ঢাকা ০১:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আওয়ামীপন্থি প্রকৌশলী নিমিতোষ ওঝার হাতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব ডোম-ইনোর জালের ফাঁদে জমি-বাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব শিক্ষক পরিবার নিম্নমানের যন্ত্রপাতি দিয়ে রামপাল সচল রাখতে প্রকৌশলীদের মরিয়া চেষ্টা ইইডির প্রকৌশলীর টেবিলে টাকার লেনদেন, ‘স্যারের কাছে ৫ লাখ টাকা রেখে যান’ ৫ ভাইয়ের দাপটে জিম্মি বরিশাল কর কমিশনারের কার্যালয় ঘুষ-দুর্নীতি ও সরকারি গাড়ির অপব্যবহারের অভিযোগে আলোচনায় ঠাকুরগাঁও এলজিইডির প্রকৌশলী মামুন সেই ফজলুল হকই এখন এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক লক্ষ্মীপুরে বিএনপির ‘দুঃসময়ের কাণ্ডারি’ দু’নেতাকে অব্যাহতি: তৃণমূলে ক্ষোভ ও উত্তেজনা শেখ হাসিনাসহ ৪১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ লালমনিরহাটের আদিতমারীতে খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে বিএনপির দোয়া মাহফিল

৫ ভাইয়ের দাপটে জিম্মি বরিশাল কর কমিশনারের কার্যালয়

বরিশাল কর কমিশনারের কার্যালয়ে ৩ ভাইয়ের রাজ্যের অঘোষিত রাজা।বরিশালের সাবেক বিতর্কিত ও দুর্নীতিবাজ কর কর্মকর্তা নেফাউল ইসলাম সরকারের দোসর মোঃ রতন মোল্লা।স্টেনো টাইপিস্ট পদে কর্মরত।তৃতীয় শ্রেনীর কর্মচারী হলেও নিজ স্বার্থ আদায়ে কর কমানো -বাড়ানোসহ তদবির ও সুপারিশের মাধ্যমে করের যাবতীয় কার্য্যক্রম সম্পন্ন করেন।এক সময়ের ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্মচারী কর বিভাগে স্টেনো টাইপিস্ট পদে চাকুরী লাভের পরেই ভাগ্য খুলে যায়। এখন তিনি অসংখ্য ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক,বিভিন্ন ব্যাংকে কোটি কোটি টাকার এফডিআর, কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র,জায়গা-জমি,বহুতল ভবনের মালিক।আলাদিনের চেরাগও যেন হার মানিয়েছে রতন মোল্লার কাছে।এখন তিনি একজন ধনকুব।সহায়-সম্পদে ছুয়েঁছেন পাহাড়।

রতন মোল্লার বিরুদ্ধে কর কমিশনার ও এনবিআরের চেয়ারম্যানের নিকট একাধিকবার অভিযোগ দেয়া হলেও রহস্যজনক কারনে নেয়া হয়নি তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা। ক্লিনিক,ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ডাক্তারদের করের ফাইল আটকিয়ে জিম্মী করে অনৈতিকভাবে ঘুস আদায় করাই যেন রতন মোল্লার পেশা।তিনি কাউকে থোরাই কেয়ার করেন না।ঘুস আদায়ে বেপরোয়া । কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে চলার কারনে একজন প্রিয় কর্মচারীতে পরিনত হয়েছেন বরিশাল কর বিভাগে।একই কর্মস্থলে সার্কেল -২ ও সার্কেল -৮ এ রয়েছেন ১০ বছর।সকলের বদলী হলেও রতন যেন কর ভবনের স্থায়ী কর্মচারী।তার বদলী না হওয়ায় কর বিভাগের সকলেই বিস্মিত।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বরিশাল কর অঞ্চলের সার্কেল-৮ এ স্টেনো-টাইপিস্ট পদে কর্মরত রয়েছেন মোঃ রতন মোল্লা। ২০১৩ সালে নিয়োগের পর থেকে তিনি মূলত সার্কেল-২ ও সার্কেল-৮-এই ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে অবস্থান করছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, কর বিভাগের ৩য় শ্রেণির কর্মচারী হলেও রতন মোল্লা ও তার পরিবারের অপর ৪ ভাই অফিসজুড়ে একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার করে আসছেন।
মোঃ রতন মোল্লা: স্টেনো-টাইপিস্ট, সার্কেল-৮ (বরিশাল সদর)।
মোঃ ইব্রাহিম মোল্লা: অফিস সহায়ক, সার্কেল-১৬ (লালমোহন, ভোলা)।
লিটন মোল্লা: নোটিশ সার্ভার, সার্কেল-১৯ (গলাচিপা, পটুয়াখালী)।
মোঃ সাইদুর রহমান: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর (বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত নাজির), কর অঞ্চল কার্যালয়, বরিশাল।
রুবেল হাওলাদার: নোটিশ সার্ভার, কোম্পানী-১, বরিশাল।
অভিযোগ রয়েছে, নোটিশ সার্ভার ও অফিস সহায়ক পদে কর্মরত এসব ভাইয়েরা করদাতাদের ফাইল আটকে রেখে হয়রানি করা, অডিটের ভয় দেখানো এবং কর কমানো-বাড়ানোর বিনিময়ে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেন।
অফিসিয়াল দায়িত্বে রতন মোল্লার অন্যতম কাজ ছিল ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও চিকিৎসকদের আয়করের তালিকা প্রস্তুত করা। অভিযোগে বলা হয়:
তিনি মোটা অঙ্কের উৎকোচ গ্রহণ করে প্রকৃত করদাতার তালিকা গোপন করতেন এবং সরকারি রাজস্ব না বাড়িয়ে নিজের পকেট ভারী করতেন।
কিছু আইনজীবীর সাথে যোগসাজশ করে ডাক্তার ও বড় ব্যবসায়ীদের অফিসে ডেকে এনে বা ফাইল গায়েব করার ভয় দেখিয়ে চাঁদা দাবি ও আদায় করতেন।
কর অফিসে অর্থ দিলে অনিয়মের কাজ নিয়মে এবং নিয়মমাফিক ফাইল আটকে রেখে হয়রানি করা হতো।
সাধারণ কৃষক পরিবারের সন্তান ও একসময় ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্মচারী থেকে সরকারি চাকরিতে যোগ দেওয়া রতন মোল্লা ও তার স্বজনরা কোটি কোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সম্পদের বিবরণ সম্ভাব্য বিবরণ ও অবস্থান
জমি ও ভবন (বরিশাল) বরিশাল নগরীর নবগ্রাম রোডে ২ কোটি টাকা মূল্যের জমিতে ৫ তলা নির্মাণাধীন ভবন।
জমি ও ভবন (ভোলা) চরফ্যাশন গ্রামে ৫ একর জমি, চরফ্যাশন শহরে একটি ২ তলা নির্মাণাধীন ভবন এবং শ্বশুড়বাড়িতে ৩০ শতাংশ জমি।
ব্যাংক এফডিআর (FDR) সোনালী ব্যাংক (করপোরেট ও সিঅ্যান্ডবি রোড শাখা) এবং জনতা ব্যাংক (বাংলা বাজার শাখা)-এ প্রায় ২ কোটি টাকার এফডিআর।
সঞ্চয়পত্র ও শেয়ার নিজ ও স্ত্রীর নামে ১ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র এবং বরিশাল নগরীর সাউথ ইউনিভার্সেল মেডিকেল সার্ভিসেস-এ শেয়ার মালিকানা।
একইভাবে অপর ভাই নাজিরের দায়িত্বে থাকা সাইদুর রহমান ও নোটিশ সার্ভার রুবেল হাওলাদারও চাকরি পাওয়ার পরপরই ক্ষমতার অপব্যবহার করে বরিশাল নগরীর পলাশপুরসহ বিভিন্ন স্থানে ভবনের মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।
গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বরিশাল নগরীর বাংলা বাজার এলাকার বাসিন্দা মোঃ আতাহার উদ্দিন সাংবাদিক সংগঠন ও পত্রিকা অফিসে লিখিত আবেদন জানান। এর পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে বরিশাল কর আইনজীবী সমিতি রেজুলেশন করে কর কমিশনারের কাছে রতন মোল্লার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। এছাড়া গত ১০ আগস্ট এনবিআরের চেয়ারম্যানের নিকট মোহাম্মদ হেমায়েত উদ্দিন নামে এক ব্যক্তিও লিখিত অভিযোগ জমা দেন।
আইনজীবীদের অভিযোগ, ইতিপূর্বে একাধিকবার মৌখিক ও লিখিতভাবে তৎকালীন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানানো হলেও অদৃশ্য কারণে রতন মোল্লা ও তার ভাইদের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক বা বদলির পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
সংক্রান্ত বিষয়ে কর বিভাগ বা এনবিআরের পক্ষ থেকে তদন্তের আশ্বাস ও দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী করদাতা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আওয়ামীপন্থি প্রকৌশলী নিমিতোষ ওঝার হাতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব

৫ ভাইয়ের দাপটে জিম্মি বরিশাল কর কমিশনারের কার্যালয়

আপডেট সময় ১২:১৩:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

বরিশাল কর কমিশনারের কার্যালয়ে ৩ ভাইয়ের রাজ্যের অঘোষিত রাজা।বরিশালের সাবেক বিতর্কিত ও দুর্নীতিবাজ কর কর্মকর্তা নেফাউল ইসলাম সরকারের দোসর মোঃ রতন মোল্লা।স্টেনো টাইপিস্ট পদে কর্মরত।তৃতীয় শ্রেনীর কর্মচারী হলেও নিজ স্বার্থ আদায়ে কর কমানো -বাড়ানোসহ তদবির ও সুপারিশের মাধ্যমে করের যাবতীয় কার্য্যক্রম সম্পন্ন করেন।এক সময়ের ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্মচারী কর বিভাগে স্টেনো টাইপিস্ট পদে চাকুরী লাভের পরেই ভাগ্য খুলে যায়। এখন তিনি অসংখ্য ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক,বিভিন্ন ব্যাংকে কোটি কোটি টাকার এফডিআর, কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র,জায়গা-জমি,বহুতল ভবনের মালিক।আলাদিনের চেরাগও যেন হার মানিয়েছে রতন মোল্লার কাছে।এখন তিনি একজন ধনকুব।সহায়-সম্পদে ছুয়েঁছেন পাহাড়।

রতন মোল্লার বিরুদ্ধে কর কমিশনার ও এনবিআরের চেয়ারম্যানের নিকট একাধিকবার অভিযোগ দেয়া হলেও রহস্যজনক কারনে নেয়া হয়নি তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা। ক্লিনিক,ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ডাক্তারদের করের ফাইল আটকিয়ে জিম্মী করে অনৈতিকভাবে ঘুস আদায় করাই যেন রতন মোল্লার পেশা।তিনি কাউকে থোরাই কেয়ার করেন না।ঘুস আদায়ে বেপরোয়া । কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে চলার কারনে একজন প্রিয় কর্মচারীতে পরিনত হয়েছেন বরিশাল কর বিভাগে।একই কর্মস্থলে সার্কেল -২ ও সার্কেল -৮ এ রয়েছেন ১০ বছর।সকলের বদলী হলেও রতন যেন কর ভবনের স্থায়ী কর্মচারী।তার বদলী না হওয়ায় কর বিভাগের সকলেই বিস্মিত।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বরিশাল কর অঞ্চলের সার্কেল-৮ এ স্টেনো-টাইপিস্ট পদে কর্মরত রয়েছেন মোঃ রতন মোল্লা। ২০১৩ সালে নিয়োগের পর থেকে তিনি মূলত সার্কেল-২ ও সার্কেল-৮-এই ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে অবস্থান করছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, কর বিভাগের ৩য় শ্রেণির কর্মচারী হলেও রতন মোল্লা ও তার পরিবারের অপর ৪ ভাই অফিসজুড়ে একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার করে আসছেন।
মোঃ রতন মোল্লা: স্টেনো-টাইপিস্ট, সার্কেল-৮ (বরিশাল সদর)।
মোঃ ইব্রাহিম মোল্লা: অফিস সহায়ক, সার্কেল-১৬ (লালমোহন, ভোলা)।
লিটন মোল্লা: নোটিশ সার্ভার, সার্কেল-১৯ (গলাচিপা, পটুয়াখালী)।
মোঃ সাইদুর রহমান: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর (বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত নাজির), কর অঞ্চল কার্যালয়, বরিশাল।
রুবেল হাওলাদার: নোটিশ সার্ভার, কোম্পানী-১, বরিশাল।
অভিযোগ রয়েছে, নোটিশ সার্ভার ও অফিস সহায়ক পদে কর্মরত এসব ভাইয়েরা করদাতাদের ফাইল আটকে রেখে হয়রানি করা, অডিটের ভয় দেখানো এবং কর কমানো-বাড়ানোর বিনিময়ে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেন।
অফিসিয়াল দায়িত্বে রতন মোল্লার অন্যতম কাজ ছিল ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও চিকিৎসকদের আয়করের তালিকা প্রস্তুত করা। অভিযোগে বলা হয়:
তিনি মোটা অঙ্কের উৎকোচ গ্রহণ করে প্রকৃত করদাতার তালিকা গোপন করতেন এবং সরকারি রাজস্ব না বাড়িয়ে নিজের পকেট ভারী করতেন।
কিছু আইনজীবীর সাথে যোগসাজশ করে ডাক্তার ও বড় ব্যবসায়ীদের অফিসে ডেকে এনে বা ফাইল গায়েব করার ভয় দেখিয়ে চাঁদা দাবি ও আদায় করতেন।
কর অফিসে অর্থ দিলে অনিয়মের কাজ নিয়মে এবং নিয়মমাফিক ফাইল আটকে রেখে হয়রানি করা হতো।
সাধারণ কৃষক পরিবারের সন্তান ও একসময় ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্মচারী থেকে সরকারি চাকরিতে যোগ দেওয়া রতন মোল্লা ও তার স্বজনরা কোটি কোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সম্পদের বিবরণ সম্ভাব্য বিবরণ ও অবস্থান
জমি ও ভবন (বরিশাল) বরিশাল নগরীর নবগ্রাম রোডে ২ কোটি টাকা মূল্যের জমিতে ৫ তলা নির্মাণাধীন ভবন।
জমি ও ভবন (ভোলা) চরফ্যাশন গ্রামে ৫ একর জমি, চরফ্যাশন শহরে একটি ২ তলা নির্মাণাধীন ভবন এবং শ্বশুড়বাড়িতে ৩০ শতাংশ জমি।
ব্যাংক এফডিআর (FDR) সোনালী ব্যাংক (করপোরেট ও সিঅ্যান্ডবি রোড শাখা) এবং জনতা ব্যাংক (বাংলা বাজার শাখা)-এ প্রায় ২ কোটি টাকার এফডিআর।
সঞ্চয়পত্র ও শেয়ার নিজ ও স্ত্রীর নামে ১ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র এবং বরিশাল নগরীর সাউথ ইউনিভার্সেল মেডিকেল সার্ভিসেস-এ শেয়ার মালিকানা।
একইভাবে অপর ভাই নাজিরের দায়িত্বে থাকা সাইদুর রহমান ও নোটিশ সার্ভার রুবেল হাওলাদারও চাকরি পাওয়ার পরপরই ক্ষমতার অপব্যবহার করে বরিশাল নগরীর পলাশপুরসহ বিভিন্ন স্থানে ভবনের মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।
গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বরিশাল নগরীর বাংলা বাজার এলাকার বাসিন্দা মোঃ আতাহার উদ্দিন সাংবাদিক সংগঠন ও পত্রিকা অফিসে লিখিত আবেদন জানান। এর পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে বরিশাল কর আইনজীবী সমিতি রেজুলেশন করে কর কমিশনারের কাছে রতন মোল্লার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। এছাড়া গত ১০ আগস্ট এনবিআরের চেয়ারম্যানের নিকট মোহাম্মদ হেমায়েত উদ্দিন নামে এক ব্যক্তিও লিখিত অভিযোগ জমা দেন।
আইনজীবীদের অভিযোগ, ইতিপূর্বে একাধিকবার মৌখিক ও লিখিতভাবে তৎকালীন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানানো হলেও অদৃশ্য কারণে রতন মোল্লা ও তার ভাইদের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক বা বদলির পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
সংক্রান্ত বিষয়ে কর বিভাগ বা এনবিআরের পক্ষ থেকে তদন্তের আশ্বাস ও দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী করদাতা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।