সংবাদ শিরোনাম ::
পরিচালক হাবিবুল্লাহ, সহিদুল আমিন ও ইকবাল হারুনের নেতৃত্বে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে অনিয়মের অভিযোগ লীগপন্থী ঠিকাদারদের অবৈধভাবে কাজ পাইয়ে দিয়ে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত পরিচালক আব্দুর রহিম বদলি-নিয়োগ বাণিজ্য থেকে বনভূমি দখল: বন কর্মকর্তা হোসাইন নিশাতের ‘শত কোটির দুর্নীতি সাম্রাজ্য’ চাঁদা না পেয়ে অ’ন্তঃসত্ত্বা নারীকে মা’রধরের অভিযোগ, বিএনপি নেতা দোলনের বি’রুদ্ধে মা’মলা সরকারি জমিতে গড়ে উঠল বহুতল ভবন ‘সানভিউ বিধি ভেঙে আরএমও পদায়ন, ‘এম উদ্দিন’ ছদ্মনামে টেস্ট সিন্ডিকেটের অভিযোগ ইডকলে এনামুলের বিরুদ্ধে লুটপাটের রাজত্বের অভিযোগ সওজ কর্মকর্তা শাহনুর রশিদ এখন শতকোটি টাকার মালিক জালিয়াতি করে কোটি টাকার বাণিজ্যের অভিযোগ বাশার-মঞ্জুরুলের বিরুদ্ধে এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমানের সিএন্ডএফ ক্লিয়ারিং বাণিজ্য

হোটেল গোল্ড স্টার যেনো দেহ বাণিজ্যের কারখানা

রাজধানীর মিরপুরের আবাসিক হোটেল গোল্ড স্টারে দীর্ঘদিন ধরেই চলছে দেহব্যবসা সহ নানা অসামাজিক কার্যকলাপ । এসব কর্মকান্ড অনেকটাই ওপেন সিক্রেট’ হলেও পুলিশ বলছে এসবের তথ্য নেই তাদের কাছে। অনুসন্ধানে দেখা যাচ্ছে, মিরপুর এক নম্বরের হোটেল গোল্ড স্টার আবাসিকে কমবেশি অসামাজিক কার্যকলাপ চলছে প্রশাসনের নাকের ডগাতেই। এই আবাসিক হোটেল গুলোতে একজন নারীর সাথে রাত কাটাতে হলেও গুনতে হয় কয়েক গুণ ভাড়া।

বেশি অর্থ উপার্জনের লোভই হোটেল মালিকদের এই জঘন্য কাজে লিপ্ত করেছে। নিয়মানুযায়ী হোটেলে যে কোনো বর্ডারের আগমন হলে তাদের সঠিক ঠিকানা যাচাই করে তাদের রেজিষ্টার খাতায় লিপিবদ্ধ করা ও ছবি তুলে রাখার কথা থাকলেও অভিযুক্ত হোটেল কতৃপক্ষ মানছে না এই নিয়ম। মালিক- রাজিবের নেতৃত্বে ম্যানেজার- সাওয়ন এর সহযোগীতায় দিন দিন বেড়েই চলেছে। হোটেলে নানা অসামাজিক কার্যকলাপের পাশাপাশি চলছে রমরমা মাদক বানিজ্য। অনুসন্ধানে জানা গেছে, মিরপরের হযরত শাহ্ আলী (রঃ) মাজার শরীফে অবাধ চলাফেরা করার সুযোগ থাকায় বিভিন্ন জেলা থেকে রাজধানীতে পালিয়ে, ব্যাক্তিগত কাজ, অন্যান্য কারনসহ কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে আসা বিভিন্ন নারী-পুরুষ কোন আশ্রয় না পেলে এই মাজারে আশ্রয় নেয়। আর এখানে অবস্থানরত বিভিন্ন দালালেরা অসহায় নারীদেরকে টার্গেট করে কৌশলে বিভিন্ন হোটেলে নিয়ে যায়। এমনকি দু-এক রাত হোটেলে রেখে তাদেরকে দেশের বিভিন্ন পতিতালয়ে পাচারও করে দেয় এরা।

রীতিমত ‘পীরসাহেবা’ সেজে মাজার শরীফ প্রাঙ্গনে বিভিন্ন আসন পেতে রকমারী আগরবাতি/মোমবাতি জ্বালিয়ে অবস্থানরত বেশ কিছু নারীও রয়েছেন এই দালালের তালিকায়। মাজার শরীফের মূল প্রাঙ্গনে ঢুকলেই এই পীর সাহেবা মহিলাদের আসনগুলি ঘিরে নানা ধরনের মানুষকে তাদের ঘিরে বসে থাকতে দেখা যায়। মূলত এই লোকগুলোই তাদের পোষা দালাল। আর এই মহিলাদের মূল কাজই হচ্ছে নারী ব্যবসা। তারা নিজেদের এই আস্তানায় বসে কাস্টমার সন্ধানের পাশাপাশি নানা রকম মাদক ব্যবসা করে বলেও জানা গেছে। দূর দুরান্ত থেকে আসা মাজারে আশ্রয় নেয়া অসহায় মেয়েদেরকে ফুসলিয়ে আশ্রয় দেয়ার কথা বলে নিজেদের বাসায় নিয়ে দেহব্যবসা করতে বাধ্য করে এই পীরসাহেবাগণ।এমনকি অসহায় আশ্রয়হীন মেয়েগুলোকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে দেশের বিভিন্ন পতিতালয়ে পাচার করে দেয় এরাই। এই কাজেও সক্রিয় ভাবে হোটেল মালিক-পরিচালকগণ তাদেরকে সহযোগিতা করে।

স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও বলেন, হোটেল গুলোর মালিক-পরিচালকগণ প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ মুখ খোলার সাহস পায়না।তাছাড়া পুলিশের সাথেও তাদের সুম্পর্ক রয়েছে। ফলে এসকল অপকর্ম করতে তাদের তেমন কোন বেগ পেতে হয় না। এ প্রসঙ্গে ডিএমপির দারুস সালাম জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার দৈনিক আমাদের মাতৃভূমি কে বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে স্থানীয় পুলিশের কাছে কোন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আমরা এ বিষয়ে অনুসন্ধান করে অপরাধীদেরকে আইনের আওতায় এনে যথাযগ্য শাস্তির ব্যবস্থা করব।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পরিচালক হাবিবুল্লাহ, সহিদুল আমিন ও ইকবাল হারুনের নেতৃত্বে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে অনিয়মের অভিযোগ

হোটেল গোল্ড স্টার যেনো দেহ বাণিজ্যের কারখানা

আপডেট সময় ০৩:৩৮:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

রাজধানীর মিরপুরের আবাসিক হোটেল গোল্ড স্টারে দীর্ঘদিন ধরেই চলছে দেহব্যবসা সহ নানা অসামাজিক কার্যকলাপ । এসব কর্মকান্ড অনেকটাই ওপেন সিক্রেট’ হলেও পুলিশ বলছে এসবের তথ্য নেই তাদের কাছে। অনুসন্ধানে দেখা যাচ্ছে, মিরপুর এক নম্বরের হোটেল গোল্ড স্টার আবাসিকে কমবেশি অসামাজিক কার্যকলাপ চলছে প্রশাসনের নাকের ডগাতেই। এই আবাসিক হোটেল গুলোতে একজন নারীর সাথে রাত কাটাতে হলেও গুনতে হয় কয়েক গুণ ভাড়া।

বেশি অর্থ উপার্জনের লোভই হোটেল মালিকদের এই জঘন্য কাজে লিপ্ত করেছে। নিয়মানুযায়ী হোটেলে যে কোনো বর্ডারের আগমন হলে তাদের সঠিক ঠিকানা যাচাই করে তাদের রেজিষ্টার খাতায় লিপিবদ্ধ করা ও ছবি তুলে রাখার কথা থাকলেও অভিযুক্ত হোটেল কতৃপক্ষ মানছে না এই নিয়ম। মালিক- রাজিবের নেতৃত্বে ম্যানেজার- সাওয়ন এর সহযোগীতায় দিন দিন বেড়েই চলেছে। হোটেলে নানা অসামাজিক কার্যকলাপের পাশাপাশি চলছে রমরমা মাদক বানিজ্য। অনুসন্ধানে জানা গেছে, মিরপরের হযরত শাহ্ আলী (রঃ) মাজার শরীফে অবাধ চলাফেরা করার সুযোগ থাকায় বিভিন্ন জেলা থেকে রাজধানীতে পালিয়ে, ব্যাক্তিগত কাজ, অন্যান্য কারনসহ কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে আসা বিভিন্ন নারী-পুরুষ কোন আশ্রয় না পেলে এই মাজারে আশ্রয় নেয়। আর এখানে অবস্থানরত বিভিন্ন দালালেরা অসহায় নারীদেরকে টার্গেট করে কৌশলে বিভিন্ন হোটেলে নিয়ে যায়। এমনকি দু-এক রাত হোটেলে রেখে তাদেরকে দেশের বিভিন্ন পতিতালয়ে পাচারও করে দেয় এরা।

রীতিমত ‘পীরসাহেবা’ সেজে মাজার শরীফ প্রাঙ্গনে বিভিন্ন আসন পেতে রকমারী আগরবাতি/মোমবাতি জ্বালিয়ে অবস্থানরত বেশ কিছু নারীও রয়েছেন এই দালালের তালিকায়। মাজার শরীফের মূল প্রাঙ্গনে ঢুকলেই এই পীর সাহেবা মহিলাদের আসনগুলি ঘিরে নানা ধরনের মানুষকে তাদের ঘিরে বসে থাকতে দেখা যায়। মূলত এই লোকগুলোই তাদের পোষা দালাল। আর এই মহিলাদের মূল কাজই হচ্ছে নারী ব্যবসা। তারা নিজেদের এই আস্তানায় বসে কাস্টমার সন্ধানের পাশাপাশি নানা রকম মাদক ব্যবসা করে বলেও জানা গেছে। দূর দুরান্ত থেকে আসা মাজারে আশ্রয় নেয়া অসহায় মেয়েদেরকে ফুসলিয়ে আশ্রয় দেয়ার কথা বলে নিজেদের বাসায় নিয়ে দেহব্যবসা করতে বাধ্য করে এই পীরসাহেবাগণ।এমনকি অসহায় আশ্রয়হীন মেয়েগুলোকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে দেশের বিভিন্ন পতিতালয়ে পাচার করে দেয় এরাই। এই কাজেও সক্রিয় ভাবে হোটেল মালিক-পরিচালকগণ তাদেরকে সহযোগিতা করে।

স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও বলেন, হোটেল গুলোর মালিক-পরিচালকগণ প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ মুখ খোলার সাহস পায়না।তাছাড়া পুলিশের সাথেও তাদের সুম্পর্ক রয়েছে। ফলে এসকল অপকর্ম করতে তাদের তেমন কোন বেগ পেতে হয় না। এ প্রসঙ্গে ডিএমপির দারুস সালাম জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার দৈনিক আমাদের মাতৃভূমি কে বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে স্থানীয় পুলিশের কাছে কোন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আমরা এ বিষয়ে অনুসন্ধান করে অপরাধীদেরকে আইনের আওতায় এনে যথাযগ্য শাস্তির ব্যবস্থা করব।