লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে জমিজমা নিয়ে বিরোধে রাতের আঁধারে অন্তঃসত্ত্বা আমেনা (৩০) ও তার স্বামী নিরব (৩৫) কে মারধরের অভিযোগ স্থানীয় আব্দুস সালাম মাঝি (৫০) এর পরিবারের বিরুদ্ধে।
২২ মে (শুক্রবার) দিবাগত রাত্রে মার্টিন ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের মহসিন ফরাজীর বাড়ীর সামনে ঘটনা ঘটে। বর্তমানে আহত স্বামী, স্ত্রী কমলনগন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
ভুক্তভোগীর নিরব বলেন, গত কাল রাতে আমি ফেনী থেকে আমার শশুর বাড়িতে যাওয়ার সময় আব্দুস সালাম মাঝির পরিবারের, জসিম, শাহিন, শাহানাজ, মাইনুর ও লিলুসহ কয়েকজন মিলে এলোপাতাড়ি মারধর শুরো করেন। চিকিৎসা শুনে আমার স্ত্রী এসে আমাকে ছাড়ায়ে নেন। তখন আমি দৌড়ে বাসায় চলে যায়। এ সময় আমার স্ত্রীকে তারা একা পেয়ে প্রচন্ড মারধর করেন। আমার স্ত্রী বেহুশ হয়ে পড়ে যান। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে আমার ১ মাসের স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা। তারা জেনে শুলে তার পেটে লাথি মারেন। এতে সে মারাত্মক ভাবে আহত হন। আমি তাদের বিচার চাই। এর আগেও আমাকে তারা মেরে পেলার হুমকি দেন। তাই আমি এ বিষয়ে থানায় একটি সাধারণ ডাইরি করি।
অন্তঃসত্ত্বা নারারী আমেনা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আব্দুস সালামের পরিবারের সাথে আমাদের ৪ গন্ডা জমি নিয়ে মামলা চলে। গতকাল রাতে তারা আমার স্বামীকে বাড়িতে আসার পথে মারধর করেন। আমি আসলে তারা আমাকেও প্রচন্ড মারধর করেন। এতে আমি প্রচন্ড পেটে আঘাত পেয়েছি। তারা আমাদের জমি না বুঝিয়ে দিয়ে আমাদের মারধর করেন এবং কেউ বললে তাদের হুমকি দেন।
স্থানীয়রা জানান, তাদের দু’পক্ষ অনেক দিন ধরে একে অপরের সাথে সাথে ঝগড়া করে আসছেন। বর্তমানে আদালত ও থানায় উভয় পক্ষের ৪টি মামলা রয়েছে
অভিযুক্ত আব্দুস সালাম মাঝি বলেন, গতকাল রাতে নিরব ও তার স্ত্রীসহ আমার নাতির রিক্সা চুরি করে নিতে এসেছিলো। তাই আমরা চোর ধরার জন্য তাদের ধাওয়া করি। কাউকে মারধর করা হয়নি। মারধরের বিষয় সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা।
কমলনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফরিদ আহমেদ বলেন, জমিজমা নিয়ে বিরোধের বিষয়টি থানায় অভিযোগ রয়েছে, কিন্তু মারামারির ঘটনা আমার জানা নেই। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
কমলনগর প্রতিনিধি 



















