সংবাদ শিরোনাম ::
অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করলো আমিরাত বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নীলফামারীতে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, সম্মাননা দেয়া হলো তিনটি স্কুলকে আত্রাইয়ে ৫০ জাতের দেশীয় ফলের প্রদর্শনী নিয়ে ব্যতিক্রমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত নি’হ’ত নন্দিনীর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছুটে গেলেন ত্রাণমন্ত্রী ঝালকাঠি পৌর প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলায় ৯নং ওয়ার্ডের জয় কালিহাতীতে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

উত্তর বাড্ডায় মাসুমের মাদক ব্যবসা এলাকাজুড়ে ক্ষোভ

রাজধানীর উত্তর বাড্ডা ও আশপাশের এলাকায় মাদক ব্যবসার বিস্তার নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও একাধিক সূত্রের অভিযোগ, ‘মাসুম’ নামে এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মাদক সরবরাহ ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য পাওয়া যায়নি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করা হয়নি।
উত্তর বাড্ডা, পূর্বাঞ্চল, আদর্শনগর, গুলশান, বনানী এবং মহাখালী ডিওএইচএস এলাকাজুড়ে মাদক সরবরাহের একটি নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে। এই নেটওয়ার্কের অন্যতম সমন্বয়কারী হিসেবে মাসুমের নাম বিভিন্ন সময়ে উঠে এসেছে।
মাদক ব্যবসার কারণে এলাকার তরুণ সমাজের একটি অংশ ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। মাদক সহজলভ্য হওয়ার ফলে শিক্ষার্থী ও যুবকদের মধ্যে আসক্তির প্রবণতা বাড়ছে। অনেক অভিভাবকও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “রাতে বিভিন্ন সময়ে অপরিচিত লোকজনের যাতায়াত দেখা যায়। এলাকায় অনেকেই মনে করেন, এর পেছনে মাদক লেনদেনের বিষয় থাকতে পারে। আমরা চাই প্রশাসন বিষয়টি খতিয়ে দেখুক।”
মাসুম বিভিন্ন ব্যক্তির মাধ্যমে মাদক সংগ্রহ করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করেন। স্থানীয় সূত্রগুলো দাবি করে, সরাসরি লেনদেনের পাশাপাশি মধ্যস্থতাকারী ব্যবহার করে মাদক পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য কোনো নথি বা প্রমাণ প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি।
এলাকার কয়েকজন বাসিন্দার ভাষ্য, মাদক সরবরাহে একাধিক সহযোগী জড়িত থাকতে পারে। অভিযোগ রয়েছে, কিছু ব্যক্তি নিয়মিত বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করে এবং তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে। তবে কারও বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বা আদালতে প্রমাণিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের আরেকটি অভিযোগ হলো, মাদক ব্যবসার অর্থ ব্যবহার করে কিছু ব্যক্তি অস্বাভাবিক দ্রুত আর্থিক উন্নতি করছেন। তাদের দাবি, কয়েক বছরের ব্যবধানে জীবনযাত্রার মানে বড় পরিবর্তন এসেছে। তবে এসব পরিবর্তনের উৎস সম্পর্কে কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন বা আদালতের পর্যবেক্ষণ এখনো প্রকাশিত হয়নি।
সামাজিকভাবে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ বাড়লেও অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে অনিচ্ছুক। তাদের আশঙ্কা, অভিযোগ প্রকাশ করলে তারা বিভিন্ন ধরনের হয়রানি বা চাপের মুখে পড়তে পারেন। ফলে অনেক তথ্য কেবল অনানুষ্ঠানিকভাবে প্রচারিত হচ্ছে।
স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের মতে, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেই তাকে অপরাধী বলা যায় না। একই সঙ্গে অভিযোগগুলো উপেক্ষা করাও উচিত নয়। তারা মনে করেন, বিষয়গুলো নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।
একজন সমাজকর্মী বলেন, “মাদক একটি সামাজিক ব্যাধি। কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত করতে হবে। গুজব বা ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে যেন কাউকে হয়রানি করা না হয়, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।”
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, মাদক-সংক্রান্ত অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। এ ধরনের অভিযোগের ক্ষেত্রে তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ, আর্থিক লেনদেন বিশ্লেষণ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনে গোয়েন্দা তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা নির্ধারণ করা উচিত।
তারা বলেন, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বা জনসমক্ষে অভিযোগ তোলার আগে যথাযথ তথ্য-প্রমাণ থাকা জরুরি। অন্যথায় নিরপরাধ কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। একই সঙ্গে প্রকৃত অপরাধী থাকলে তাকে আইনের আওতায় আনাও জরুরি।
এলাকাবাসীর একাংশের দাবি, মাদকবিরোধী অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হলে প্রকৃত পরিস্থিতি স্পষ্ট হবে। তারা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে উত্তর বাড্ডা, পূর্বাঞ্চল, আদর্শনগর এবং আশপাশের এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান দিয়ে মাদক সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং স্থানীয় নেতৃত্বকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তরুণদের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি করাও গুরুত্বপূর্ণ।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে মাসুমের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। তার সঙ্গে যোগাযোগের কোনো নির্ভরযোগ্য উপায় পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলোর বিষয়ে তার প্রতিক্রিয়া এই প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়নি।
সংশ্লিষ্ট থানার একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “সুনির্দিষ্ট তথ্য বা অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদক-সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়।”
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত হবে এবং সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত না হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম অযথা বিতর্কে জড়ানো থেকেও বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল।
মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর নজরদারি এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে উত্তর বাড্ডাসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকাকে নিরাপদ রাখার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তাদের মতে, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর প্রভাব নয়, আইনের শাসনই হতে পারে এ সমস্যার টেকসই সমাধান।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের

উত্তর বাড্ডায় মাসুমের মাদক ব্যবসা এলাকাজুড়ে ক্ষোভ

আপডেট সময় ০১:২২:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

রাজধানীর উত্তর বাড্ডা ও আশপাশের এলাকায় মাদক ব্যবসার বিস্তার নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও একাধিক সূত্রের অভিযোগ, ‘মাসুম’ নামে এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মাদক সরবরাহ ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য পাওয়া যায়নি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করা হয়নি।
উত্তর বাড্ডা, পূর্বাঞ্চল, আদর্শনগর, গুলশান, বনানী এবং মহাখালী ডিওএইচএস এলাকাজুড়ে মাদক সরবরাহের একটি নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে। এই নেটওয়ার্কের অন্যতম সমন্বয়কারী হিসেবে মাসুমের নাম বিভিন্ন সময়ে উঠে এসেছে।
মাদক ব্যবসার কারণে এলাকার তরুণ সমাজের একটি অংশ ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। মাদক সহজলভ্য হওয়ার ফলে শিক্ষার্থী ও যুবকদের মধ্যে আসক্তির প্রবণতা বাড়ছে। অনেক অভিভাবকও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “রাতে বিভিন্ন সময়ে অপরিচিত লোকজনের যাতায়াত দেখা যায়। এলাকায় অনেকেই মনে করেন, এর পেছনে মাদক লেনদেনের বিষয় থাকতে পারে। আমরা চাই প্রশাসন বিষয়টি খতিয়ে দেখুক।”
মাসুম বিভিন্ন ব্যক্তির মাধ্যমে মাদক সংগ্রহ করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করেন। স্থানীয় সূত্রগুলো দাবি করে, সরাসরি লেনদেনের পাশাপাশি মধ্যস্থতাকারী ব্যবহার করে মাদক পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য কোনো নথি বা প্রমাণ প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি।
এলাকার কয়েকজন বাসিন্দার ভাষ্য, মাদক সরবরাহে একাধিক সহযোগী জড়িত থাকতে পারে। অভিযোগ রয়েছে, কিছু ব্যক্তি নিয়মিত বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করে এবং তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে। তবে কারও বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বা আদালতে প্রমাণিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের আরেকটি অভিযোগ হলো, মাদক ব্যবসার অর্থ ব্যবহার করে কিছু ব্যক্তি অস্বাভাবিক দ্রুত আর্থিক উন্নতি করছেন। তাদের দাবি, কয়েক বছরের ব্যবধানে জীবনযাত্রার মানে বড় পরিবর্তন এসেছে। তবে এসব পরিবর্তনের উৎস সম্পর্কে কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন বা আদালতের পর্যবেক্ষণ এখনো প্রকাশিত হয়নি।
সামাজিকভাবে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ বাড়লেও অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে অনিচ্ছুক। তাদের আশঙ্কা, অভিযোগ প্রকাশ করলে তারা বিভিন্ন ধরনের হয়রানি বা চাপের মুখে পড়তে পারেন। ফলে অনেক তথ্য কেবল অনানুষ্ঠানিকভাবে প্রচারিত হচ্ছে।
স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের মতে, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেই তাকে অপরাধী বলা যায় না। একই সঙ্গে অভিযোগগুলো উপেক্ষা করাও উচিত নয়। তারা মনে করেন, বিষয়গুলো নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।
একজন সমাজকর্মী বলেন, “মাদক একটি সামাজিক ব্যাধি। কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত করতে হবে। গুজব বা ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে যেন কাউকে হয়রানি করা না হয়, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।”
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, মাদক-সংক্রান্ত অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। এ ধরনের অভিযোগের ক্ষেত্রে তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ, আর্থিক লেনদেন বিশ্লেষণ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনে গোয়েন্দা তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা নির্ধারণ করা উচিত।
তারা বলেন, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বা জনসমক্ষে অভিযোগ তোলার আগে যথাযথ তথ্য-প্রমাণ থাকা জরুরি। অন্যথায় নিরপরাধ কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। একই সঙ্গে প্রকৃত অপরাধী থাকলে তাকে আইনের আওতায় আনাও জরুরি।
এলাকাবাসীর একাংশের দাবি, মাদকবিরোধী অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হলে প্রকৃত পরিস্থিতি স্পষ্ট হবে। তারা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে উত্তর বাড্ডা, পূর্বাঞ্চল, আদর্শনগর এবং আশপাশের এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান দিয়ে মাদক সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং স্থানীয় নেতৃত্বকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তরুণদের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি করাও গুরুত্বপূর্ণ।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে মাসুমের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। তার সঙ্গে যোগাযোগের কোনো নির্ভরযোগ্য উপায় পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলোর বিষয়ে তার প্রতিক্রিয়া এই প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়নি।
সংশ্লিষ্ট থানার একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “সুনির্দিষ্ট তথ্য বা অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদক-সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়।”
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত হবে এবং সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত না হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম অযথা বিতর্কে জড়ানো থেকেও বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল।
মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর নজরদারি এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে উত্তর বাড্ডাসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকাকে নিরাপদ রাখার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তাদের মতে, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর প্রভাব নয়, আইনের শাসনই হতে পারে এ সমস্যার টেকসই সমাধান।