ঢাকা ০৯:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভাগ্নি-জামাই-ভাগিনা’দের দাপটে সক্রিয় আওয়ামী দুর্নীতিবাজরা দক্ষিণ আফ্রিকায় পরিত্যক্ত খনিতে ঢুকে ১৪ জনের মৃত্যু আউটসোর্সিং ঠিকাদার প্রথা বাতিল না হলে শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত হবে না: শিমুল বিশ্বাস মির্জাপুরে নবাগত ইউএনও হিসেবে জহিরুল আলমের যোগদান ৩ জন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদকে পবিপ্রবি’র রিজেন্ট বোর্ডের সদস্য মনোনয়ন দিলেন চ্যান্সেলর আদিতমারীতে সার আইন লঙ্ঘনে ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা ৫ মাদরাসায় শতভাগ ফেল করায় সিসিটিভিকে দায়ী করলেন অধ্যক্ষ কম্ব্যাট পাইলট হয়ে দেশ ও জাতির সেবা করতে চায় জুয়ারিয়া ১৮ আগস্ট থেকে কুমিল্লায় মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান, ‘কাউকে ছাড় নয়’ ধামরাইয়ে রাইস মিল ও ৩ মিষ্টির দোকানকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা

নওগাঁয় ইলেকট্রনিক্স পণ্য ব্যবসায়ীকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার-২

নওগাঁয় পুরাতন মোবাইল ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসময় নিহত শফিকুলের ব্যবহৃত দুটি মোবাইল,একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা হয় দেশীয় অস্ত্রও।
শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে সদর মডেল থানায় সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।শফিকুল ইসলাম জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার তিলকপুর গ্রামের আজিজার রহমানের ছেলে। তিনি পুরাতন মোবাইল ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য ব্যাবসা করতেন।
গ্রেফতাররা হলেন, নওগাঁ সদর উপজেলার ভিমপুর পাঠাকাটা এলাকার সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে জয়নুল (৩৫) ও মান্দা উপজেলার সতীহাট শ্রীরামপুর এলাকার এরশাদ আলীর ছেলে আশরাফুল (২৬)।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, গত বৃহস্পতিবার সদর উপজেলার বারমাসি বিলে কচুরিপানার নিচ থেকে শফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়। শফিকুলের পুরাতন মোবাইল ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য ব্যবসার লোভ এবং ব্যবসায় কিছুটা লাভবান হওয়ায় ঈর্ষান্বিত হয়ে তার পূর্বপরিচিত জয়নুল, আশরাফুলসহ তিনজন গত (৭ জুন) মান্দার সুতিহাটে শফিকুলকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী ৮ জুন শফিকুলকে ভীমপুর কলেজ মোড়ে আসতে বলেন। পরে সেখান থেকে দুইটি মোটরসাইকেলে করে বারোমাসি বিল পাড় ঘাটি ব্রিজে চলে যান তারা। সেখানে হঠাৎ করে পেছন থেকে এক পলাতক আসামি রশি দিয়ে শফিকুলের গলায় টান দেয়। টান দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার আসামি জয়নুল হাত ও আশরাফুল পা চেপে ধরেন। তারপর শফিকুল নিস্তেজ হয়ে গেলে তার মৃত্যু নিশ্চিত করতে তারা তিনজন পানিতে ডুবিয়ে কচুরিপানা দিয়ে ঢেকে রেখে মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যান।
পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম বলেন, লাশ উদ্ধারের পর হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে তদন্তে নামে পুলিশের একটি টিম। তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকা জয়নুলকে প্রথমে শহরের এক এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে মান্দা উপজেলা থেকে আশরাফুলকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর জয়নুল এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা স্বীকার করেছেন। হত্যার পর কাছে থাকা ১৫০০ টাকা তিনজন ভাগাভাগি করে শফিকুলের মোটরসাইকেল নিয়ে যান তারা।
সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, জয়ব্রত পাল ও সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামানসহ পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাগ্নি-জামাই-ভাগিনা’দের দাপটে সক্রিয় আওয়ামী দুর্নীতিবাজরা

নওগাঁয় ইলেকট্রনিক্স পণ্য ব্যবসায়ীকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার-২

আপডেট সময় ০৯:২২:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
নওগাঁয় পুরাতন মোবাইল ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসময় নিহত শফিকুলের ব্যবহৃত দুটি মোবাইল,একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা হয় দেশীয় অস্ত্রও।
শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে সদর মডেল থানায় সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।শফিকুল ইসলাম জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার তিলকপুর গ্রামের আজিজার রহমানের ছেলে। তিনি পুরাতন মোবাইল ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য ব্যাবসা করতেন।
গ্রেফতাররা হলেন, নওগাঁ সদর উপজেলার ভিমপুর পাঠাকাটা এলাকার সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে জয়নুল (৩৫) ও মান্দা উপজেলার সতীহাট শ্রীরামপুর এলাকার এরশাদ আলীর ছেলে আশরাফুল (২৬)।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, গত বৃহস্পতিবার সদর উপজেলার বারমাসি বিলে কচুরিপানার নিচ থেকে শফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়। শফিকুলের পুরাতন মোবাইল ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য ব্যবসার লোভ এবং ব্যবসায় কিছুটা লাভবান হওয়ায় ঈর্ষান্বিত হয়ে তার পূর্বপরিচিত জয়নুল, আশরাফুলসহ তিনজন গত (৭ জুন) মান্দার সুতিহাটে শফিকুলকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী ৮ জুন শফিকুলকে ভীমপুর কলেজ মোড়ে আসতে বলেন। পরে সেখান থেকে দুইটি মোটরসাইকেলে করে বারোমাসি বিল পাড় ঘাটি ব্রিজে চলে যান তারা। সেখানে হঠাৎ করে পেছন থেকে এক পলাতক আসামি রশি দিয়ে শফিকুলের গলায় টান দেয়। টান দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার আসামি জয়নুল হাত ও আশরাফুল পা চেপে ধরেন। তারপর শফিকুল নিস্তেজ হয়ে গেলে তার মৃত্যু নিশ্চিত করতে তারা তিনজন পানিতে ডুবিয়ে কচুরিপানা দিয়ে ঢেকে রেখে মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যান।
পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম বলেন, লাশ উদ্ধারের পর হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে তদন্তে নামে পুলিশের একটি টিম। তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকা জয়নুলকে প্রথমে শহরের এক এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে মান্দা উপজেলা থেকে আশরাফুলকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর জয়নুল এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা স্বীকার করেছেন। হত্যার পর কাছে থাকা ১৫০০ টাকা তিনজন ভাগাভাগি করে শফিকুলের মোটরসাইকেল নিয়ে যান তারা।
সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, জয়ব্রত পাল ও সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামানসহ পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।