সংবাদ শিরোনাম ::
রূপগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রার গোলাম মর্তুজা ও ফয়সাল সিন্ডিকেটে হয়রানি ফায়ার সার্ভিসে অনিয়ম-দুর্নীতির সিন্ডিকেটের ‘মাস্টারমাইন্ড’ আতাহার অভিযোগ দেয়ায় জিয়া পরিষদের ৩ জনকে বদলি শেয়ার না দিয়ে ২৮ কোটি টাকা আত্মসাত ফুলের বৃষ্টিতে শেষ কর্মদিবস,বরের সাজে বিদায় নিলেন শিক্ষকরা নওগাঁর পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারে চীনা পর্যটককে হেনস্তা ও ভিডিও ভাইরালের ঘটনায় যুবক আটক বড়লেখার কমিউনিটি সেন্টার থেকে চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার করল পুলিশ, গ্রেফতার ১ কালুখালী উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক আরিফ হাসনাতকে ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ, দুদকের অনুসন্ধানে চাঞ্চল্যকর তথ্য রাতে মুক্তিপণ চেয়ে ফোন কল, সকালে পুকুরে ভেসে উঠলো নিখোঁজ সেঁজুতির লাশ

নওগাঁয় চু’রির ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই স্বর্ণালংকার উদ্ধারসহ আ’টক-১

নওগাঁ শহরের কালিতলা এলাকায় একটি বাসা থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা চুরির ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্ত এক চোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে চুরি হওয়া চার ভরি স্বর্ণালংকার এবং ৪১ হাজার ৫০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৯ জুন) রাত ১১টার দিকে জেলা পুলিশের মিডিয়া গ্রুপে পাঠানো এক বার্তায় নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নওগাঁ শহরের কালিতলা এলাকার বাসিন্দা মো. আব্দুল হাকিম গত ১৮ জুন নওগাঁ সদর মডেল থানায় অভিযোগ করেন, সেদিন সকাল ১০টার দিকে অজ্ঞাতপরিচয় চোর বা চোরেরা তার বাসার দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষের তালা ভেঙে প্রবেশ করে চার ভরি স্বর্ণালংকার ও এক লাখ টাকা চুরি করে নিয়ে যায়।
অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় কালিতলা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক সুজনের নেতৃত্বে একটি দল তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়।
এরপর শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে অভিযান চালিয়ে নওগাঁ শহরের চকমোক্তার মাস্টারপাড়া এলাকা থেকে মুরাদ (২৮) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বজলুর রশিদের ছেলে।
গ্রেপ্তারের পর তার হেফাজত থেকে চুরি হওয়া চার ভরি স্বর্ণালংকার এবং ৪১ হাজার ৫০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থের একটি অংশ বাদীর বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, মুরাদ একজন পেশাদার চোর। তিনি একাই বিভিন্ন এলাকায় চুরির ঘটনা ঘটিয়ে থাকেন। অতীতেও তিনি বিভিন্ন স্থান থেকে স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান মালামাল চুরির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে একাধিক চুরির মামলা রয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং পুলিশের তৎপরতার ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই চুরির ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করা সম্ভব হয়েছে। অপরাধ দমনে নওগাঁ জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রার গোলাম মর্তুজা ও ফয়সাল সিন্ডিকেটে হয়রানি

নওগাঁয় চু’রির ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই স্বর্ণালংকার উদ্ধারসহ আ’টক-১

আপডেট সময় ১১:১৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
নওগাঁ শহরের কালিতলা এলাকায় একটি বাসা থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা চুরির ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্ত এক চোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে চুরি হওয়া চার ভরি স্বর্ণালংকার এবং ৪১ হাজার ৫০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৯ জুন) রাত ১১টার দিকে জেলা পুলিশের মিডিয়া গ্রুপে পাঠানো এক বার্তায় নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নওগাঁ শহরের কালিতলা এলাকার বাসিন্দা মো. আব্দুল হাকিম গত ১৮ জুন নওগাঁ সদর মডেল থানায় অভিযোগ করেন, সেদিন সকাল ১০টার দিকে অজ্ঞাতপরিচয় চোর বা চোরেরা তার বাসার দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষের তালা ভেঙে প্রবেশ করে চার ভরি স্বর্ণালংকার ও এক লাখ টাকা চুরি করে নিয়ে যায়।
অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় কালিতলা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক সুজনের নেতৃত্বে একটি দল তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়।
এরপর শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে অভিযান চালিয়ে নওগাঁ শহরের চকমোক্তার মাস্টারপাড়া এলাকা থেকে মুরাদ (২৮) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বজলুর রশিদের ছেলে।
গ্রেপ্তারের পর তার হেফাজত থেকে চুরি হওয়া চার ভরি স্বর্ণালংকার এবং ৪১ হাজার ৫০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থের একটি অংশ বাদীর বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, মুরাদ একজন পেশাদার চোর। তিনি একাই বিভিন্ন এলাকায় চুরির ঘটনা ঘটিয়ে থাকেন। অতীতেও তিনি বিভিন্ন স্থান থেকে স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান মালামাল চুরির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে একাধিক চুরির মামলা রয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং পুলিশের তৎপরতার ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই চুরির ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করা সম্ভব হয়েছে। অপরাধ দমনে নওগাঁ জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।