ঢাকা সরকারি কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মাদ মাহবুব ই রাব্বানীকে ঘিরে সম্প্রতি বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি সরকারি পদে থেকে প্রভাব খাটিয়ে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জন করেছেন এবং এসব সম্পদের একটি অংশ স্ত্রীর নামে সংরক্ষণ করা হয়েছে।স্থানীয় ও বিভিন্ন সূত্রের দাবি, তার পরিবারের নামে থাকা কিছু সম্পদের উৎস ও অর্জন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্যও তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
আলোচিত সম্পদের বিবরণ (স্ত্রীর নামে) বাসা: ৩/৯, ব্লক-সি, লালমাটিয়া, ঢাকাআনুমানিক বাজার মূল্য: প্রায় ২ কোটি টাকা ধানমন্ডি, রামচন্দ্রপুরজোত নং: ১২৫/৫৭পরিমাণ: ৬.৬ শতক ক্যান্টনমেন্ট, মৌজা: জোয়ার সাহারাজোত নং: ২৭/২৪০পরিমাণ: ৮.২৫ শতক লালমাটিয়া আবাসিক এলাকাজোত নং: ৭২/৯পরিমাণ: ০.৮২৫ অজুতাংশ ব্যক্তিগত গাড়িএকটি প্রাইভেট কার আলোচনার বিষয়স্থানীয়দের একাংশের দাবি, সরকারি চাকরির আয়ের সঙ্গে আলোচিত সম্পদের পরিমাণের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
তাদের মতে, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের স্বচ্ছ তদন্ত হওয়া উচিত। পারিবারিক তথ্যস্ত্রী: মুরশিদা বেগম (আলোচিত সম্পদের আইনি মালিক হিসেবে উল্লেখিত)পিতা: মুন্সি মোহাম্মাদ আলীমাতা: জাহানারা বেগম জনসাধারণের প্রত্যাশাসচেতন নাগরিকদের মতে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পদের উৎস সম্পর্কে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। অভিযোগের বিষয়ে যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন তারা।
বিশেষ প্রতিনিধি 





















