সংবাদ শিরোনাম ::
বড়লেখায় কৃষকদের মাঝে প্রণোদনার কৃষি উপকরণ বিতরণ বড়লেখা-জুড়ীর নদী ভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধান চাইলেন এমপি নাসির উদ্দিন আহমেদ শরীয়তপুরের জাজিরায় ককটেল বিস্ফোরণ: কবরস্থান থেকে  বালতি ভর্তি ককটেল উদ্ধার ঢাকা ওয়াসার মিটার রিডার থেকে কোটিপতি: ওয়াসা কর্মকর্তা হারুনের অ’বৈধ সম্পদের পাহাড় ফ্যাসিস্ট সরকারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত জামিল, প্রভাব খাটিয়ে আবারও চট্টগ্রাম ডিপোতে! খামারবাড়িতে কোটি টাকার বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ, কেন্দ্রে ‘ডিজি’ মাসুম বিল্লাহ সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকার চুক্তিতে শুভঙ্করের ফাঁকি ৪ বিঘা জমি কিনে ৬৫ বিঘার প্রকল্প বিক্রি করছে ছুটি রিসোর্ট বাংলাদেশের স্কুলে বিতরণের জন্য ১ হাজার ফুটবল উপহার দিল পাকিস্তান আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিশৃঙ্খলা করলে কঠোর ব্যবস্থা: র‌্যাব

অবরোধে নিরাপত্তার শঙ্কায় ঢাবিতে পরীক্ষা বর্জন

ঢাকা: দেশে বিরোধী দলগুলোর চলমান অবরোধে নিরাপত্তার শঙ্কায় সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা বর্জন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইতিহাস বিভাগের ২য় ও ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থীদেরও পরীক্ষা বর্জনের কথা রয়েছে।

সূত্রে জানা যায়, রোববার (৫ নভেম্বর) সকাল ৯টা থেকে ইতিহাস বিভাগের ২য় বর্ষের ২০১১ নম্বর কোর্সের ফাইনাল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে রাস্তায় নিরাপত্তাহীনতার শঙ্কায় তারা পরীক্ষা বর্জন করেন। এদিন দুপুর ২টা থেকে চতুর্থ বর্ষের ৪০১১ নম্বর কোর্সের ফাইনাল পরীক্ষা ছিল। তবে পরীক্ষা বর্জন করলেও শিক্ষার্থীদের কয়েকজন শেষ মুহূর্তে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

এদিকে পরীক্ষা চলমান থাকবে জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের চেয়ারম্যান ড. আবু মো. দেলওয়ার হোসেন বাংলানিউজকে বলেন, এখানে আমাদের কিছুই ভাবার সুযোগ নেই। যারা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেনি, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী তাদের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের এক শিক্ষার্থী জানান, বর্তমানে সড়কের যে পরিস্থিতি তাতে পরীক্ষা স্থগিত করা উচিত। গতকাল রাত থেকেই আমরা উদ্বেগ জানিয়ে আসছি। অবরোধের কারণে কোথাও গাড়িতে আগুন দেওয়া হচ্ছে, চারদিকে হামলা হচ্ছে। নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে আমরা প্রশাসনকে উদ্বেগের কথা জানিয়েছি। তবে আমাদের কথা বিবেচনা না করায় আজকে পরীক্ষা বর্জন করেছি। পরীক্ষার চেয়ে জীবন আগে। আমরা শুধু নিরাপত্তার কথা ভেবেই পরীক্ষা বর্জন করেছি। আমাদের অন্য কোনো উদ্দেশ্য নেই।

এ বিষয়ে ড. দেলোয়ার হোসেন বলেন, আজ আমাদের দুটি বর্ষের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ক্লাস ও পরীক্ষা চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। আজ অন্য সব বিভাগের পরীক্ষাও হয়েছে। ফলে আমাদের দ্বিতীয় কোনো উপায় ভাবার সুযোগ নেই। তাছাড়া আমাদের চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষায় তিন থেকে চারজন বাদে প্রায় সব শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছেন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বড়লেখায় কৃষকদের মাঝে প্রণোদনার কৃষি উপকরণ বিতরণ

অবরোধে নিরাপত্তার শঙ্কায় ঢাবিতে পরীক্ষা বর্জন

আপডেট সময় ১২:৪০:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ নভেম্বর ২০২৩

ঢাকা: দেশে বিরোধী দলগুলোর চলমান অবরোধে নিরাপত্তার শঙ্কায় সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা বর্জন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইতিহাস বিভাগের ২য় ও ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থীদেরও পরীক্ষা বর্জনের কথা রয়েছে।

সূত্রে জানা যায়, রোববার (৫ নভেম্বর) সকাল ৯টা থেকে ইতিহাস বিভাগের ২য় বর্ষের ২০১১ নম্বর কোর্সের ফাইনাল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে রাস্তায় নিরাপত্তাহীনতার শঙ্কায় তারা পরীক্ষা বর্জন করেন। এদিন দুপুর ২টা থেকে চতুর্থ বর্ষের ৪০১১ নম্বর কোর্সের ফাইনাল পরীক্ষা ছিল। তবে পরীক্ষা বর্জন করলেও শিক্ষার্থীদের কয়েকজন শেষ মুহূর্তে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

এদিকে পরীক্ষা চলমান থাকবে জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের চেয়ারম্যান ড. আবু মো. দেলওয়ার হোসেন বাংলানিউজকে বলেন, এখানে আমাদের কিছুই ভাবার সুযোগ নেই। যারা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেনি, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী তাদের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের এক শিক্ষার্থী জানান, বর্তমানে সড়কের যে পরিস্থিতি তাতে পরীক্ষা স্থগিত করা উচিত। গতকাল রাত থেকেই আমরা উদ্বেগ জানিয়ে আসছি। অবরোধের কারণে কোথাও গাড়িতে আগুন দেওয়া হচ্ছে, চারদিকে হামলা হচ্ছে। নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে আমরা প্রশাসনকে উদ্বেগের কথা জানিয়েছি। তবে আমাদের কথা বিবেচনা না করায় আজকে পরীক্ষা বর্জন করেছি। পরীক্ষার চেয়ে জীবন আগে। আমরা শুধু নিরাপত্তার কথা ভেবেই পরীক্ষা বর্জন করেছি। আমাদের অন্য কোনো উদ্দেশ্য নেই।

এ বিষয়ে ড. দেলোয়ার হোসেন বলেন, আজ আমাদের দুটি বর্ষের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ক্লাস ও পরীক্ষা চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। আজ অন্য সব বিভাগের পরীক্ষাও হয়েছে। ফলে আমাদের দ্বিতীয় কোনো উপায় ভাবার সুযোগ নেই। তাছাড়া আমাদের চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষায় তিন থেকে চারজন বাদে প্রায় সব শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছেন।