সংবাদ শিরোনাম ::
আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা করলেন আইসিসির তিন বিচারক গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতায় বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হোটেল রুমে স্বামী, পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দলের ঘরে বিবাদ ১ টাকার দুর্নীতি বের করতে পারলে ইস্তফা দেবো: হাসনাত  আশুরা মানুষকে অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে শেখায় : রাষ্ট্রপতি তিস্তা মহাপরিকল্পনায় কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী চীন নরসিংদীতে কুকুরের গলায় ইট বেঁধে নদীতে নিক্ষেপ, যুবক আটক ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিত আটকা বহু, উদ্ধারে আসছেন না কেউ বরগুনায় সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগে প্যানেল চেয়ারম্যান (ইউপি সদস্যের) বিরুদ্ধে মামলা

লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, ৭৩ অভিবাসীর মৃত্যুর শঙ্কা

ভূমধ্যসাগরের লিবীয় উপকূলে অভিবাসীদের বহনকারী একটি নৌকা ডুবে গেছে। এতে কমপক্ষে ৭৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার বরাত দিয়ে বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) ইন লিবিয়া বুধবার তাদের অফিশিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্টে অভিবাসীদের বহনকারী নৌকা ডুবে যাওয়ার কথা জানায়। এতে বলা হয়, গত মঙ্গলবার লিবিয়ার উপকূলে নৌকাডুবির পর কমপক্ষে ৭৩ জন অভিবাসী নিখোঁজ হয়েছেন এবং তারা মারা গেছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আইওএম আরও জানিয়েছে, নৌকাডুবির পর সাতজন বেঁচে গেছেন এবং তারা দুর্ঘটনাকবলিত নৌকা থেকে তীরে পৌঁছেছেন। অভিবাসীদের বহনকারী ওই নৌকাটি ত্রিপোলির পূর্বের কাসর আলকায়ার থেকে ইউরোপে যাওয়ার জন্য রওনা হয়েছিল এবং এতে প্রায় ৮০ জন আরোহী ছিলেন।

জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক এই সংস্থাটি জানিয়েছে, লিবিয়ান রেড ক্রিসেন্ট এবং স্থানীয় পুলিশ এখন পর্যন্ত ১১টি মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। এছাড়া জীবিত সাত অভিবাসীকে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, উন্নত জীবনের আশায় অভিবাসীদের উত্তর আফ্রিকা থেকে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টায় প্রাণহানির বিষয়টি অনেকটা সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছে এবং গত মঙ্গলবারের ঘটনাটি এর সর্বশেষ উদাহরণ।

২০১১ সালে লিবিয়ার দীর্ঘদিনের শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর উত্তর আফ্রিকার দেশটিতে বিশৃঙ্খলা শুরু হয়। আর এরপর থেকে সমুদ্রপথে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করা অভিবাসীদের জন্য লিবিয়া একটি প্রধান ট্রানজিট রুট হয়ে উঠেছে।

এছাড়া লিবিয়ায় অভিবাসীরা নির্যাতন, যৌন নির্যাতন এবং মানব পাচারের ঝুঁকিতে রয়েছেন বলে বছরের পর বছর ধরে সতর্ক করে আসছে জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, ৭৩ অভিবাসীর মৃত্যুর শঙ্কা

আপডেট সময় ০১:৩৭:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

ভূমধ্যসাগরের লিবীয় উপকূলে অভিবাসীদের বহনকারী একটি নৌকা ডুবে গেছে। এতে কমপক্ষে ৭৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার বরাত দিয়ে বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) ইন লিবিয়া বুধবার তাদের অফিশিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্টে অভিবাসীদের বহনকারী নৌকা ডুবে যাওয়ার কথা জানায়। এতে বলা হয়, গত মঙ্গলবার লিবিয়ার উপকূলে নৌকাডুবির পর কমপক্ষে ৭৩ জন অভিবাসী নিখোঁজ হয়েছেন এবং তারা মারা গেছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আইওএম আরও জানিয়েছে, নৌকাডুবির পর সাতজন বেঁচে গেছেন এবং তারা দুর্ঘটনাকবলিত নৌকা থেকে তীরে পৌঁছেছেন। অভিবাসীদের বহনকারী ওই নৌকাটি ত্রিপোলির পূর্বের কাসর আলকায়ার থেকে ইউরোপে যাওয়ার জন্য রওনা হয়েছিল এবং এতে প্রায় ৮০ জন আরোহী ছিলেন।

জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক এই সংস্থাটি জানিয়েছে, লিবিয়ান রেড ক্রিসেন্ট এবং স্থানীয় পুলিশ এখন পর্যন্ত ১১টি মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। এছাড়া জীবিত সাত অভিবাসীকে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, উন্নত জীবনের আশায় অভিবাসীদের উত্তর আফ্রিকা থেকে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টায় প্রাণহানির বিষয়টি অনেকটা সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছে এবং গত মঙ্গলবারের ঘটনাটি এর সর্বশেষ উদাহরণ।

২০১১ সালে লিবিয়ার দীর্ঘদিনের শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর উত্তর আফ্রিকার দেশটিতে বিশৃঙ্খলা শুরু হয়। আর এরপর থেকে সমুদ্রপথে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করা অভিবাসীদের জন্য লিবিয়া একটি প্রধান ট্রানজিট রুট হয়ে উঠেছে।

এছাড়া লিবিয়ায় অভিবাসীরা নির্যাতন, যৌন নির্যাতন এবং মানব পাচারের ঝুঁকিতে রয়েছেন বলে বছরের পর বছর ধরে সতর্ক করে আসছে জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো।