ঢাকা ০৪:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইরানের ভয়ে গোপনে বিমান পাল্টানোর কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প কাদের-আরাফাতসহ ৭ জনের সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ ডিমলায় নাওতারা নদীর কাঠের সাঁকো ভেঙে নদীতে পড়লেন জামায়াত নেতারা পলিসি ক্যাম্পে দেশসেরা ৩০ জনের একজন বেরোবির আইরিন আক্তার লাবণ্য বরগুনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৬৫০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১ হালাল অর্থনীতি হতে পারে নতুন সম্ভাবনার বড় ক্ষেত্র : বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলা একাডেমিতে জিয়াউর রহমান ও কবি নজরুলের কর্মময় জীবন শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বিয়ের প্রলোভনে খুবি ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, নৌপরিবহন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা অডিও ফাঁসের পর সুর বদলে ‘পা ধরতে’ চান কর্মচারী “বন কর্মকর্তা সামছু উদ্দিনের দুর্নীতির অভিযোগে তদন্তে দুদক

জলাবদ্ধতা নিরসনে রামপালের চামারখালী খালে অভিযান, উচ্ছেদ হলো অবৈধ বাদ

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, এমপি’র কঠোর নির্দেশনায় রামপাল উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ খাল থেকে দীর্ঘদিনের অবৈধ বাদ অপসারণ করা হয়েছে।
আজ সোমবার সকাল থেকে উপজেলার ৭নং পেড়িখালী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের চামারখালী এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন রামপাল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিৎ চক্রবর্তী। অভিযানে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় কৃষক ও বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ ছিল, চামারখালী খালের উপর অবৈধভাবে বাদ নির্মাণের কারণে বর্ষা মৌসুমে তীব্র জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। এতে শত শত একর ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে যাচ্ছিল এবং এলাকাবাসীকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল। এছাড়া খালের পানি প্রবাহ বন্ধ থাকায় পরিবেশ ও জলজ প্রাণীর অস্তিত্বও হুমকির মুখে পড়েছিল।
বিষয়টি প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামের নজরে আসলে তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। তার নির্দেশনা মোতাবেক আজকের অভিযানে ভারী যন্ত্রপাতির মাধ্যমে খালের উপর নির্মিত অবৈধ বাদটি সম্পূর্ণরূপে অপসারণ করা হয়।
অবৈধ বাদ অপসারণের খবরে এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয় কৃষকরা বলেন, “দীর্ঘদিন আমরা জলাবদ্ধতার কষ্ট সহ্য করছি। আজ প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে বাদ কেটে দেওয়ায় আমাদের জমির ফসল রক্ষা পাবে।”
রামপাল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভিজিৎ চক্রবর্তী বলেন, “পরিবেশ ও জলবায়ুর ক্ষতি হয় এমন যেকোনো অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশে আমরা এ অভিযান চালিয়েছি। উপজেলার অন্যান্য খাল-বিলেও এ ধরনের অবৈধ স্থাপনা থাকলে পর্যায়ক্রমে তা অপসারণ করা হবে।”
পরিবেশ প্রতিমন্ত্রীর এই সময়োপযোগী হস্তক্ষেপে রামপালবাসী উপকৃত হবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। তারা অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের ভয়ে গোপনে বিমান পাল্টানোর কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প

জলাবদ্ধতা নিরসনে রামপালের চামারখালী খালে অভিযান, উচ্ছেদ হলো অবৈধ বাদ

আপডেট সময় ০৮:০৫:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, এমপি’র কঠোর নির্দেশনায় রামপাল উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ খাল থেকে দীর্ঘদিনের অবৈধ বাদ অপসারণ করা হয়েছে।
আজ সোমবার সকাল থেকে উপজেলার ৭নং পেড়িখালী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের চামারখালী এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন রামপাল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিৎ চক্রবর্তী। অভিযানে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় কৃষক ও বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ ছিল, চামারখালী খালের উপর অবৈধভাবে বাদ নির্মাণের কারণে বর্ষা মৌসুমে তীব্র জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। এতে শত শত একর ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে যাচ্ছিল এবং এলাকাবাসীকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল। এছাড়া খালের পানি প্রবাহ বন্ধ থাকায় পরিবেশ ও জলজ প্রাণীর অস্তিত্বও হুমকির মুখে পড়েছিল।
বিষয়টি প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামের নজরে আসলে তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। তার নির্দেশনা মোতাবেক আজকের অভিযানে ভারী যন্ত্রপাতির মাধ্যমে খালের উপর নির্মিত অবৈধ বাদটি সম্পূর্ণরূপে অপসারণ করা হয়।
অবৈধ বাদ অপসারণের খবরে এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয় কৃষকরা বলেন, “দীর্ঘদিন আমরা জলাবদ্ধতার কষ্ট সহ্য করছি। আজ প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে বাদ কেটে দেওয়ায় আমাদের জমির ফসল রক্ষা পাবে।”
রামপাল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভিজিৎ চক্রবর্তী বলেন, “পরিবেশ ও জলবায়ুর ক্ষতি হয় এমন যেকোনো অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশে আমরা এ অভিযান চালিয়েছি। উপজেলার অন্যান্য খাল-বিলেও এ ধরনের অবৈধ স্থাপনা থাকলে পর্যায়ক্রমে তা অপসারণ করা হবে।”
পরিবেশ প্রতিমন্ত্রীর এই সময়োপযোগী হস্তক্ষেপে রামপালবাসী উপকৃত হবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। তারা অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।