ডিজিটাল বাংলাদেশের গণ্ডি পেরিয়ে দেশ যখন ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের পথে এগিয়ে চলেছে, তখন নীলফামারী সদর থানার এক অদ্ভুত ও প্রাচীন চিত্র সামনে এসেছে। বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির ছোঁয়া ছাড়া যেখানে দাপ্তরিক কাজ কল্পনাও করা যায় না, সেখানে এই থানায় কোনো ল্যাপটপ বা কম্পিউটার সচল না থাকায় দৈনন্দিন চিঠিপত্র ও দাপ্তরিক কাজের জন্য বাইরের কম্পিউটারের দোকানের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।
থানা সূত্রে জানা গেছে, সরকারি বিভিন্ন জরুরি চিঠিপত্র, প্রতিবেদন ও নোটিশ তৈরির জন্য থানায় কোনো নিজস্ব কম্পিউটার বা ল্যাপটপ সুবিধা নেই। ফলে প্রতিদিনের দাপ্তরিক চিঠি কিংবা মামলার জরুরি প্রতিবেদন তৈরি করতে পুলিশ সদস্যদের ছুটতে হচ্ছে থানার সামনের কিংবা বাজারের কোনো কম্পিউটারের দোকানে। বাইরের সাধারণ টাইপিস্টদের দিয়ে এসব গোপন ও গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক চিঠিপত্র লিখে নিতে হচ্ছে।
গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা ঝুঁকি:
থানার মতো একটি সংবেদনশীল সরকারি দপ্তরের চিঠিপত্র বাইরে থেকে লিখে আনার কারণে তথ্যের গোপনীয়তা চরম ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান:
“অনেক সময় অত্যন্ত গোপনীয় ও স্পর্শকাতর বিষয়ে চিঠি বা প্রতিবেদন তৈরি করতে হয়। কিন্তু থানায় কম্পিউটার না থাকায় বাধ্য হয়ে বাজারের সাধারণ দোকানে গিয়ে তা টাইপ করাতে হচ্ছে। এতে দাপ্তরিক তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছে, পাশাপাশি সময়ও অপচয় হচ্ছে।
আল মিজান ইসলাম নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি 


















