ঢাকা ০৩:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে সরকারি গাড়ি নেননি ১৫ প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতি পদে অলি আহমদের মনোনয়ন দুটি কেন? গোয়াইনঘাটে বিএনপি নেতা স্বপন-মান্নানের থাবায় তছনছ পিয়াইন নদী ধামরাইয়ে ‘ফ্যামিলি কার্ডের নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ মহিলা দল সভাপতির বিরুদ্ধে রাজশাহী বিভাগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী কালিহাতীতে জসিম খানের নিজ অর্থায়নে গাছের চারা বিতরণ নওগাঁয় মেয়েকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ প্রেসক্লাব গংগাচড়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে এমপির মতবিনিময়  ফরিদপুরে ছেঁড়া-ফাটা ও অতি পুরাতন টাকায় চরম ভোগান্তি  শাহরাস্তিতে দিনব্যাপী সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন

লামার ফাঁসিয়াখালীর ফেতাইন্যাছড়া এলাকা যেন আরেক ‘সলিমপুর’ যেখানে পুলিশ যেতে ভয় পাই!

লামার ফাঁসিয়াখালীর ফেতাইন্যাছড়া এলাকা যেন আরেক ‘সলিমপুর’ যেখানে পুলিশ যেতে ভয় পাই! বান্দরবানের লামা উপজেলার ৩ নং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড কুমারী পুলিশ ফাঁড়ির পেছনে ফেতাইন্যাছড়া এলাকায় চলছে অবৈধ বালু উত্তোলন ও বালু পাচারের হিড়িক বেপরোয়া হয়ে উঠেছে, অবৈধ বালুখেকো সিন্ডিকেট চক্রের সদস্যরা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখে যায়,ফেতাইন্যাছড়া এলাকায় প্রকাশ্যে দিন রাত অবৈধ বালু উত্তোলন ও পাচার কার্যক্রমে ব্যস্ত সময় পার করছে রাজনৈতিক নেতাদের সএছায়ার আড়ালে থাকা বালুখেকো সিন্ডিকেট চক্র।

স্থানীয়রা জানান, কুমারী পুলিশ ফাঁড়ি যোগসাজশে ও রাজনৈতিক নেতাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন এবং পাচারকারী সিন্ডিকেট চক্রের সদস্যরা দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে, যদি কেউ তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলে প্রশাসন কিংবা সাংবাদিকদের কাছে কোন অভিযোগ করে তাহলে এরা আমাদের মৃত্যুর হুমকি দিয়ে যায়। তারা আরো জানান, এই বালু উত্তোলনের ফলে আমাদের ঘর-বাড়ি ও চাষের জমি পর্যন্ত এখন ধ্বংস হওয়ার পথে রয়েছে ।

সচেতন সুশীল সমাজের প্রশ্ন..? কুমারী পুলিশ ফাঁড়ি প্রশাসন এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের চেয়েও কি অধিক ক্ষমতাধারী এই অবৈধ বালু উত্তোলন ও পাচারকারি সিন্ডিকেট চক্রের সদস্যরা, নাকি প্রশাসন চোখে কালো চশমা পড়ে আছে সবকিছু দেখেও যেন না দেখার বান করে রয়েছে..!!

উল্লেখ্য যে,লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ০৪নং ওয়ার্ডের পেতাইন্যাছড়া এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগের পর, অভিযান পরিচালনা করে ৬ জন বালু পাচারকারিকে ০৬ মাসের সাজা প্রদান করেছিলেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযান পরিচালনা নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুপায়ন দেব।

লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. মঈন উদ্দিন জানান,পরিবেশ ধ্বংসকারী ও অবৈধ বালু উত্তোলন এবং পাচারকারী সিন্ডিকেট চক্রের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে,পরিবেশ ধ্বংসকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে সরকারি গাড়ি নেননি ১৫ প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা

লামার ফাঁসিয়াখালীর ফেতাইন্যাছড়া এলাকা যেন আরেক ‘সলিমপুর’ যেখানে পুলিশ যেতে ভয় পাই!

আপডেট সময় ১২:৫৪:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

লামার ফাঁসিয়াখালীর ফেতাইন্যাছড়া এলাকা যেন আরেক ‘সলিমপুর’ যেখানে পুলিশ যেতে ভয় পাই! বান্দরবানের লামা উপজেলার ৩ নং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড কুমারী পুলিশ ফাঁড়ির পেছনে ফেতাইন্যাছড়া এলাকায় চলছে অবৈধ বালু উত্তোলন ও বালু পাচারের হিড়িক বেপরোয়া হয়ে উঠেছে, অবৈধ বালুখেকো সিন্ডিকেট চক্রের সদস্যরা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখে যায়,ফেতাইন্যাছড়া এলাকায় প্রকাশ্যে দিন রাত অবৈধ বালু উত্তোলন ও পাচার কার্যক্রমে ব্যস্ত সময় পার করছে রাজনৈতিক নেতাদের সএছায়ার আড়ালে থাকা বালুখেকো সিন্ডিকেট চক্র।

স্থানীয়রা জানান, কুমারী পুলিশ ফাঁড়ি যোগসাজশে ও রাজনৈতিক নেতাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন এবং পাচারকারী সিন্ডিকেট চক্রের সদস্যরা দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে, যদি কেউ তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলে প্রশাসন কিংবা সাংবাদিকদের কাছে কোন অভিযোগ করে তাহলে এরা আমাদের মৃত্যুর হুমকি দিয়ে যায়। তারা আরো জানান, এই বালু উত্তোলনের ফলে আমাদের ঘর-বাড়ি ও চাষের জমি পর্যন্ত এখন ধ্বংস হওয়ার পথে রয়েছে ।

সচেতন সুশীল সমাজের প্রশ্ন..? কুমারী পুলিশ ফাঁড়ি প্রশাসন এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের চেয়েও কি অধিক ক্ষমতাধারী এই অবৈধ বালু উত্তোলন ও পাচারকারি সিন্ডিকেট চক্রের সদস্যরা, নাকি প্রশাসন চোখে কালো চশমা পড়ে আছে সবকিছু দেখেও যেন না দেখার বান করে রয়েছে..!!

উল্লেখ্য যে,লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ০৪নং ওয়ার্ডের পেতাইন্যাছড়া এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগের পর, অভিযান পরিচালনা করে ৬ জন বালু পাচারকারিকে ০৬ মাসের সাজা প্রদান করেছিলেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযান পরিচালনা নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুপায়ন দেব।

লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. মঈন উদ্দিন জানান,পরিবেশ ধ্বংসকারী ও অবৈধ বালু উত্তোলন এবং পাচারকারী সিন্ডিকেট চক্রের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে,পরিবেশ ধ্বংসকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।