কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসাসেবার মান ও সামগ্রিক দৃশ্যপট অল্প দিনেই বদলে গেছে। আর এই ইতিবাচক পরিবর্তনের নেপথ্যের কারিগর হলেন বর্তমান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডাঃ মো. শফিকুল ইসলাম। আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর কলারোয়ায় মানসম্মত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার যে অঙ্গীকার তিনি করেছিলেন, তা আজ বাস্তবে রূপ নিতে শুরু করেছে। তাঁর আন্তরিক প্রচেষ্টায় এ উপজেলার হাজার হাজার মানুষ এখন নিজ এলাকাতেই পাচ্ছেন উন্নত ও সুচিকিৎসা।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ডাঃ মো. শফিকুল ইসলাম যোগদানের পর থেকেই হাসপাতালের সাধারণ চিকিৎসা ব্যবস্থা, জরুরি বিভাগ ও ইনডোরের সেবার মান বাড়াতে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা, ডাক্তার ও স্টাফদের নিয়মিত উপস্থিতি এবং রোগীদের প্রতি আন্তরিক যত্ন নিশ্চিত করার ফলে সাধারণ মানুষের মাঝে সরকারি এই হাসপাতালটি নিয়ে আস্থা ফিরে এসেছে।
”তিনি শুধু একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তাই নন, বরং একজন মানবিক চিকিৎসক। তাঁর হাত ধরেই কলারোয়া হাসপাতালের চিকিৎসাসেবায় এক নতুন যুগের সূচনা হয়েছে।”
— হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা স্থানীয় সাধারণ মানুষ
অল্প দিনের মধ্যেই হাসপাতালের প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং সেবার মান বহুগুণ বৃদ্ধি করার কারণে কলারোয়া উপজেলায় এখন এক নামে সবাই চেনেন ডাঃ শফিকুল ইসলামকে। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি—সবাই একবাক্যে তাঁকে কলারোয়ার চিকিৎসা খাতের এক অনন্য “রোল মডেল” হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আগে সামান্য জটিলতা হলেই রোগীদের জেলা সদরে বা অন্য কোথাও রেফার করা হতো। কিন্তু বর্তমান ইউএইচএফপিও-র তদারকি ও দিকনির্দেশনায় হাসপাতালেই এখন অধিকাংশ রোগের উন্নত চিকিৎসা মিলছে। বিনামূল্যে সরকারি ওষুধ বিতরণ এবং রোগীদের সঠিক পরামর্শ দেওয়ার ক্ষেত্রেও এসেছে আমূল পরিবর্তন।
কলারোয়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা শতভাগ নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে ডাঃ মো. শফিকুল ইসলাম জানান, অবহেলিত ও প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় সঠিক চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়াই তাঁর মূল লক্ষ্য। কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে জেলার অন্যতম সেরা সেবা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
উপজেলার হাজার হাজার মানুষের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করা এই মানবিক চিকিৎসকের হাত ধরে কলারোয়ার স্বাস্থ্য খাতের এই অগ্রযাত্রা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় সচেতন মহলের।
কামরুজ্জামানের সাতক্ষীরা 





















