ঢাকা ০৬:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপির নারী এমপিকে আসিফ মাহমুদের আইনি নোটিশ র‍্যাবের নাম বদলে আসছে এসআরবি অফিস টাইমে ক্লিনিকে রোগী দেখছিলেন সরকারি চিকিৎসক, লাইসেন্স বাতিল ও বরখাস্তের নির্দেশ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ১২ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ফ্যাসিবাদের কালো ছায়া সংস্কৃতির মাধ্যমে বিদায় করতে হবে : শফিকুর রহমান আ.লীগের কার্যক্রম নিয়ে ভারতকে কড়া বার্তা শামা ওবায়েদের  কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪ গ্রেপ্তার, উদ্ধার এক ভিকটিম ব্রাহ্মণপাড়ায় নবাগত ইউএনওর সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় কালিহাতীতে ২১৯ বোতল ফেন্সিডিলসহ রাজশাহীর শীর্ষ মাদককারবারি গ্রেপ্তার বড়লেখায় গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

চট্টগ্রামের বাঁশখালী থানার ককটেল বিস্ফোরণ এবং নাশকতা মামলার অন্যতম প্রধান আসামি আবু মুছা মেম্বার’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম।

গত ০২ নভেম্বর ২০২৩ ইং তারিখ বিএনপি ও জামায়াতের ডাকা অবরোধ চলাকালে দুপুর আনুমানিক ১৪৩০ ঘটিকায় চট্টগ্রামের বাঁশখালী থানাধীন সোনারটিলা এলাকায় রাস্তার উপর অবরোধ কর্মসূচীকে কেন্দ্র করে কতিপয় দুস্কৃতিকারীরা সরকার বিরোধী বিভিন্ন ধরণের স্লোগান দিয়ে লাঠি-সোঠা, লোহার রড ইত্যাদি নিয়ে রাস্তায় যানবাহন চলাচলে বাধা সৃষ্টি, সাধারণ জনগণের মাঝে ভয়-ভীতির উদ্দেশ্যে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নাশকতামূলক কর্মকান্ড সৃষ্টি করে। এসময় ভিকটিম মোঃ করিম (২৬) সহ ৭/৮ জন নেতাকর্মীদের লক্ষ্য করে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে গুরুতর জখম করে এবং হত্যার উদ্দেশ্যে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। খবর পেয়ে বাঁশখালী থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে নাশকতাকারীরা পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থল হতে বিভিন্ন আলামত জব্দ করে।

উক্ত ঘটনায় ভিকটিম মোঃ করিম বাদী হয়ে চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী থানায় ৩২ জন এজাহার নামীয় এবং অজ্ঞাতনামা ১৫৫/২১৫ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করে। যার মামলা নং-০২ তারিখ-০৩ নভেম্বর ২০২৩ ইং, ধারা-১৪৭/১৪৮/১৪৯/৩৪১/৩২৩/৩২৫/৩০৭/৪২৭/৫০৬ পেনাল কোড ১৮৬০ তৎসহ ১৯০৮ সনের The Explosive Substances Act-৩/৪/৬।

র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম সূত্রে বর্ণিত মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি এবং ছায়াতদন্ত অব্যাহত রাখে। নজরদারীর এক পর্যায়ে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম জানতে পারে যে, সূত্রে বর্ণিত মামলার অন্যতম প্রধান পলাতক আসামি আবু মুছা মুছা মেম্বার চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী থানাধীন পুকুরিয়া চৌমুহনী বাজার এলাকায় অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রামের একটি আভিযানিক দল গত ২৮ জানুয়ারি ২০২৪ ইং তারিখ আনুমানিক ২১১৫ ঘটিকায় বর্ণিত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বাঁশখালী উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক আবু মুছা মেম্বার (৪৫), পিতা- মৃত রফিকুল ইসলাম, সাং- পুকুরিয়া, থানা- বাঁশখালী, জেলা- চট্টগ্রাম’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে যে, অবরোধ কর্মসূচী বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সড়কে যানবাহন চলাচলে বাধা সৃষ্টি, ভাংচুর, ককটেল বিষ্ফোরণ ঘটিয়ে নাশকতা সৃষ্টি এবং বাদী ভিকটিমকে মারধর করে।

উল্লেখ্য যে, সিডিএমএস পর্যালোচনায় গ্রেফতারকৃত আসামি আবু মুছা মেম্বার এর বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী থানায় সরকারী সম্পত্তির ক্ষতিসাধন, বেআইনি সমাবেশ, নাশকতা, হত্যাচেষ্টা আইনে ০১টি মামলার তথ্য পাওয়া যায়।

গ্রেফতারকৃত আসামি সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের নিমিত্তে চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপির নারী এমপিকে আসিফ মাহমুদের আইনি নোটিশ

চট্টগ্রামের বাঁশখালী থানার ককটেল বিস্ফোরণ এবং নাশকতা মামলার অন্যতম প্রধান আসামি আবু মুছা মেম্বার’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম।

আপডেট সময় ১১:৫৫:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৪

গত ০২ নভেম্বর ২০২৩ ইং তারিখ বিএনপি ও জামায়াতের ডাকা অবরোধ চলাকালে দুপুর আনুমানিক ১৪৩০ ঘটিকায় চট্টগ্রামের বাঁশখালী থানাধীন সোনারটিলা এলাকায় রাস্তার উপর অবরোধ কর্মসূচীকে কেন্দ্র করে কতিপয় দুস্কৃতিকারীরা সরকার বিরোধী বিভিন্ন ধরণের স্লোগান দিয়ে লাঠি-সোঠা, লোহার রড ইত্যাদি নিয়ে রাস্তায় যানবাহন চলাচলে বাধা সৃষ্টি, সাধারণ জনগণের মাঝে ভয়-ভীতির উদ্দেশ্যে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নাশকতামূলক কর্মকান্ড সৃষ্টি করে। এসময় ভিকটিম মোঃ করিম (২৬) সহ ৭/৮ জন নেতাকর্মীদের লক্ষ্য করে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে গুরুতর জখম করে এবং হত্যার উদ্দেশ্যে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। খবর পেয়ে বাঁশখালী থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে নাশকতাকারীরা পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থল হতে বিভিন্ন আলামত জব্দ করে।

উক্ত ঘটনায় ভিকটিম মোঃ করিম বাদী হয়ে চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী থানায় ৩২ জন এজাহার নামীয় এবং অজ্ঞাতনামা ১৫৫/২১৫ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করে। যার মামলা নং-০২ তারিখ-০৩ নভেম্বর ২০২৩ ইং, ধারা-১৪৭/১৪৮/১৪৯/৩৪১/৩২৩/৩২৫/৩০৭/৪২৭/৫০৬ পেনাল কোড ১৮৬০ তৎসহ ১৯০৮ সনের The Explosive Substances Act-৩/৪/৬।

র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম সূত্রে বর্ণিত মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি এবং ছায়াতদন্ত অব্যাহত রাখে। নজরদারীর এক পর্যায়ে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম জানতে পারে যে, সূত্রে বর্ণিত মামলার অন্যতম প্রধান পলাতক আসামি আবু মুছা মুছা মেম্বার চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী থানাধীন পুকুরিয়া চৌমুহনী বাজার এলাকায় অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রামের একটি আভিযানিক দল গত ২৮ জানুয়ারি ২০২৪ ইং তারিখ আনুমানিক ২১১৫ ঘটিকায় বর্ণিত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বাঁশখালী উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক আবু মুছা মেম্বার (৪৫), পিতা- মৃত রফিকুল ইসলাম, সাং- পুকুরিয়া, থানা- বাঁশখালী, জেলা- চট্টগ্রাম’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে যে, অবরোধ কর্মসূচী বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সড়কে যানবাহন চলাচলে বাধা সৃষ্টি, ভাংচুর, ককটেল বিষ্ফোরণ ঘটিয়ে নাশকতা সৃষ্টি এবং বাদী ভিকটিমকে মারধর করে।

উল্লেখ্য যে, সিডিএমএস পর্যালোচনায় গ্রেফতারকৃত আসামি আবু মুছা মেম্বার এর বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী থানায় সরকারী সম্পত্তির ক্ষতিসাধন, বেআইনি সমাবেশ, নাশকতা, হত্যাচেষ্টা আইনে ০১টি মামলার তথ্য পাওয়া যায়।

গ্রেফতারকৃত আসামি সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের নিমিত্তে চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।