ঢাকা ০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দেশে পোস্টগ্র্যাজুয়েট বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী তেজগাঁও থানায় আকস্মিক পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ নিউজ নেটওয়ার্ক নীলফামারীর আহ্বায়ক কমিটি গঠন অল্প সময়ে জনগণের সব প্রত্যাশা পূরণ করা সম্ভব নয় : পানিসম্পদমন্ত্রী জাজিরায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা মঠবাড়িয়ায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কীর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিলেন তাকওয়া ফাউন্ডেশন মৌলভীবাজারের বড়লেখায় প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার রাজনীতি নিষিদ্ধ ববিতে জাতীয়তাবাদী কর্মচারী পরিষদের কাউন্সিল, পূর্ণাঙ্গ কমিটির আত্মপ্রকাশ   পোষা বিড়ালের আঁচড়ের পর থেকে ‘মিউ মিউ’ করছে শিশু আদ্রিতা

ইসলামপুর পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসে ঘুষ ছাড়া সেচের ফাইল নড়েনা

জামালপরের ইসলামপুর পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনিয়ম দূনীর্তির অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভোক্তভোগী কৃষকদের অভিযোগ, ঘুষছাড়া সেচের ফাইল নড়েনা ইসলামপুর পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে। তদন্ত নামে দফা দফায় টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এজিএম ও ওয়ারিং পদির্শকসহ অফিসের লোকজন।

এক/দুই বছর ধরে অফিসে ঘোড়া ঘুড়ি করেও অনেকেই সেচের সংযোগ পাচ্ছে না। সিরিয়ালের নামে ফাইল আটক রেখে ঘুষ বাণিজ্য করছে কর্মকর্তারা। ফলে গ্রাহক হয়রানী চরমে পৌঁছেছে ইসলামপুর পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসে।

অভিযোগে জানা গেছে, জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি‘র আওতায় ইসলামপুর জোনাল অফিসে অধীনে মেলান্দহ উাপজেলার ২টি ইউনিয়ন ও ইসলামপুর উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন এবং ১টি পৌরসভার বিশ হাজার হেক্টর জমি রয়েছে।

তন্মধ্যে বিদ্যুত চালিত সেচ পাম্প রয়েছে প্রায় ২৫শতাধিক। বর্তমানে ভোক্তভোগী কৃষকরা বিএডিসি কর্তৃক ২৭০টি সেচ লাইনের জন্য ছাড় পত্র নিয়েছে। কিন্ত বিদ্যুত অফিসে নতুন সেচ সংযোগের জন্য আবেদন করতে গেলে ভূমির নক্শাসহ সরকারি সার্ভেয়ার সঙ্গে নিয়ে আসতে বলছে।

আর যেগুলি অফিস আবেদন গ্রহন করেছে। সেই গুলি বার বার তদন্ত করেও জামানত জমা নিয়ে বলে ১শত টাকার তিন পাতা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর বা টিপসহি করে ট্রান্সফর্মার ক্রয় সাপেক্ষে সংযোগ দেওয়া হবে বলে কৃষকদের জানান। এসব সংযোগের ৫-৬বার তদন্তের নামে কৃষকদের নিকট হতে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে অফিসের এজিএম(কম) মো: সালেহ নাঈমসহ অফিসের পরিদর্শক তোফাজ্জল হোসেন।

এ ব্যাপারে ইসলামপুর ইসলামপুর পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো: আলী বর্দী খান সুজন জানান, অভিযোগ গুলি সঠিক নয়, সঠিক ভাবে তদন্ত করে আবেদনের সিরিয়াল অনুযায়ী সেচ সংযোগ দেওয়া হচ্ছে।

অভিযোক্ত এজিএম(কম) মো: সালেহ নাঈম জানান, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গুলি সঠিক নয়। অনিয়ম ও সেচ সংযোগের ব্যাপারে তথ্য জানতে ওয়ারিং পরিদর্শক তোফাজ্জল হোসেনের সাথে মুঠো ফোনে বার বার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এব্যাপারে ভোক্তভোগী সচেতন কৃষকরা কৃষি জমিতে ফসল উৎপাদনের লক্ষে লিখিত আবেদন জানিয়ে নতুন সেচ সংযোগ প্রদানে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন দপ্তরের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ইসলামপুর পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসে ঘুষ ছাড়া সেচের ফাইল নড়েনা

আপডেট সময় ০৫:২৩:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ মার্চ ২০২৩

জামালপরের ইসলামপুর পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনিয়ম দূনীর্তির অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভোক্তভোগী কৃষকদের অভিযোগ, ঘুষছাড়া সেচের ফাইল নড়েনা ইসলামপুর পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে। তদন্ত নামে দফা দফায় টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এজিএম ও ওয়ারিং পদির্শকসহ অফিসের লোকজন।

এক/দুই বছর ধরে অফিসে ঘোড়া ঘুড়ি করেও অনেকেই সেচের সংযোগ পাচ্ছে না। সিরিয়ালের নামে ফাইল আটক রেখে ঘুষ বাণিজ্য করছে কর্মকর্তারা। ফলে গ্রাহক হয়রানী চরমে পৌঁছেছে ইসলামপুর পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসে।

অভিযোগে জানা গেছে, জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি‘র আওতায় ইসলামপুর জোনাল অফিসে অধীনে মেলান্দহ উাপজেলার ২টি ইউনিয়ন ও ইসলামপুর উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন এবং ১টি পৌরসভার বিশ হাজার হেক্টর জমি রয়েছে।

তন্মধ্যে বিদ্যুত চালিত সেচ পাম্প রয়েছে প্রায় ২৫শতাধিক। বর্তমানে ভোক্তভোগী কৃষকরা বিএডিসি কর্তৃক ২৭০টি সেচ লাইনের জন্য ছাড় পত্র নিয়েছে। কিন্ত বিদ্যুত অফিসে নতুন সেচ সংযোগের জন্য আবেদন করতে গেলে ভূমির নক্শাসহ সরকারি সার্ভেয়ার সঙ্গে নিয়ে আসতে বলছে।

আর যেগুলি অফিস আবেদন গ্রহন করেছে। সেই গুলি বার বার তদন্ত করেও জামানত জমা নিয়ে বলে ১শত টাকার তিন পাতা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর বা টিপসহি করে ট্রান্সফর্মার ক্রয় সাপেক্ষে সংযোগ দেওয়া হবে বলে কৃষকদের জানান। এসব সংযোগের ৫-৬বার তদন্তের নামে কৃষকদের নিকট হতে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে অফিসের এজিএম(কম) মো: সালেহ নাঈমসহ অফিসের পরিদর্শক তোফাজ্জল হোসেন।

এ ব্যাপারে ইসলামপুর ইসলামপুর পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো: আলী বর্দী খান সুজন জানান, অভিযোগ গুলি সঠিক নয়, সঠিক ভাবে তদন্ত করে আবেদনের সিরিয়াল অনুযায়ী সেচ সংযোগ দেওয়া হচ্ছে।

অভিযোক্ত এজিএম(কম) মো: সালেহ নাঈম জানান, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গুলি সঠিক নয়। অনিয়ম ও সেচ সংযোগের ব্যাপারে তথ্য জানতে ওয়ারিং পরিদর্শক তোফাজ্জল হোসেনের সাথে মুঠো ফোনে বার বার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এব্যাপারে ভোক্তভোগী সচেতন কৃষকরা কৃষি জমিতে ফসল উৎপাদনের লক্ষে লিখিত আবেদন জানিয়ে নতুন সেচ সংযোগ প্রদানে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন দপ্তরের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন।