি মাঠে এই দেশেরই তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংস করার বিশ বৃক্ষ তামাক চাষ,গত বছরে যে সকল কৃষি আবাদি জমিতে ধান, গম, ভুট্টা, সরিষা, আলুসহ বিভিন্ন ফসল চাষাবাদ করা হয়েছিল, এখন সেসব জমিতে বিষবৃক্ষ তামাক চাষ করার আগ্রহ বেশী কৃষক মাঝে দেশের বিভিন্ন তামাক ও সিগারেট প্রস্তুতকারী কোম্পানির লোভনীয় প্রস্তাবে কারণে।

তামাক চাষী আলতাব হোসেন সহ কয়েকজন বলেন, অন্যান্য ফসলের চেয়ে তামাক চাষাবাদ করে দাম বেশি পাচ্ছি তাই তামাক চাষাবাদ আমরা করছি। তামাক ক্ষতি কর এটা ঠিক আছে। কিন্তু ধান, গম, ভুট্টার চেয়ে অনেক লাভ হয় এজন্য আমরা তাই তামাক চাষাবাদ করি।অন্যদিকে তামাক ও সিগারেট প্রস্তুতকারী কোম্পানি গুলোর বীজ সার কীটনাশক সহ বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ায় লোভে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। এ কারণেই মাটির উর্বরতা হারাচ্ছে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। তামাক চাষের ক্ষতিকর দিক জানা থাকলেও অধিক মুনাফার আশায় তামাক চাষ বৃদ্ধি হচ্ছে।পার্শ্ববর্তী কামাল বলেন, তামাক চাষাবাদ করে কৃষি জমির অনেক ক্ষতি হচ্ছে। ধূমপান যেতুহেতু স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। ঠিক তেমনি তামাক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর তাই যত লাভই হোক এর থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। স্থানীয় সচেতন কৃষক মোতালেব দৈনিক আমাদের মাতৃভূমিকে বলেন, তামাক চাষ বন্ধ করে যদি আলু,গম,ভুট্টা চাষাবাদ করা যায়। তাহলে স্বাস্থ্য ঝুঁকি থেকে রক্ষা পাবে সাধারণ মানুষ ও কোমলমতি শিশুরা। আর তামাক চাষ যদি কম হয় আর যদি সবজি চাষ বৃদ্ধি হয় তাহলে এখানকার মানুষ সবজিসহ বিভিন্ন ফল ফলাদি সহজলভ্য ক্রয় করতে পারবে পাশাপাশি আমরা চাই এই তামাক চাষ বন্ধ হোক।

এই তামাকের বিষের কারনে দীর্ঘ উর্বরতা হারাচ্ছে ফসলি ক্ষেত। শুধু ফসলের ক্ষেত নয় তামাক প্রক্রিয়াজাত করার জন্য যে সকল পদক্ষেপ নেয়া হয় তাতেও রয়েছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি হচ্ছে পরিবেশ দূষণ ফলে নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে স্থানীয় জনসাধারণ।

এদিকে তামাক পোড়ার কারণে লক্ষ লক্ষ মানুষ স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে আছে বলে জানালেন জেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আর কিছুই কর্মকর্তারা জানালেন সিগারেট কোম্পানি গুলোর লোভনীয় প্রস্তাবের কারণে নীর উৎসাহী করা যাচ্ছে না কৃষকদের।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে রংপুরে ১৮শ ৪০হেক্টর জমিতে তামাক চাষ হয়েছে বলে জানান।

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অতিরিক্ত
উপ-পরিচালক (শস্য) কৃষিবিদ মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, রংপুর জেলা একটি কৃষি সমৃদ্ধ জেলা এখানে এ বছর ১৮শ ৪০হেক্টর জমিতে তামাক চাষ হয়েছে। তামাক উৎপাদন করার সময় ব্যবহার করার সময় প্রক্রিয়া জাত করণের সময় সর্বক্ষেত্রেই ক্ষতিকর প্রভাব বিদ্যমান রয়েছে। পরিবেশের জন্য অনেক ক্ষতিকর। কৃষকদের নানাভাবে উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা আমরা করছি যাতে কৃষকদের এই বিষবৃক্ষ তামাক চাষ উৎপাদন করা থেকে বিরত রাখা যায়। তিনি আরও বলেন, তামাক চাষের বিকল্প ফসল হিসেবে ভুট্টা, আলু,গম, সরিষা এগুলো আবাদ করার পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি আমরা সব সময় তারপরও কিছু কিছু কৃষক তামাক কোম্পানিগুলো পাশে থাকায় সঠিক দামে তামাক বিক্রয়ের নিশ্চয়তা পান। সেজন্য তারা তামাকের দিকে ঝুঁকে যাচ্ছেন। আবার অনেক কৃষক দুই এক বছর পরে বুঝতে পারে যে তাদেরও ক্ষতি হচ্ছে। পরিবেশেরও ক্ষতি হচ্ছে পাশাপাশি জমিরও উর্বরতা শক্তি নষ্ট হয়ে যায়। এ কারণেই কৃষকরা আবারও ফিরে আসে তামাক চাষ বন্ধ করে। কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে প্রতিনিয়তই কৃষকদের তামাক চাষ পরিহার করে অন্যান্য ফসল উৎপাদনে উৎসাহিত করার চেষ্টা আমরা নিরলস ভাবে করছি।

ফসলি জমিতে তামাক চাষের বিস্তার ঠেকাতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সহ সব বিভাগকে বাস্তবমুখী উদ্যোগ নেয়া দরকার বলে মনে করছেন রংপুরের সুশীল সমাজের জনগণ।