ঢাকা ০২:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিক্ষকদের অবসর ও কল্যাণ ভাতা প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধন মুরাদনগরে দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পের উদ্বোধন বৈদ্যুতিক তারে ‘বোমা’ আতঙ্ক, বক্সে বাজল শেখ মুজিবের ভাষণ! মুরাদনগরে মাদকের বিরুদ্ধে ওসির কঠোর হুঁশিয়ারি, থানায় স্থাপন অভিযোগ বাক্স সমৃদ্ধ দেশ গড়ার সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন খালেদা জিয়া : মির্জা ফখরুল ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরসহ রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার নাহিদকে ইনবক্স চেক করতে বললেন মেঘনা আলম, রহস্যটা কী? খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে আজ দেশজুড়ে বিএনপির দোয়া ও মিলাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযান, ৯৩ বোতল ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ ছয় মাসে সরকারের অধিকাংশ নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন হয়েছে : রিজভী

অবরোধে বিশেষ নিরাপত্তা, যথাসময়ে ঢাকা ছেড়েছে সব ট্রেন

ঢাকা: বিএনপির ডাকা তিন দিনের অবরোধে চলাচল স্বাভাবিক রাখার জন্য বিশেষ নিরাপত্তায় ছেড়েছে ট্রেন। রেলের নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনী রেলওয়ে পুলিশ এবং আনসার বাহিনীর সমন্বয়ে এ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

একইসঙ্গে ঢিল থেকে বাঁচতে ট্রেনচালকদের (লোকোমাস্টার) হেলমেট পরে ট্রেন চালানোর নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

অবরোধের প্রথম দিন মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) সকাল থেকেই প্রত্যেকটি ট্রেন যথাসময়ে ছেড়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার মাসুদ সারোয়ার।

তিনি বলেন রেলের যাত্রীরা যেন বিরক্ত বা ভীত না হন, সেজন্য আমরা প্রস্তুতি রেখেছি। প্রতিটি ট্রেনে নিরাপত্তার জন্য বিশেষ বাহিনী থাকবে। সকাল থেকে প্রত্যেকটি ট্রেন যথাসময়ে স্টেশন ছেড়ে গিয়েছে।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির অবরোধ কেন্দ্র করে ট্রেনের যাত্রী ও চালক-গার্ডদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় অতিরিক্ত আনসার মোতায়নের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। এছাড়া রেলের নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনীকে বিভাগীয় পর্যায়ে নির্দেশনা দিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

রেলওয়ের নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, বিএনপির হরতালের দিন থেকেই সব ট্রেনে অতিরিক্ত পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য দেওয়া হয়েছে। স্টেশন এলাকায় পুলিশ, র‌্যাব ও বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন। এছাড়া ইঞ্জিনের নিরাপত্তায় প্রয়োজন হলে অস্ত্রধারী পুলিশ দেওয়ার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর ঢাকা বিভাগীয় কমান্ড্যান্ট মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, বিভাগীয় পর্যায়ে ইতোমধ্যে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য পরিস্থিতি বিবেচনায় যেকোনো সময় যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

শহিদুল ইসলাম বলেন, কোনো ধরনের সহিংসতা ছাড়াই যাত্রীরা নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারবেন বলে আশা করছি।

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অবরোধ বা হরতাল যাই হোক না কেন শিডিউল অনুযায়ী ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। অবরোধের জন্য ট্রেন বন্ধ থাকার কোনো সম্ভাবনা নেই। নির্দিষ্ট দিনে সাপ্তাহিক বন্ধ থাকা ট্রেনগুলো শুধু বন্ধ থাকবে।

সতকর্তার অংশ হিসেবে ট্রেনে নিয়মিত নাশকতাবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হবে বলেও জানা গেছে। এছাড়া কমলাপুরসহ গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলোয় পুলিশি পাহারা বাড়ানো হয়েছে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশি করা হচ্ছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষকদের অবসর ও কল্যাণ ভাতা প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধন

অবরোধে বিশেষ নিরাপত্তা, যথাসময়ে ঢাকা ছেড়েছে সব ট্রেন

আপডেট সময় ১১:৪৩:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৩

ঢাকা: বিএনপির ডাকা তিন দিনের অবরোধে চলাচল স্বাভাবিক রাখার জন্য বিশেষ নিরাপত্তায় ছেড়েছে ট্রেন। রেলের নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনী রেলওয়ে পুলিশ এবং আনসার বাহিনীর সমন্বয়ে এ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

একইসঙ্গে ঢিল থেকে বাঁচতে ট্রেনচালকদের (লোকোমাস্টার) হেলমেট পরে ট্রেন চালানোর নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

অবরোধের প্রথম দিন মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) সকাল থেকেই প্রত্যেকটি ট্রেন যথাসময়ে ছেড়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার মাসুদ সারোয়ার।

তিনি বলেন রেলের যাত্রীরা যেন বিরক্ত বা ভীত না হন, সেজন্য আমরা প্রস্তুতি রেখেছি। প্রতিটি ট্রেনে নিরাপত্তার জন্য বিশেষ বাহিনী থাকবে। সকাল থেকে প্রত্যেকটি ট্রেন যথাসময়ে স্টেশন ছেড়ে গিয়েছে।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির অবরোধ কেন্দ্র করে ট্রেনের যাত্রী ও চালক-গার্ডদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় অতিরিক্ত আনসার মোতায়নের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। এছাড়া রেলের নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনীকে বিভাগীয় পর্যায়ে নির্দেশনা দিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

রেলওয়ের নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, বিএনপির হরতালের দিন থেকেই সব ট্রেনে অতিরিক্ত পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য দেওয়া হয়েছে। স্টেশন এলাকায় পুলিশ, র‌্যাব ও বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন। এছাড়া ইঞ্জিনের নিরাপত্তায় প্রয়োজন হলে অস্ত্রধারী পুলিশ দেওয়ার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর ঢাকা বিভাগীয় কমান্ড্যান্ট মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, বিভাগীয় পর্যায়ে ইতোমধ্যে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য পরিস্থিতি বিবেচনায় যেকোনো সময় যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

শহিদুল ইসলাম বলেন, কোনো ধরনের সহিংসতা ছাড়াই যাত্রীরা নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারবেন বলে আশা করছি।

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অবরোধ বা হরতাল যাই হোক না কেন শিডিউল অনুযায়ী ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। অবরোধের জন্য ট্রেন বন্ধ থাকার কোনো সম্ভাবনা নেই। নির্দিষ্ট দিনে সাপ্তাহিক বন্ধ থাকা ট্রেনগুলো শুধু বন্ধ থাকবে।

সতকর্তার অংশ হিসেবে ট্রেনে নিয়মিত নাশকতাবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হবে বলেও জানা গেছে। এছাড়া কমলাপুরসহ গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলোয় পুলিশি পাহারা বাড়ানো হয়েছে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশি করা হচ্ছে।