ঢাকা ০৭:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রয়াত বাবাকে নিয়ে মেসির আবেগঘন বার্তা নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে ১ হাজার কোটি টাকার তহবিল চট্টগ্রামের ডিসি পদ পেতে উপসচিব সালাহউদ্দিনের ৭০ কোটি টাকার চুক্তি! ঝালকাঠিতে ইভ্যালির রাসেল-শামীমার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মালয়েশিয়ায় বড় ধরনের অভিযান, ৩৭০ বাংলাদেশি আটক পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে মালদ্বীপের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ বর্তমান সরকারের অধীনে তথ্য বিভ্রান্তির সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী থাইল্যান্ডে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ সিদ্ধান্তের ফুলঝুরি সভায়, বাস্তবায়ন শূন্য-বোরহানউদ্দিনে চুরি-জুয়া নিয়ে উদ্বেগ ভারতের উত্তরপ্রদেশে লিটারপ্রতি নগদে কেনা হচ্ছে গোমূত্র

ঝালকাঠিতে ইভ্যালির রাসেল-শামীমার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

‎ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি থেকে মোটরসাইকেল কিনতে টাকা পরিশোধ করার পাঁচ বছর পরও পণ্য বা অর্থ ফেরত না পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন আইনজীবী হাচিবুর রহমান রাজু। এ মামলায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ঝালকাঠি সদর আমলি আদালতের বিচারক এ আদেশ দেন।
বুধবার (১২ আগস্ট) মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইমাম হোসেন।
মামলার বাদী হাচিবুর রহমান রাজু ঝালকাঠি সদর উপজেলার পূর্ব চাঁদকাঠি এলাকার বাসিন্দা ও জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২১ সালের ১২ মার্চ ইভ্যালির অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে তিনি একটি বাজাজ পালসার ১৫০ সিসি ডাবল ডিস্ক মোটরসাইকেল অর্ডার করেন। একই বছরের ১৫ মার্চ ‘নগদ’ এর মাধ্যমে মোটরসাইকেলের মূল্য বাবদ ১ লাখ ৬ হাজার ৯৪০ টাকা পরিশোধ করেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মোটরসাইকেল সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে ইভ্যালি কর্তৃপক্ষ ২০২১ সালের ৭ অক্টোবর স্থানীয় শোরুম থেকে মোটরসাইকেল কেনার জন্য ১ লাখ ৭৪ হাজার টাকার একটি চেক দেয়। কিন্তু ব্যাংকে চেকটি জমা দিলে জানা যায়, সংশ্লিষ্ট হিসাবটি ফ্রিজ করা রয়েছে। এরপর একাধিকবার যোগাযোগ করেও তিনি অর্থ বা মোটরসাইকেল কোনোটিই পাননি।

বাদী হাচিবুর রহমান রাজু বলেন, বিষয়টি আদালতের বাইরে মীমাংসারও চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে অভিযুক্তরা অর্থ ফেরত না দেওয়ায় শেষ পর্যন্ত প্রতারণার অভিযোগে আদালতের শরণাপন্ন হন তিনি।

‎বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইমাম হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মোটরসাইকেল কিংবা পরিশোধ করা অর্থ ফেরত পাননি। একাধিকবার যোগাযোগ ও সমাধানের চেষ্টা করেও কোনো ফল না পাওয়ায় আদালতে মামলা করা হয়। আদালত অভিযোগের প্রাথমিক ভিত্তি বিবেচনায় নিয়ে দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। পরবর্তী কার্যক্রম আইন অনুযায়ী চলবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়াত বাবাকে নিয়ে মেসির আবেগঘন বার্তা

ঝালকাঠিতে ইভ্যালির রাসেল-শামীমার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

আপডেট সময় ০৬:৪৯:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

‎ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি থেকে মোটরসাইকেল কিনতে টাকা পরিশোধ করার পাঁচ বছর পরও পণ্য বা অর্থ ফেরত না পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন আইনজীবী হাচিবুর রহমান রাজু। এ মামলায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ঝালকাঠি সদর আমলি আদালতের বিচারক এ আদেশ দেন।
বুধবার (১২ আগস্ট) মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইমাম হোসেন।
মামলার বাদী হাচিবুর রহমান রাজু ঝালকাঠি সদর উপজেলার পূর্ব চাঁদকাঠি এলাকার বাসিন্দা ও জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২১ সালের ১২ মার্চ ইভ্যালির অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে তিনি একটি বাজাজ পালসার ১৫০ সিসি ডাবল ডিস্ক মোটরসাইকেল অর্ডার করেন। একই বছরের ১৫ মার্চ ‘নগদ’ এর মাধ্যমে মোটরসাইকেলের মূল্য বাবদ ১ লাখ ৬ হাজার ৯৪০ টাকা পরিশোধ করেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মোটরসাইকেল সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে ইভ্যালি কর্তৃপক্ষ ২০২১ সালের ৭ অক্টোবর স্থানীয় শোরুম থেকে মোটরসাইকেল কেনার জন্য ১ লাখ ৭৪ হাজার টাকার একটি চেক দেয়। কিন্তু ব্যাংকে চেকটি জমা দিলে জানা যায়, সংশ্লিষ্ট হিসাবটি ফ্রিজ করা রয়েছে। এরপর একাধিকবার যোগাযোগ করেও তিনি অর্থ বা মোটরসাইকেল কোনোটিই পাননি।

বাদী হাচিবুর রহমান রাজু বলেন, বিষয়টি আদালতের বাইরে মীমাংসারও চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে অভিযুক্তরা অর্থ ফেরত না দেওয়ায় শেষ পর্যন্ত প্রতারণার অভিযোগে আদালতের শরণাপন্ন হন তিনি।

‎বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইমাম হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মোটরসাইকেল কিংবা পরিশোধ করা অর্থ ফেরত পাননি। একাধিকবার যোগাযোগ ও সমাধানের চেষ্টা করেও কোনো ফল না পাওয়ায় আদালতে মামলা করা হয়। আদালত অভিযোগের প্রাথমিক ভিত্তি বিবেচনায় নিয়ে দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। পরবর্তী কার্যক্রম আইন অনুযায়ী চলবে।