ঢাকা ০৪:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সারা দেশে মাটি পরীক্ষা চলছে : কৃষিমন্ত্রী পলাশের আনারস স্বাদে অতুলনীয়, বাড়ছে চাহিদা স্ত্রীর পরকীয়ার জেরে দুই মেয়েকে হত্যা করলেন বাবা! জাপানি প্রধানমন্ত্রীর উপহারের মন্তব্যে বিপাকে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়নে সুইডেনের সহায়তা চান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পঞ্চগড়ে এসজিপিটি পরীক্ষায় সরকারী হাসপাতাল-প্রাইভেট ডায়াগনেস্টিক রিপোর্টে ব্যাপক গড়মিল রাষ্ট্রপতি পদে এখনও ঠিক হয়নি বিএনপি প্রার্থী: চিফ হুইপ ‘সব জায়গায় বসে থাকবে আর খালি আগুন দিবে’, কাদেরকে শেখ হাসিনা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে ছোট করার চেষ্টা করছে স্বাধীনতাবিরোধীরা: রিজভী ইউক্রেনজুড়ে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, নিহত ৯

নীলফামারী সদর থানায় কম্পিউটার সংকট: ডিজিটাল যুগেও ভরসা বাইরের টাইপিস্ট

ডিজিটাল বাংলাদেশের গণ্ডি পেরিয়ে দেশ যখন ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের পথে এগিয়ে চলেছে, তখন নীলফামারী সদর থানার এক অদ্ভুত ও প্রাচীন চিত্র সামনে এসেছে। বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির ছোঁয়া ছাড়া যেখানে দাপ্তরিক কাজ কল্পনাও করা যায় না, সেখানে এই থানায় কোনো ল্যাপটপ বা কম্পিউটার সচল না থাকায় দৈনন্দিন চিঠিপত্র ও দাপ্তরিক কাজের জন্য বাইরের কম্পিউটারের দোকানের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।
থানা সূত্রে জানা গেছে, সরকারি বিভিন্ন জরুরি চিঠিপত্র, প্রতিবেদন ও নোটিশ তৈরির জন্য থানায় কোনো নিজস্ব কম্পিউটার বা ল্যাপটপ সুবিধা নেই। ফলে প্রতিদিনের দাপ্তরিক চিঠি কিংবা মামলার জরুরি প্রতিবেদন তৈরি করতে পুলিশ সদস্যদের ছুটতে হচ্ছে থানার সামনের কিংবা বাজারের কোনো কম্পিউটারের দোকানে। বাইরের সাধারণ টাইপিস্টদের দিয়ে এসব গোপন ও গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক চিঠিপত্র লিখে নিতে হচ্ছে।
গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা ঝুঁকি:
থানার মতো একটি সংবেদনশীল সরকারি দপ্তরের চিঠিপত্র বাইরে থেকে লিখে আনার কারণে তথ্যের গোপনীয়তা চরম ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান:
“অনেক সময় অত্যন্ত গোপনীয় ও স্পর্শকাতর বিষয়ে চিঠি বা প্রতিবেদন তৈরি করতে হয়। কিন্তু থানায় কম্পিউটার না থাকায় বাধ্য হয়ে বাজারের সাধারণ দোকানে গিয়ে তা টাইপ করাতে হচ্ছে। এতে দাপ্তরিক তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছে, পাশাপাশি সময়ও অপচয় হচ্ছে।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সারা দেশে মাটি পরীক্ষা চলছে : কৃষিমন্ত্রী

নীলফামারী সদর থানায় কম্পিউটার সংকট: ডিজিটাল যুগেও ভরসা বাইরের টাইপিস্ট

আপডেট সময় ০৬:৩২:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
ডিজিটাল বাংলাদেশের গণ্ডি পেরিয়ে দেশ যখন ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের পথে এগিয়ে চলেছে, তখন নীলফামারী সদর থানার এক অদ্ভুত ও প্রাচীন চিত্র সামনে এসেছে। বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির ছোঁয়া ছাড়া যেখানে দাপ্তরিক কাজ কল্পনাও করা যায় না, সেখানে এই থানায় কোনো ল্যাপটপ বা কম্পিউটার সচল না থাকায় দৈনন্দিন চিঠিপত্র ও দাপ্তরিক কাজের জন্য বাইরের কম্পিউটারের দোকানের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।
থানা সূত্রে জানা গেছে, সরকারি বিভিন্ন জরুরি চিঠিপত্র, প্রতিবেদন ও নোটিশ তৈরির জন্য থানায় কোনো নিজস্ব কম্পিউটার বা ল্যাপটপ সুবিধা নেই। ফলে প্রতিদিনের দাপ্তরিক চিঠি কিংবা মামলার জরুরি প্রতিবেদন তৈরি করতে পুলিশ সদস্যদের ছুটতে হচ্ছে থানার সামনের কিংবা বাজারের কোনো কম্পিউটারের দোকানে। বাইরের সাধারণ টাইপিস্টদের দিয়ে এসব গোপন ও গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক চিঠিপত্র লিখে নিতে হচ্ছে।
গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা ঝুঁকি:
থানার মতো একটি সংবেদনশীল সরকারি দপ্তরের চিঠিপত্র বাইরে থেকে লিখে আনার কারণে তথ্যের গোপনীয়তা চরম ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান:
“অনেক সময় অত্যন্ত গোপনীয় ও স্পর্শকাতর বিষয়ে চিঠি বা প্রতিবেদন তৈরি করতে হয়। কিন্তু থানায় কম্পিউটার না থাকায় বাধ্য হয়ে বাজারের সাধারণ দোকানে গিয়ে তা টাইপ করাতে হচ্ছে। এতে দাপ্তরিক তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছে, পাশাপাশি সময়ও অপচয় হচ্ছে।