ঢাকা ০৮:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
লালপুরে নিমগাছ কাটা নিয়ে বিরোধ, হাসুয়ার কোপে বিচ্ছিন্ন বৃদ্ধাঙ্গুল ব্রাহ্মণপাড়ায় এক দিনে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৯ আত্রাইয়ে চুরি হওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধার, আটক ২ মেহেরপুরে পিআইডির সেমিনারে সাংবাদিক বাছাই নিয়ে বিতর্ক মামলার ভয় দেখিয়ে ১০ হাজার টাকা আদায়, অভিযোগ ফুলতারার নিউইয়র্কে স্পাইডার-ম্যানের নামে সড়ক, নতুন পরিচয়ে ইনগ্রাম স্ট্রিট। ফিলিস্তিনের মসজিদে আগুন ,সন্দেহ ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে জঙ্গল সলিমপুরের আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে মাস্টারপ্ল্যান জনসেবায় গোহালাকান্দার চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন পূজার ছুটিতে ১০ দিন বন্ধ বেরোবি, ক্যাম্পাসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

মামলার ভয় দেখিয়ে ১০ হাজার টাকা আদায়, অভিযোগ ফুলতারার

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে বাড়িঘর ও দেহ তল্লাশি করে মাদক না পেলেও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) পরিচয় দিয়ে মামলা দেওয়ার ভয় দেখিয়ে এক নারীর কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি ডিএনসির অভিযান দল চলে যাওয়ার পরপরই টাকা নেওয়ার জন্য ওই নারীকে ফোনে চাপ দিতে থাকেন কয়েকজন ব্যক্তি। প্রথমে ৩০ হাজার টাকা দাবি করা হলেও পরে ১০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন ওই নারী।

ভুক্তভোগী নারী ফুলতারা বেগম জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার বোয়ালিয়া ইউনিয়নের মিনিবাজার এলাকার আব্দুল হান্নানের স্ত্রী। ডিএনসির পরিচয়ে দফায় দফায় টাকা দাবি করে চাপ দেওয়ার একাধিক অডিও রেকর্ড প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। এসব রেকর্ডে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা পরিচয় দেওয়া এক ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, দ্রুত টাকার ব্যবস্থা করতে হবে। এ সময় ওই নারী বলেন, তিনি স্থানীয়ভাবে অনেক চাপে রয়েছেন এবং এক মাস ধরে মাদক ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছেন। তাঁর বাড়িতে কোনো মাদকও পাওয়া যায়নি। তাহলে তিনি কোথা থেকে টাকা দেবেন?

আরেকটি অডিও রেকর্ডে ওই ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, ‘টাকা পেয়েছেন? তাড়াতাড়ি ম্যানেজ করেন।’ জবাবে ওই নারী বলেন, তিনি টাকা ম্যানেজ করতে পারেননি, মাত্র ১০ হাজার টাকা জোগাড় করেছেন। ওই টাকা নিয়েই বিষয়টি মেনে নেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি। এক মাস ধরে ব্যবসা বন্ধ থাকায় তাঁদের সংসারে অভাব চলছে বলেও জানান ওই নারী।

কথোপকথনের পর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জন্য নাজিম নামের এক স্থানীয় ব্যক্তি ১০ হাজার টাকা নিয়ে যান বলে অভিযোগ করেছেন ফুলতারা। এর আগে ডিএনসির নামে টাকা দেওয়ার জন্য স্থানীয় সোর্স মাসুদ ও নাজিম একাধিকবার তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন বলেও দাবি তাঁর।

অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ৭ অক্টোবর রাতে ফুলতারার বাড়িতে অভিযান চালায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি দল। এ সময় বাড়ির বিভিন্ন কক্ষ ও ফুলতারার দেহ তল্লাশি করা হয়। তবে কোনো মাদকদ্রব্য পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে। পরে অভিযান দলটি বাড়ি থেকে চলে যায়। এরপরই ডিএনসির পরিচয়ে এক অজ্ঞাত ব্যক্তি এবং নাজিম ও মাসুদ ফুলতারার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ৩০ হাজার টাকা না দিলে মামলা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন ওই নারী। পরে তিনি ডিএনসির নামে ১০ হাজার টাকা দেন বলে দাবি করেন।

ফুলতারা বেগম বলেন, ‘এক নারীকে দিয়ে আমার কাপড়চোপড় খুলিয়ে দেহ তল্লাশি করা হয়। ঘরের প্রতিটি কোনাও তল্লাশি করা হয়েছে। কিন্তু কোনো মাদক পাওয়া যায়নি। তারা চলে যাওয়ার পরপরই টাকার জন্য চাপ দেন অজ্ঞাত এক ব্যক্তি ও নাজিম। পরে নাজিমের হাতে ১০ হাজার টাকা দিয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, আগে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকলেও স্থানীয় মেম্বার, চেয়ারম্যান ও গ্রাম পুলিশের নিষেধের কারণে গত এক মাস ধরে এ কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রয়েছেন। এরপরও মাদক না পেয়ে ভয় দেখিয়ে তাঁর কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে অভিযানের সময় কেউ তাঁর কাছে টাকা চাননি বলেও জানান ফুলতারা।

কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী ও প্রতিবেশী জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের লোকজন আসার পর ফুলতারা পাশের বাড়িতে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে একজন নারী কনস্টেবল তাঁর দেহ তল্লাশি করেন। বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়, তবে কোনো মাদক পাওয়া যায়নি। পরে অভিযান দলটি চলে যায়। অভিযানের সময় ডিএনসির সোর্স মাসুদও সেখানে উপস্থিত ছিলেন বলে জানান তাঁরা।

এ বিষয়ে মাসুদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে মুঠোফোনে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। ঘটনা সম্পর্কে কিছু জানেন না বলেও দাবি করেন তিনি। তবে কিছুক্ষণ পর ফুলতারাকে ফোন করে সাংবাদিককে তথ্য দেওয়ায় তাঁর বড় ধরনের ক্ষতি হবে বলে হুমকি দেন মাসুদ বলে অভিযোগ উঠেছে।

অন্যদিকে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের আরেক সোর্স ও টাকা গ্রহণের অভিযোগে অভিযুক্ত নাজিমের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি পরিচয় জানার পরপরই ফোন কেটে দেন।

ঘটনার দিন অভিযানে উপস্থিত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, ফুলতারার বিরুদ্ধে আগে মাদকসংক্রান্ত অভিযোগ থাকলেও গত ৭ অক্টোবর তাঁর বাড়ি ও দেহ তল্লাশি করে কোনো মাদক পাওয়া যায়নি। নিয়ম অনুযায়ী অভিযান শেষে তাঁরা ফিরে আসেন। তল্লাশির পুরো ভিডিও ধারণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। তবে অভিযান দল চলে যাওয়ার পর ফুলতারা কাকে বা কেন টাকা দিয়েছেন, সে বিষয়ে তাঁরা কিছু জানেন না বলে দাবি করেন ওই কর্মকর্তা।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ফুলতারার বাড়িতে অভিযানের সময় কোনো মাদকদ্রব্য পাওয়া যায়নি। নিয়ম অনুযায়ী সব কার্যক্রম সম্পন্ন করে অভিযান দল ফিরে এসেছে। আমাদের নাম করে কেউ অর্থ দাবি করলে, তা আমাদের জানা নেই। মাসুদ ও নাজিম আমাদের কেউ নন।’

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান জানান, এ বিষয়ে তাঁরা কোনো অভিযোগ পাননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লালপুরে নিমগাছ কাটা নিয়ে বিরোধ, হাসুয়ার কোপে বিচ্ছিন্ন বৃদ্ধাঙ্গুল

মামলার ভয় দেখিয়ে ১০ হাজার টাকা আদায়, অভিযোগ ফুলতারার

আপডেট সময় ০৭:৪৪:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে বাড়িঘর ও দেহ তল্লাশি করে মাদক না পেলেও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) পরিচয় দিয়ে মামলা দেওয়ার ভয় দেখিয়ে এক নারীর কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি ডিএনসির অভিযান দল চলে যাওয়ার পরপরই টাকা নেওয়ার জন্য ওই নারীকে ফোনে চাপ দিতে থাকেন কয়েকজন ব্যক্তি। প্রথমে ৩০ হাজার টাকা দাবি করা হলেও পরে ১০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন ওই নারী।

ভুক্তভোগী নারী ফুলতারা বেগম জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার বোয়ালিয়া ইউনিয়নের মিনিবাজার এলাকার আব্দুল হান্নানের স্ত্রী। ডিএনসির পরিচয়ে দফায় দফায় টাকা দাবি করে চাপ দেওয়ার একাধিক অডিও রেকর্ড প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। এসব রেকর্ডে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা পরিচয় দেওয়া এক ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, দ্রুত টাকার ব্যবস্থা করতে হবে। এ সময় ওই নারী বলেন, তিনি স্থানীয়ভাবে অনেক চাপে রয়েছেন এবং এক মাস ধরে মাদক ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছেন। তাঁর বাড়িতে কোনো মাদকও পাওয়া যায়নি। তাহলে তিনি কোথা থেকে টাকা দেবেন?

আরেকটি অডিও রেকর্ডে ওই ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, ‘টাকা পেয়েছেন? তাড়াতাড়ি ম্যানেজ করেন।’ জবাবে ওই নারী বলেন, তিনি টাকা ম্যানেজ করতে পারেননি, মাত্র ১০ হাজার টাকা জোগাড় করেছেন। ওই টাকা নিয়েই বিষয়টি মেনে নেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি। এক মাস ধরে ব্যবসা বন্ধ থাকায় তাঁদের সংসারে অভাব চলছে বলেও জানান ওই নারী।

কথোপকথনের পর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জন্য নাজিম নামের এক স্থানীয় ব্যক্তি ১০ হাজার টাকা নিয়ে যান বলে অভিযোগ করেছেন ফুলতারা। এর আগে ডিএনসির নামে টাকা দেওয়ার জন্য স্থানীয় সোর্স মাসুদ ও নাজিম একাধিকবার তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন বলেও দাবি তাঁর।

অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ৭ অক্টোবর রাতে ফুলতারার বাড়িতে অভিযান চালায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি দল। এ সময় বাড়ির বিভিন্ন কক্ষ ও ফুলতারার দেহ তল্লাশি করা হয়। তবে কোনো মাদকদ্রব্য পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে। পরে অভিযান দলটি বাড়ি থেকে চলে যায়। এরপরই ডিএনসির পরিচয়ে এক অজ্ঞাত ব্যক্তি এবং নাজিম ও মাসুদ ফুলতারার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ৩০ হাজার টাকা না দিলে মামলা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন ওই নারী। পরে তিনি ডিএনসির নামে ১০ হাজার টাকা দেন বলে দাবি করেন।

ফুলতারা বেগম বলেন, ‘এক নারীকে দিয়ে আমার কাপড়চোপড় খুলিয়ে দেহ তল্লাশি করা হয়। ঘরের প্রতিটি কোনাও তল্লাশি করা হয়েছে। কিন্তু কোনো মাদক পাওয়া যায়নি। তারা চলে যাওয়ার পরপরই টাকার জন্য চাপ দেন অজ্ঞাত এক ব্যক্তি ও নাজিম। পরে নাজিমের হাতে ১০ হাজার টাকা দিয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, আগে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকলেও স্থানীয় মেম্বার, চেয়ারম্যান ও গ্রাম পুলিশের নিষেধের কারণে গত এক মাস ধরে এ কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রয়েছেন। এরপরও মাদক না পেয়ে ভয় দেখিয়ে তাঁর কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে অভিযানের সময় কেউ তাঁর কাছে টাকা চাননি বলেও জানান ফুলতারা।

কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী ও প্রতিবেশী জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের লোকজন আসার পর ফুলতারা পাশের বাড়িতে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে একজন নারী কনস্টেবল তাঁর দেহ তল্লাশি করেন। বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়, তবে কোনো মাদক পাওয়া যায়নি। পরে অভিযান দলটি চলে যায়। অভিযানের সময় ডিএনসির সোর্স মাসুদও সেখানে উপস্থিত ছিলেন বলে জানান তাঁরা।

এ বিষয়ে মাসুদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে মুঠোফোনে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। ঘটনা সম্পর্কে কিছু জানেন না বলেও দাবি করেন তিনি। তবে কিছুক্ষণ পর ফুলতারাকে ফোন করে সাংবাদিককে তথ্য দেওয়ায় তাঁর বড় ধরনের ক্ষতি হবে বলে হুমকি দেন মাসুদ বলে অভিযোগ উঠেছে।

অন্যদিকে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের আরেক সোর্স ও টাকা গ্রহণের অভিযোগে অভিযুক্ত নাজিমের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি পরিচয় জানার পরপরই ফোন কেটে দেন।

ঘটনার দিন অভিযানে উপস্থিত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, ফুলতারার বিরুদ্ধে আগে মাদকসংক্রান্ত অভিযোগ থাকলেও গত ৭ অক্টোবর তাঁর বাড়ি ও দেহ তল্লাশি করে কোনো মাদক পাওয়া যায়নি। নিয়ম অনুযায়ী অভিযান শেষে তাঁরা ফিরে আসেন। তল্লাশির পুরো ভিডিও ধারণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। তবে অভিযান দল চলে যাওয়ার পর ফুলতারা কাকে বা কেন টাকা দিয়েছেন, সে বিষয়ে তাঁরা কিছু জানেন না বলে দাবি করেন ওই কর্মকর্তা।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ফুলতারার বাড়িতে অভিযানের সময় কোনো মাদকদ্রব্য পাওয়া যায়নি। নিয়ম অনুযায়ী সব কার্যক্রম সম্পন্ন করে অভিযান দল ফিরে এসেছে। আমাদের নাম করে কেউ অর্থ দাবি করলে, তা আমাদের জানা নেই। মাসুদ ও নাজিম আমাদের কেউ নন।’

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান জানান, এ বিষয়ে তাঁরা কোনো অভিযোগ পাননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।