ঢাকা ১২:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প কেন্দ্রীয় চুক্তিতে যে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ভারত পিএসএলে নিরাপত্তা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার উদ্বেগ, যা বলছে পিসিবি যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী পাটুরিয়ায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, পারাপারে চলছে ১৮টি লঞ্চ চট্টগ্রামে ডিসির নির্দেশে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ মন্ত্রী-এমপিরা কে কোথায় ঈদ করবেন? ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শরীয়তপুর জেলা বি এন পি সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর থানা বি এন পির আহ্বায়ক এস এম এ হামিদ ঈশ্বরদী থেকে এলো উদ্ধারকারী ট্রেন, সৈয়দপুর থেকে আসছে আরেকটি রূহানীনগর এর পক্ষ থেকে সম্মানিত ইমাম-মুয়াজ্জিনগণকে  হাদিয়া প্রদান

২৮৯ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী তালিকা প্রকাশ

ঢাকা: আগামী ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করা জাতীয় পার্টি।

সোমবার (২৭ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টায় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বনানীস্থ কার্যালয় মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ৩০০ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা ঘোষণা করেন দলের মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু।

জাতীয় পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক রওশন এরশাদ, তার ছেলে সাদ এরশাদ ও ড. কে আর ইসলামের মনোনয়ন সংগ্রহ নিয়ে আলোচনা হলেও শেষ পর্যন্ত তাদের ছাড়াই চূড়ান্ত মনোনয়ন ঘোষণা করা হয়। এই তিনজন যদি নির্বাচন করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন তাহলে তাদেরও মনোনয়ন দেওয়া হবে বলে জানান দলের মহাসচিব।

প্রার্থী তালিকা ঘোষণা প্রসঙ্গে মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, নির্বাচনের মূল চ্যালেঞ্জ হচ্ছে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে নিয়ে আসা। আমরা চাচ্ছি, ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে এসে তাদের ভোট দিতে পারে। আমাদের আশ্বস্ত করা হয়েছে, ভোটাররা নির্বাচনে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। আমরা মনে করি, ভোটাররা সুষ্ঠুভাবে ভোট দিতে পারলে জাতীয় পার্টি অবশ্যই সরকার গঠন করতে পারবে।

তিনি বলেন, জাতীয় পার্টি এখন যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি শক্তিশালী। আমরা দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেব।

তিনি আরও বলেন, দলের প্রধান পৃষ্ঠপোষকের (রওশন এরশাদের) সম্মানে আমরা ময়মনসিংহ-৪ আসনে কোনো প্রার্থী দেইনি। আর সাদ এরশাদ মনোনয়ন সংগ্রহ করেনি। এখন কেউ যদি আগ্রহী না হয় এখানে আমাদের কিছু করার নেই।

জাতীয় পার্টির প্রার্থী তালিকা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে। কেউ কেউ বলছেন, দলের প্রধান পৃষ্ঠপোষক রওশন এরশাদ যদি নির্বাচনে আসেন তাহলে দলের জন্য তা বড় সুবিধা হবে। আবার কেউ কেউ বলছেন, দলে নতুন নেতৃত্বের আবির্ভাব না ঘটলে দলের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত।

চলতি বছরে দলটির মনোনয়ন ফরম নেন এক হাজার ৭৫২ জন। সোমবার (২০ নভেম্বর) থেকে মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরু করে জাতীয় পার্টি। দুই দফায় পাঁচ দিনব্যাপী মনোনয়ন ফরম বিতরণ শেষ হয় বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর)।

পরে শুক্রবার (২৪ নভেম্বর) রংপুর ও রাজশাহী বিভাগ দিয়ে শুরু হয় জাতীয় পার্টির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার। আর রোববার (২৬ নভেম্বর) ঢাকা, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ বিভাগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

সোমবার (২৭ নভেম্বর) বিকেলে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে দলটি। তবে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণার আগেই গেল শনিবার (২৫ নভেম্বর) ঢাকার দুটি আসনের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে মনোনয়নপত্র নিয়েছেন জাপা চেয়ারম্যান জিএম কাদের ও তার স্ত্রী শেরীফা কাদের।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প

২৮৯ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী তালিকা প্রকাশ

আপডেট সময় ০৭:১২:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৩

ঢাকা: আগামী ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করা জাতীয় পার্টি।

সোমবার (২৭ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টায় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বনানীস্থ কার্যালয় মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ৩০০ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা ঘোষণা করেন দলের মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু।

জাতীয় পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক রওশন এরশাদ, তার ছেলে সাদ এরশাদ ও ড. কে আর ইসলামের মনোনয়ন সংগ্রহ নিয়ে আলোচনা হলেও শেষ পর্যন্ত তাদের ছাড়াই চূড়ান্ত মনোনয়ন ঘোষণা করা হয়। এই তিনজন যদি নির্বাচন করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন তাহলে তাদেরও মনোনয়ন দেওয়া হবে বলে জানান দলের মহাসচিব।

প্রার্থী তালিকা ঘোষণা প্রসঙ্গে মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, নির্বাচনের মূল চ্যালেঞ্জ হচ্ছে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে নিয়ে আসা। আমরা চাচ্ছি, ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে এসে তাদের ভোট দিতে পারে। আমাদের আশ্বস্ত করা হয়েছে, ভোটাররা নির্বাচনে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। আমরা মনে করি, ভোটাররা সুষ্ঠুভাবে ভোট দিতে পারলে জাতীয় পার্টি অবশ্যই সরকার গঠন করতে পারবে।

তিনি বলেন, জাতীয় পার্টি এখন যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি শক্তিশালী। আমরা দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেব।

তিনি আরও বলেন, দলের প্রধান পৃষ্ঠপোষকের (রওশন এরশাদের) সম্মানে আমরা ময়মনসিংহ-৪ আসনে কোনো প্রার্থী দেইনি। আর সাদ এরশাদ মনোনয়ন সংগ্রহ করেনি। এখন কেউ যদি আগ্রহী না হয় এখানে আমাদের কিছু করার নেই।

জাতীয় পার্টির প্রার্থী তালিকা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে। কেউ কেউ বলছেন, দলের প্রধান পৃষ্ঠপোষক রওশন এরশাদ যদি নির্বাচনে আসেন তাহলে দলের জন্য তা বড় সুবিধা হবে। আবার কেউ কেউ বলছেন, দলে নতুন নেতৃত্বের আবির্ভাব না ঘটলে দলের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত।

চলতি বছরে দলটির মনোনয়ন ফরম নেন এক হাজার ৭৫২ জন। সোমবার (২০ নভেম্বর) থেকে মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরু করে জাতীয় পার্টি। দুই দফায় পাঁচ দিনব্যাপী মনোনয়ন ফরম বিতরণ শেষ হয় বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর)।

পরে শুক্রবার (২৪ নভেম্বর) রংপুর ও রাজশাহী বিভাগ দিয়ে শুরু হয় জাতীয় পার্টির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার। আর রোববার (২৬ নভেম্বর) ঢাকা, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ বিভাগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

সোমবার (২৭ নভেম্বর) বিকেলে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে দলটি। তবে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণার আগেই গেল শনিবার (২৫ নভেম্বর) ঢাকার দুটি আসনের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে মনোনয়নপত্র নিয়েছেন জাপা চেয়ারম্যান জিএম কাদের ও তার স্ত্রী শেরীফা কাদের।