ঢাকা ০২:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দেশে পোস্টগ্র্যাজুয়েট বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী তেজগাঁও থানায় আকস্মিক পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ নিউজ নেটওয়ার্ক নীলফামারীর আহ্বায়ক কমিটি গঠন অল্প সময়ে জনগণের সব প্রত্যাশা পূরণ করা সম্ভব নয় : পানিসম্পদমন্ত্রী জাজিরায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা মঠবাড়িয়ায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কীর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিলেন তাকওয়া ফাউন্ডেশন মৌলভীবাজারের বড়লেখায় প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার রাজনীতি নিষিদ্ধ ববিতে জাতীয়তাবাদী কর্মচারী পরিষদের কাউন্সিল, পূর্ণাঙ্গ কমিটির আত্মপ্রকাশ   পোষা বিড়ালের আঁচড়ের পর থেকে ‘মিউ মিউ’ করছে শিশু আদ্রিতা

রনি-মুকুলেই ভরসা মহানগর যুবলীগের তৃণমূলে

আগামী ২ সেপ্টেম্বর রাজশাহী মহানগর যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনকে ঘিরে এখন উজ্জীবিত যুবলীগ। বলা যায়, সম্মেলনকে ঘিওে মহানগর যুবলীগে প্রাণ ফিরতে এসেছে। পদ প্রত্যাশিরাও হয়েছেন তৃণমূল নেতাকর্মী মুখি। পুরো নগরীজুড়ে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু মহানগর যুবলীগের সম্মেলন। কে হচ্ছেন রাজশাহী মহানগর যুবলীগের আগামী দিনের কান্ডারী। এ নিয়ে চলছে নানান গুঞ্জন। বিশেষ করে ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনকে ঘিরে পদ প্রত্যাশিদের ফেস্টুন ব্যানার শোভা বর্ধন করছে পুরো নগরীজুড়েই।

টানা ২০ বছর মহানগর যুবলীগের পট পরিবর্তন হতে যাচ্ছে। এরফলে আওয়ামী লীগের প্রাণশক্তি এ সংগঠনের নেতাকর্মীরা প্রাণচাঞ্চল্য হয়ে উঠেছে। তবে এবার নতুন আঙ্গিকে যুবলীগকে সাজানো হবে এমন প্রত্যাশা নেতাকর্মীদের।

এবার যুবলীগকে চাঙ্গা করতে তৃণমূল নেতাকর্মীরা সভাপতি হিসাবে তৌরিদ আল মাসুদ রনি ও সাধারণ সম্পাদক পদে মুকুল শেখের উপর ভরসা রাখতে চাচ্ছেন। রনি মুকুলের বিকল্প নেই এমনটাও বলছেন অনেকেই।

মহানগর যুবলীগের নেতাকর্মীরা চাচ্ছেন তরুণ নেতৃত্ব। সব সময় তৃণমূল নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছেন, আপদে বিপদে পাশে দাঁড়িয়েছেন এমন সভাপতি-সম্পাদক নির্বাচিত করার জন্য হাইকমান্ডের কাছেও আহ্বান জানিয়েছেন তৃণমূল নেতৃবৃন্দ। সেই জায়গা থেকে এবার সভাপতি পদে তৌরিদ আল মাসুদ রনি ও সাধারণ সম্পাদক পদে মুকুল শেখকে দেখতে চান নেতাকর্মীরা।

তৃণমূল নেতাকর্মীদের ভাষ্যমতে, ২০১৬ সালের ৫ মার্চ মহানগর যুবলীগের সম্মেলন হয়। ওই সম্মেলনে দ্বিতীয় মেয়াদে রমজান আলী সভাপতি ও সম্পাদক হন মোশাররফ হোসেন বাচ্চু। কিন্তু তারা নির্বাচিত হওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যে রাজশাহী মহানগর যুবলীগের গতি ঝিমিয়ে পড়ে। সম্মেলনের পর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে মহানগর যুবলীগের সাংগঠনিক ৩৭টি ওয়ার্ডে কমিটি গঠনের নিদের্শ দিলেও তারা পারেন নি। এতে সম্মেলনের ৬ মাস যেতে না যেতে বিভক্ত হয়ে পড়ে নগর যুবলীগের নেতৃবৃন্দ।

ওই সময় সাধারণ নেতাকর্মীরা কোথায় যাবে, কার সাথে চলবে এমন কোনো দিক নির্দেশনা দেয়ারও কেউ ছিল না। এই অবস্থায় নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করার জন্য দুজন যুবলীগ নেতা হাল ধরেন। তারা বড় কোনো পদে না থেকেও মহানগর যুবলীগকে শক্তিশালি ও গতিশিল করতে এবং নিস্ক্রিয় নেতাকর্মীদের সক্রিয় রাখার জন্য কাজ শুরু করেন।

টানা প্রায় সাত বছর নেতাকর্মীদের পাশে আছেন মহানগর যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তৌরিদ আল মাসুদ রনি ও সাংগঠনিক সম্পাদক মুকুল শেখ। নেতাকর্মীরা যেনো বিচ্ছিন্ন হয়ে না পড়েন, সে কাজটি করেছেন এই দুই যুবলীগ নেতা। তৃণমূল নেতাদের অভিযোগ, অনুযোগ, আবদার শোনা ও দিক নির্দেশনার জন্য তৌরিদ আল মাসুদ রনি নগরীর দড়িখড়বোনা মোড়ে গড়ে তোলেন মহানগর যুবলীগের অস্থায়ী কার্যালয়। এরপর থেকে তৃণমূল নেতাকর্মীরা যেকোনো সমস্যায় সভাপতি ও সম্পাদকের কাছে না গিয়ে তারা ছুটে আসেন রনির কার্যালয়ে। নেতাকর্মীরা যত বড় বিপদে পড়ুক না কেনো রনি তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, শুনেছেন তাদের কথা। একই সাথে নগর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুকুল শেখও ঘুরে বেড়িয়েছেন ওয়ার্ড পার্যায়ের নেতাকর্মীদের কাছে। দেখেছেন নেতাকর্মীদের সমস্যা। সধ্যমত চেষ্টা করেছেন সমাধানের। এ ক্ষেত্রে রনি ও মুকুল শেখের বিকল্প দেখছে না নেতাকর্মীরা।

মাঠ পর্যায়ের তৃণমূল নেতাকর্মীদের দাবি, বিতর্কিত ব্যক্তিকে এবার যুবলীগের নেতৃত্বে দেখতে চান না। তাদের প্রত্যাশা কর্মীবান্ধব স্মার্ট যুবনেতা। তারা মনে করেন, রাজশাহীতে দলের অবস্থা ধরে রাখতে যারা আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের ‘ভ্যানগার্ড’ হিসেবে কাজ করছেন তারাই যুবলীগের নতুন কমিটির নেতৃত্বে আসবেন।

তৃণমূল নেতাকর্মীরা বলছেন, সভাপতি পদে তৌরিদ আল মাসুদ রনি উপযুক্ত প্রার্থী। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের বিশ^স্ত সহযোগী হিসেবে রনি গত সাত বছর ধরে নিষ্ক্রিয় নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করে রেখেছেন। করেছেন নেতাকর্মীদের কর্মসংস্থানেরও ব্যবস্থা। তিনি যুগ্ম সম্পাদক হয়েও মহানগরীর ৩৭টি সাংগঠনিক ওয়ার্ডের যুবলীগ নেতাদের শক্তিশালী করেছেন। সেই জায়গায় থেকে রনি একজন কর্মী বান্ধব নেতা। তাকে সভাপতি করা হলে সংগঠন আরো চাঙ্গা হবে। এছাড়াও ও রাসিক নির্বাচনেও রনির বিশেষ ভুমিকা ছিল। সেই জায়গা থেকে রনি সভাপতি হলে এ সংগঠনটি আরো গতি শীল ও সক্রিয় হবে।

এদিকে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মুকুল শেখ রাজনৈতিক সকল কর্মকান্ডে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে অংশ গ্রহণ করেছেন। তিনি তৃণমূল নেতাদের উজ্জীবিত করতে নিরলসভাবে কাজ করেছেন। মূলত তৃণমূল যুবলীগকে ধরে রাখার বিশেষ অবদান রয়েছে মুকুল শেখের। গত রাসিক নির্বাচনেও আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের পক্ষে নিরলসভাবে কাজ করেছেন। যার কারণে তিনি মেয়রের একজন বিশ^স্ত কর্মী হিসাবে খ্যাতি পেয়েছেন। এসব কর্মকান্ডের জন্য রাজশাহী মহানগর যুবলীগের তৃণমূল নেতাকর্মীরা এবার মুকুল শেখকে সমর্থনের পাশাপাশি তাকে সাধারণ সম্পাদক পদে দেখতে চান।

রাজশাহী মহানগর যুবলীগের সভাপতি প্রার্থী তৌরিদ আল মাসুদ রনি বলেন, আমি তৃণমূল থেকে আজ মহানগর যুবলীগের নেতৃত্বে আছি। এবার মহানগর যুবলীগে যদি সঠিক নেতৃত্ব আসে, তাহলে এই যুবলীগ আরো শক্তিশালি হবে। অনেক গতিশীল হবে সংগঠন। আমাকে সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হলে আমি রাজশাহী মহানগর যুবলীগকে একটি আইডল সংগঠন হিসাবে রুপান্তরিত করবো। একটি স্মার্ট, মানবিক ও মার্জিত যুবলীগ হিসাবে গড়ে তোলার চেষ্টা করবো।

তিনি বলেন, যুবলীগ একটি যুব সংগঠন, আমাদের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লক্ষ্য স্মার্ট বাংলাদেশ গড়া। আমি সভাপতি হলে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়াতে রাজশাহী মহানগর যুবলীগের পক্ষে সর্বাত্মক ভুমিকা রাখবো। তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর জন্য বাংলাদেশ আজ বিশে^র দরবারে মাথা উচু করে দাঁড়িয়েছে। যেটা আমরা গর্ববোধ করি। প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য রাজশাহীতে এবার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। আমি চেষ্টা করবো সেই কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে যাবতীয় ভুমিকা রাখার জন্য। তিনি আরো বলেন, সভাপতির দায়িত্ব পেলে সংগঠনটিকে গতিশীল করতে যা যা
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

রনি-মুকুলেই ভরসা মহানগর যুবলীগের তৃণমূলে

আপডেট সময় ০১:৩৬:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৩

আগামী ২ সেপ্টেম্বর রাজশাহী মহানগর যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনকে ঘিরে এখন উজ্জীবিত যুবলীগ। বলা যায়, সম্মেলনকে ঘিওে মহানগর যুবলীগে প্রাণ ফিরতে এসেছে। পদ প্রত্যাশিরাও হয়েছেন তৃণমূল নেতাকর্মী মুখি। পুরো নগরীজুড়ে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু মহানগর যুবলীগের সম্মেলন। কে হচ্ছেন রাজশাহী মহানগর যুবলীগের আগামী দিনের কান্ডারী। এ নিয়ে চলছে নানান গুঞ্জন। বিশেষ করে ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনকে ঘিরে পদ প্রত্যাশিদের ফেস্টুন ব্যানার শোভা বর্ধন করছে পুরো নগরীজুড়েই।

টানা ২০ বছর মহানগর যুবলীগের পট পরিবর্তন হতে যাচ্ছে। এরফলে আওয়ামী লীগের প্রাণশক্তি এ সংগঠনের নেতাকর্মীরা প্রাণচাঞ্চল্য হয়ে উঠেছে। তবে এবার নতুন আঙ্গিকে যুবলীগকে সাজানো হবে এমন প্রত্যাশা নেতাকর্মীদের।

এবার যুবলীগকে চাঙ্গা করতে তৃণমূল নেতাকর্মীরা সভাপতি হিসাবে তৌরিদ আল মাসুদ রনি ও সাধারণ সম্পাদক পদে মুকুল শেখের উপর ভরসা রাখতে চাচ্ছেন। রনি মুকুলের বিকল্প নেই এমনটাও বলছেন অনেকেই।

মহানগর যুবলীগের নেতাকর্মীরা চাচ্ছেন তরুণ নেতৃত্ব। সব সময় তৃণমূল নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছেন, আপদে বিপদে পাশে দাঁড়িয়েছেন এমন সভাপতি-সম্পাদক নির্বাচিত করার জন্য হাইকমান্ডের কাছেও আহ্বান জানিয়েছেন তৃণমূল নেতৃবৃন্দ। সেই জায়গা থেকে এবার সভাপতি পদে তৌরিদ আল মাসুদ রনি ও সাধারণ সম্পাদক পদে মুকুল শেখকে দেখতে চান নেতাকর্মীরা।

তৃণমূল নেতাকর্মীদের ভাষ্যমতে, ২০১৬ সালের ৫ মার্চ মহানগর যুবলীগের সম্মেলন হয়। ওই সম্মেলনে দ্বিতীয় মেয়াদে রমজান আলী সভাপতি ও সম্পাদক হন মোশাররফ হোসেন বাচ্চু। কিন্তু তারা নির্বাচিত হওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যে রাজশাহী মহানগর যুবলীগের গতি ঝিমিয়ে পড়ে। সম্মেলনের পর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে মহানগর যুবলীগের সাংগঠনিক ৩৭টি ওয়ার্ডে কমিটি গঠনের নিদের্শ দিলেও তারা পারেন নি। এতে সম্মেলনের ৬ মাস যেতে না যেতে বিভক্ত হয়ে পড়ে নগর যুবলীগের নেতৃবৃন্দ।

ওই সময় সাধারণ নেতাকর্মীরা কোথায় যাবে, কার সাথে চলবে এমন কোনো দিক নির্দেশনা দেয়ারও কেউ ছিল না। এই অবস্থায় নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করার জন্য দুজন যুবলীগ নেতা হাল ধরেন। তারা বড় কোনো পদে না থেকেও মহানগর যুবলীগকে শক্তিশালি ও গতিশিল করতে এবং নিস্ক্রিয় নেতাকর্মীদের সক্রিয় রাখার জন্য কাজ শুরু করেন।

টানা প্রায় সাত বছর নেতাকর্মীদের পাশে আছেন মহানগর যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তৌরিদ আল মাসুদ রনি ও সাংগঠনিক সম্পাদক মুকুল শেখ। নেতাকর্মীরা যেনো বিচ্ছিন্ন হয়ে না পড়েন, সে কাজটি করেছেন এই দুই যুবলীগ নেতা। তৃণমূল নেতাদের অভিযোগ, অনুযোগ, আবদার শোনা ও দিক নির্দেশনার জন্য তৌরিদ আল মাসুদ রনি নগরীর দড়িখড়বোনা মোড়ে গড়ে তোলেন মহানগর যুবলীগের অস্থায়ী কার্যালয়। এরপর থেকে তৃণমূল নেতাকর্মীরা যেকোনো সমস্যায় সভাপতি ও সম্পাদকের কাছে না গিয়ে তারা ছুটে আসেন রনির কার্যালয়ে। নেতাকর্মীরা যত বড় বিপদে পড়ুক না কেনো রনি তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, শুনেছেন তাদের কথা। একই সাথে নগর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুকুল শেখও ঘুরে বেড়িয়েছেন ওয়ার্ড পার্যায়ের নেতাকর্মীদের কাছে। দেখেছেন নেতাকর্মীদের সমস্যা। সধ্যমত চেষ্টা করেছেন সমাধানের। এ ক্ষেত্রে রনি ও মুকুল শেখের বিকল্প দেখছে না নেতাকর্মীরা।

মাঠ পর্যায়ের তৃণমূল নেতাকর্মীদের দাবি, বিতর্কিত ব্যক্তিকে এবার যুবলীগের নেতৃত্বে দেখতে চান না। তাদের প্রত্যাশা কর্মীবান্ধব স্মার্ট যুবনেতা। তারা মনে করেন, রাজশাহীতে দলের অবস্থা ধরে রাখতে যারা আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের ‘ভ্যানগার্ড’ হিসেবে কাজ করছেন তারাই যুবলীগের নতুন কমিটির নেতৃত্বে আসবেন।

তৃণমূল নেতাকর্মীরা বলছেন, সভাপতি পদে তৌরিদ আল মাসুদ রনি উপযুক্ত প্রার্থী। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের বিশ^স্ত সহযোগী হিসেবে রনি গত সাত বছর ধরে নিষ্ক্রিয় নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করে রেখেছেন। করেছেন নেতাকর্মীদের কর্মসংস্থানেরও ব্যবস্থা। তিনি যুগ্ম সম্পাদক হয়েও মহানগরীর ৩৭টি সাংগঠনিক ওয়ার্ডের যুবলীগ নেতাদের শক্তিশালী করেছেন। সেই জায়গায় থেকে রনি একজন কর্মী বান্ধব নেতা। তাকে সভাপতি করা হলে সংগঠন আরো চাঙ্গা হবে। এছাড়াও ও রাসিক নির্বাচনেও রনির বিশেষ ভুমিকা ছিল। সেই জায়গা থেকে রনি সভাপতি হলে এ সংগঠনটি আরো গতি শীল ও সক্রিয় হবে।

এদিকে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মুকুল শেখ রাজনৈতিক সকল কর্মকান্ডে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে অংশ গ্রহণ করেছেন। তিনি তৃণমূল নেতাদের উজ্জীবিত করতে নিরলসভাবে কাজ করেছেন। মূলত তৃণমূল যুবলীগকে ধরে রাখার বিশেষ অবদান রয়েছে মুকুল শেখের। গত রাসিক নির্বাচনেও আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের পক্ষে নিরলসভাবে কাজ করেছেন। যার কারণে তিনি মেয়রের একজন বিশ^স্ত কর্মী হিসাবে খ্যাতি পেয়েছেন। এসব কর্মকান্ডের জন্য রাজশাহী মহানগর যুবলীগের তৃণমূল নেতাকর্মীরা এবার মুকুল শেখকে সমর্থনের পাশাপাশি তাকে সাধারণ সম্পাদক পদে দেখতে চান।

রাজশাহী মহানগর যুবলীগের সভাপতি প্রার্থী তৌরিদ আল মাসুদ রনি বলেন, আমি তৃণমূল থেকে আজ মহানগর যুবলীগের নেতৃত্বে আছি। এবার মহানগর যুবলীগে যদি সঠিক নেতৃত্ব আসে, তাহলে এই যুবলীগ আরো শক্তিশালি হবে। অনেক গতিশীল হবে সংগঠন। আমাকে সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হলে আমি রাজশাহী মহানগর যুবলীগকে একটি আইডল সংগঠন হিসাবে রুপান্তরিত করবো। একটি স্মার্ট, মানবিক ও মার্জিত যুবলীগ হিসাবে গড়ে তোলার চেষ্টা করবো।

তিনি বলেন, যুবলীগ একটি যুব সংগঠন, আমাদের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লক্ষ্য স্মার্ট বাংলাদেশ গড়া। আমি সভাপতি হলে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়াতে রাজশাহী মহানগর যুবলীগের পক্ষে সর্বাত্মক ভুমিকা রাখবো। তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর জন্য বাংলাদেশ আজ বিশে^র দরবারে মাথা উচু করে দাঁড়িয়েছে। যেটা আমরা গর্ববোধ করি। প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য রাজশাহীতে এবার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। আমি চেষ্টা করবো সেই কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে যাবতীয় ভুমিকা রাখার জন্য। তিনি আরো বলেন, সভাপতির দায়িত্ব পেলে সংগঠনটিকে গতিশীল করতে যা যা