ঢাকা ০২:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে সরকারি গাড়ি নেননি ১৫ প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতি পদে অলি আহমদের মনোনয়ন দুটি কেন? গোয়াইনঘাটে বিএনপি নেতা স্বপন-মান্নানের থাবায় তছনছ পিয়াইন নদী ধামরাইয়ে ‘ফ্যামিলি কার্ডের নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ মহিলা দল সভাপতির বিরুদ্ধে রাজশাহী বিভাগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী কালিহাতীতে জসিম খানের নিজ অর্থায়নে গাছের চারা বিতরণ নওগাঁয় মেয়েকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ প্রেসক্লাব গংগাচড়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে এমপির মতবিনিময়  ফরিদপুরে ছেঁড়া-ফাটা ও অতি পুরাতন টাকায় চরম ভোগান্তি  শাহরাস্তিতে দিনব্যাপী সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন

কৃষকদের দোরগোড়ায় শেষ সেবাসাতক্ষীরা বিএডিসির নতুন সিটিজেন চার্টার প্রকাশ

সাতক্ষীরা অঞ্চলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, আধুনিক সেচ প্রযুক্তির বিস্তার এবং কৃষকদের দ্রুত সেবা নিশ্চিত করতে নতুন ‘সিটিজেনস চার্টার’ (নাগরিক সেবা সনদ) প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)-এর সেচ বিভাগ। “কৃষিই সমৃদ্ধি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মানসম্পন্ন কৃষি উপকরণ যোগান এবং দক্ষ সেচ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে এই চার্টার প্রকাশ করা হয়েছে।
​বিএডিসি সাতক্ষীরা জোন অফিস সূত্রে জানা গেছে, এই চার্টারের মাধ্যমে মোট ১০টি গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক সেবা সুনির্দিষ্ট নিয়মের মধ্যে নিয়ে আসা হয়েছে। এখন থেকে কৃষকরা খুব সহজেই জানতে পারবেন কোন সেবার জন্য কী কী কাগজপত্র লাগবে, তার সরকারি খরচ কত এবং কত দিনের মধ্যে সেবা পাওয়া যাবে।
​চার্টারে উল্লিখিত প্রধান সেবাসমূহ:
​এলএলপি পাম্প ও সোলার এয়ারেটর স্থাপন: নদী বা খাল থেকে সেচ কাজের জন্য ১-কিউসেক ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুৎ চালিত পাম্প এবং সোলার এয়ারেটর স্কীম চালুর জন্য কৃষক গ্রুপ থেকে আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে।
​ভূ-গর্ভস্থ পানির অপচয় রোধ ও ডাগওয়েল স্থাপন: পরিবেশবান্ধব সেচ নিশ্চিতে ডাগওয়েল ও সোলার প্যানেল স্থাপন এবং পানির অপচয় রোধে ভূ-গর্ভস্থ নালা নির্মাণের সুযোগ থাকছে।
​বিনামূল্যে পানি পরীক্ষা: কৃষকরা তাদের সেচের পানির গুণগত মান (আর্সেনিক, আয়রন, লবণাক্ততা, পিএইচ ইত্যাদি) বিএডিসি’র পরীক্ষাগার থেকে মাত্র ১ থেকে ২ কার্যদিবসের মধ্যে বিনামূল্যে পরীক্ষা করিয়ে নিতে পারবেন।
​লাইসেন্স ও গভীর নলকূপ পুনঃস্থাপন: সেচযন্ত্রের লাইসেন্স প্রদান এবং গভীর নলকূপ পুনঃস্থাপনের কাজও এই চার্টারের আওতাভুক্ত করা হয়েছে।
​আবেদন পদ্ধতি ও খরচ:
​সেবা পেতে হলে আগ্রহী কৃষক গ্রুপকে জমির পর্চা, রেজুলেশন এবং স্কীম ম্যাপসহ নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। চার্টার অনুযায়ী, সেচযন্ত্র ও বিভিন্ন স্কীম ভেদে পার্টিসিপেশন ফি ২০০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৬০,০০০ টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে, যা পে-অর্ডার বা ডিডির মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে। বেশিরভাগ সেবা সেচ কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে ১ থেকে ৩ মাসের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে।
​বিএডিসি কর্তৃপক্ষের বার্তা: > “আমাদের মূল মিশন হলো ভূ-উপরিস্থ পানির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা, জলাবদ্ধতা দূর করা এবং কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তির সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। এই সিটিজেনস চার্টারটি সেচ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বড় ভূমিকা রাখবে।”
​সেচ সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য কৃষকদের সরাসরি স্থানীয় ইউনিট অফিস অথবা সাতক্ষীরা জোন অফিসে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করা হয়েছে।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে সরকারি গাড়ি নেননি ১৫ প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা

কৃষকদের দোরগোড়ায় শেষ সেবাসাতক্ষীরা বিএডিসির নতুন সিটিজেন চার্টার প্রকাশ

আপডেট সময় ০৮:৩৫:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬
সাতক্ষীরা অঞ্চলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, আধুনিক সেচ প্রযুক্তির বিস্তার এবং কৃষকদের দ্রুত সেবা নিশ্চিত করতে নতুন ‘সিটিজেনস চার্টার’ (নাগরিক সেবা সনদ) প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)-এর সেচ বিভাগ। “কৃষিই সমৃদ্ধি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মানসম্পন্ন কৃষি উপকরণ যোগান এবং দক্ষ সেচ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে এই চার্টার প্রকাশ করা হয়েছে।
​বিএডিসি সাতক্ষীরা জোন অফিস সূত্রে জানা গেছে, এই চার্টারের মাধ্যমে মোট ১০টি গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক সেবা সুনির্দিষ্ট নিয়মের মধ্যে নিয়ে আসা হয়েছে। এখন থেকে কৃষকরা খুব সহজেই জানতে পারবেন কোন সেবার জন্য কী কী কাগজপত্র লাগবে, তার সরকারি খরচ কত এবং কত দিনের মধ্যে সেবা পাওয়া যাবে।
​চার্টারে উল্লিখিত প্রধান সেবাসমূহ:
​এলএলপি পাম্প ও সোলার এয়ারেটর স্থাপন: নদী বা খাল থেকে সেচ কাজের জন্য ১-কিউসেক ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুৎ চালিত পাম্প এবং সোলার এয়ারেটর স্কীম চালুর জন্য কৃষক গ্রুপ থেকে আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে।
​ভূ-গর্ভস্থ পানির অপচয় রোধ ও ডাগওয়েল স্থাপন: পরিবেশবান্ধব সেচ নিশ্চিতে ডাগওয়েল ও সোলার প্যানেল স্থাপন এবং পানির অপচয় রোধে ভূ-গর্ভস্থ নালা নির্মাণের সুযোগ থাকছে।
​বিনামূল্যে পানি পরীক্ষা: কৃষকরা তাদের সেচের পানির গুণগত মান (আর্সেনিক, আয়রন, লবণাক্ততা, পিএইচ ইত্যাদি) বিএডিসি’র পরীক্ষাগার থেকে মাত্র ১ থেকে ২ কার্যদিবসের মধ্যে বিনামূল্যে পরীক্ষা করিয়ে নিতে পারবেন।
​লাইসেন্স ও গভীর নলকূপ পুনঃস্থাপন: সেচযন্ত্রের লাইসেন্স প্রদান এবং গভীর নলকূপ পুনঃস্থাপনের কাজও এই চার্টারের আওতাভুক্ত করা হয়েছে।
​আবেদন পদ্ধতি ও খরচ:
​সেবা পেতে হলে আগ্রহী কৃষক গ্রুপকে জমির পর্চা, রেজুলেশন এবং স্কীম ম্যাপসহ নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। চার্টার অনুযায়ী, সেচযন্ত্র ও বিভিন্ন স্কীম ভেদে পার্টিসিপেশন ফি ২০০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৬০,০০০ টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে, যা পে-অর্ডার বা ডিডির মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে। বেশিরভাগ সেবা সেচ কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে ১ থেকে ৩ মাসের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে।
​বিএডিসি কর্তৃপক্ষের বার্তা: > “আমাদের মূল মিশন হলো ভূ-উপরিস্থ পানির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা, জলাবদ্ধতা দূর করা এবং কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তির সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। এই সিটিজেনস চার্টারটি সেচ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বড় ভূমিকা রাখবে।”
​সেচ সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য কৃষকদের সরাসরি স্থানীয় ইউনিট অফিস অথবা সাতক্ষীরা জোন অফিসে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করা হয়েছে।