চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের রেজিস্টারে ভর্তির ঠিকানা অনুযায়ী আলমডাঙ্গা উপজেলার কেষ্টপুর গ্রামের আলমগীরের স্ত্রী পাপিয়া খাতুন( ২৫) নামের এক মা তার সদ্য ভূমিষ্ঠ নবজাতক সন্তানকে ফেলে পলায়ন করেছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে চুয়াডাঙ্গায় সদর হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে রেজিস্টারে ভর্তির ঠিকানা অনুযায়ী চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার কেষ্টপুর গ্রামের আলমগীরের স্ত্রী পাপিয়া খাতুন( ২৫) নামের এক মহিলা ভর্তি হয়। ঠিক তখনই হাসপাতালের ইমারজেন্সি ওয়ার্ডে কন্যা সন্তান প্রসব করেন। পরবর্তীতে ইমারজেন্সিতে কর্তব্যরত চিকিৎসক চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে ভর্তি করেন এবং সকাল ৮ টার দিকে ঘটে বিপত্তি। সদ্য ভূমিষ্ঠ কন্যা সন্তানটি গাইনী ওয়ার্ডে ফেলে পালিয়ে যায়। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুজি করার পরও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় জানাই।
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমরা বিষয়টি জেনেছি। খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। পরবর্তীতে অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রথমে সদ্য ভূমিষ্ঠ কন্যা সন্তানটি একই উপজেলার ছত্রপারা গ্রামের রেজাউল করিমের স্ত্রী বিলকিস বানুর হেফাজতে ছিলো। কিন্তু পরবর্তীতে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বিষয়টি শুনে তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং সমস্ত ঘটনা শোনার পর বর্তমানে কন্যা সন্তানটি গাইনি ওয়ার্ডের বর্তমান ইনচার্জ এর হেফাজতে দেন। ভুমিষ্ঠ কন্যা সন্তানটির কপালে তার মায়ের দুধও জোটেনি, এ ঘটনাটি সোনা মাত্রই স্থানীয় চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার কাউন্সিলর কামরুজ্জামান চাঁদ সদ্য ভূমিষ্ঠ কন্যা সন্তানটির জন্য দুধ সহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে পাশে গিয়ে দাঁড়া। এদিকে বিলকিস বানুর স্বামী রেজাউল করিমের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, আমাদের হেফাজতে ছিল পরবর্তীতে ইউ এনও স্যার সন্তানটি গাইনী ওয়ার্ডের ইনচার্জ হেফাজতে রেখেছেন। তিনি আরো বলেন,যদি বাচ্চাটি আমরা নিতে চাই। আমরা আগামীকাল চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করবো।
সংবাদ শিরোনাম ::
চুয়াডাঙ্গায় সদর হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে সদ্য ভূমিষ্ঠ নবজাতক কে ফেলে মায়ের পালায়ন।
-
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি - আপডেট সময় ০৪:৫৫:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৪
- ৭২১ বার পড়া হয়েছে
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ






















