ঢাকা ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দেশে পোস্টগ্র্যাজুয়েট বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী তেজগাঁও থানায় আকস্মিক পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ নিউজ নেটওয়ার্ক নীলফামারীর আহ্বায়ক কমিটি গঠন অল্প সময়ে জনগণের সব প্রত্যাশা পূরণ করা সম্ভব নয় : পানিসম্পদমন্ত্রী জাজিরায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা মঠবাড়িয়ায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কীর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিলেন তাকওয়া ফাউন্ডেশন মৌলভীবাজারের বড়লেখায় প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার রাজনীতি নিষিদ্ধ ববিতে জাতীয়তাবাদী কর্মচারী পরিষদের কাউন্সিল, পূর্ণাঙ্গ কমিটির আত্মপ্রকাশ   পোষা বিড়ালের আঁচড়ের পর থেকে ‘মিউ মিউ’ করছে শিশু আদ্রিতা

জাল সনদে চাকরির অভিযোগে রামেবি ভিসির পিএস বরখাস্ত

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (রামেবি) লিয়াজোঁ ও প্রটোকল অফিসার ইসমাঈল হোসেনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। এর পাশাপাশি এ ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

আগামী ৩০ কর্ম দিবসের মধ্যে তদন্ত কমিটিকে সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ জালিয়াতির মাধ্যমে চাকরি করার অভিযোগ রয়েছে।

গত ২০ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের ১৩তম সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। পরদিন এ সংক্রান্ত চিঠি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

তদন্ত কমিটির সদস্যরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ, স্বাস্থ্য বিভাগের যুগ্ম-সচিব মল্লিকা খাতুন এবং রাজশাহী মেডিকেল কলেজের (রামেক) অধ্যক্ষ ডা. নওশাদ আলী।

রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মোহা. আনোয়ারুল কাদের বলেন, রামেবির সিন্ডিকেটের ১৩তম সভার সিদ্ধান্তে ইসমাঈল হোসেনের নিয়োগের বিষয়টি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্তের জন্য কমিটি করা হয়েছে। তদন্ত চলাকালীন তিনি চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত থাকবেন। গত ২০ আগস্ট তাকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। বরখাস্তকালীন তিনি বিধি অনুযায়ী ভাতা পাবেন বলেও জানান তিনি।

রামেবি লিয়াজোঁ ও প্রটোকল অফিসার পদে যোগদানের সময় ইসমাঈল হোসেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির সার্টিফিকেট দিয়েছিলেন। তিনি ওই পদে নিয়োগ পেলেও বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের (ভিসি) ভারপ্রাপ্ত একান্ত সচিব (পিএস) এবং জনসংযোগ কর্মকর্তা হিসেবে এতদিন অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেন। পরে তার বিরুদ্ধে জাল সনদ জমা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।

এ ঘটনায় সিন্ডিকেটের অনুমোদন ছাড়াই তদন্তের জন্য কমিটি গঠন করেন ভিসি। আর ওই কমিটি ইসমাঈলের পক্ষেই প্রতিবেদন দাখিল করে। তাই বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট সভায় ফের তদন্তের সিদ্ধান্ত হয়।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

জাল সনদে চাকরির অভিযোগে রামেবি ভিসির পিএস বরখাস্ত

আপডেট সময় ০৫:৩২:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৩

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (রামেবি) লিয়াজোঁ ও প্রটোকল অফিসার ইসমাঈল হোসেনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। এর পাশাপাশি এ ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

আগামী ৩০ কর্ম দিবসের মধ্যে তদন্ত কমিটিকে সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ জালিয়াতির মাধ্যমে চাকরি করার অভিযোগ রয়েছে।

গত ২০ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের ১৩তম সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। পরদিন এ সংক্রান্ত চিঠি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

তদন্ত কমিটির সদস্যরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ, স্বাস্থ্য বিভাগের যুগ্ম-সচিব মল্লিকা খাতুন এবং রাজশাহী মেডিকেল কলেজের (রামেক) অধ্যক্ষ ডা. নওশাদ আলী।

রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মোহা. আনোয়ারুল কাদের বলেন, রামেবির সিন্ডিকেটের ১৩তম সভার সিদ্ধান্তে ইসমাঈল হোসেনের নিয়োগের বিষয়টি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্তের জন্য কমিটি করা হয়েছে। তদন্ত চলাকালীন তিনি চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত থাকবেন। গত ২০ আগস্ট তাকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। বরখাস্তকালীন তিনি বিধি অনুযায়ী ভাতা পাবেন বলেও জানান তিনি।

রামেবি লিয়াজোঁ ও প্রটোকল অফিসার পদে যোগদানের সময় ইসমাঈল হোসেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির সার্টিফিকেট দিয়েছিলেন। তিনি ওই পদে নিয়োগ পেলেও বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের (ভিসি) ভারপ্রাপ্ত একান্ত সচিব (পিএস) এবং জনসংযোগ কর্মকর্তা হিসেবে এতদিন অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেন। পরে তার বিরুদ্ধে জাল সনদ জমা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।

এ ঘটনায় সিন্ডিকেটের অনুমোদন ছাড়াই তদন্তের জন্য কমিটি গঠন করেন ভিসি। আর ওই কমিটি ইসমাঈলের পক্ষেই প্রতিবেদন দাখিল করে। তাই বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট সভায় ফের তদন্তের সিদ্ধান্ত হয়।