ঢাকা ০৪:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গোপালগঞ্জে ৫৭তম বিশ্ব মান দিবস উদযাপন হিন্দুদের সমস্যা সমাধানে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি জামায়াত আমিরের ধামইরহাটে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত আদালতের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও দোকানমালিকদের হয়রানির অভিযোগ, কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এনামুল হক বশিরের বিরুদ্ধে ৩৭ দিনে ইয়েমেনের ১৫ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা দখলে করেছে হুথিরা বাউফলে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আখতার হোসেনের বিরুদ্ধে অর্থ আদায় ও বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ আ.লীগের প্রতিহিংসার রাজনীতির শিকার ড. ইউনূস: রিজভী কামারখন্দ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তরুণীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওয়ার্ডবয় করিম সরকারের বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণপাড়ায় অসহায় দুই শিশুর পাশে দাঁড়াল পুলিশ এলপিজি ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা: জ্বালানিমন্ত্রী

যুব উন্নয়ন নিয়োগে প্রশ্নফাঁস, পুরোনো চক্রের সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় আগের কোনো চক্র জড়িত কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। মন্ত্রণালয়ের কেউ জড়িত থাকলেও তাঁদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান তিনি।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে আগের কোনো চক্র জড়িত কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) ও প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই) কাজ করছে। পাশাপাশি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) একটি ফরেনসিক দল গঠন করে ঘটনার দিনের বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে। প্রয়োজনীয় ফরেনসিক প্রতিবেদন তৈরির কাজও চলছে।

তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার আগে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে চায় না মন্ত্রণালয়। নিয়োগ কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি বাইরে থেকে যাঁরা প্রশ্নপত্র ছাপানো বা ফটোকপি করে বিভিন্ন কেন্দ্রে পাঠানোর কাজে যুক্ত ছিলেন, তাঁদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, গত ১০ অক্টোবর বেলা ১১টায় সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। ওই দিন সকাল ১০টা ৩ মিনিটের দিকে তাঁর কাছে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি আসে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানান এবং প্রশ্নপত্রের সঙ্গে ফাঁস হওয়া প্রশ্নের মিল আছে কি না, তা যাচাই করতে বলেন।

পাঁচ মিনিটের মধ্যে প্রশ্নপত্রের সঙ্গে ফাঁস হওয়া প্রশ্নের মিল থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে চাকরি পাওয়ার আশায় এবং নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করতে অনেক পরীক্ষার্থী উপস্থিত হয়েছিলেন। পরীক্ষা স্থগিত হওয়ায় তাঁরা কষ্ট পেয়েছেন। এ ঘটনায় তিনি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেন।

আমিনুল হক বলেন, ঘটনার পরপরই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। একই সঙ্গে নতুন পরীক্ষার তারিখও নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ১৬ অক্টোবর শুক্রবার বিকেল ৩টায় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তদন্ত কমিটিকে তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছিল। তবে ঘটনার গভীরে গিয়ে প্রকৃত কারণ এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা খুঁজে বের করতে কমিটি আরও সময় চেয়েছে। আগামী রোববার পর্যন্ত তাদের সময় দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গোপালগঞ্জে ৫৭তম বিশ্ব মান দিবস উদযাপন

যুব উন্নয়ন নিয়োগে প্রশ্নফাঁস, পুরোনো চক্রের সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে

আপডেট সময় ০২:১৮:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় আগের কোনো চক্র জড়িত কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। মন্ত্রণালয়ের কেউ জড়িত থাকলেও তাঁদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান তিনি।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে আগের কোনো চক্র জড়িত কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) ও প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই) কাজ করছে। পাশাপাশি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) একটি ফরেনসিক দল গঠন করে ঘটনার দিনের বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে। প্রয়োজনীয় ফরেনসিক প্রতিবেদন তৈরির কাজও চলছে।

তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার আগে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে চায় না মন্ত্রণালয়। নিয়োগ কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি বাইরে থেকে যাঁরা প্রশ্নপত্র ছাপানো বা ফটোকপি করে বিভিন্ন কেন্দ্রে পাঠানোর কাজে যুক্ত ছিলেন, তাঁদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, গত ১০ অক্টোবর বেলা ১১টায় সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। ওই দিন সকাল ১০টা ৩ মিনিটের দিকে তাঁর কাছে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি আসে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানান এবং প্রশ্নপত্রের সঙ্গে ফাঁস হওয়া প্রশ্নের মিল আছে কি না, তা যাচাই করতে বলেন।

পাঁচ মিনিটের মধ্যে প্রশ্নপত্রের সঙ্গে ফাঁস হওয়া প্রশ্নের মিল থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে চাকরি পাওয়ার আশায় এবং নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করতে অনেক পরীক্ষার্থী উপস্থিত হয়েছিলেন। পরীক্ষা স্থগিত হওয়ায় তাঁরা কষ্ট পেয়েছেন। এ ঘটনায় তিনি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেন।

আমিনুল হক বলেন, ঘটনার পরপরই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। একই সঙ্গে নতুন পরীক্ষার তারিখও নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ১৬ অক্টোবর শুক্রবার বিকেল ৩টায় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তদন্ত কমিটিকে তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছিল। তবে ঘটনার গভীরে গিয়ে প্রকৃত কারণ এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা খুঁজে বের করতে কমিটি আরও সময় চেয়েছে। আগামী রোববার পর্যন্ত তাদের সময় দেওয়া হয়েছে।