ঢাকা ০১:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রাইম মিনিস্টার গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা প্রস্তুতিমূলক সভা  অপপ্রচার নয়-পুরো বক্তব্য শুনেই বিচার করুন-এমপি হাফিজ ইব্রাহিমের বক্তব্য বিকৃতি নিয়ে প্রতিবাদ দেশ পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন : প্রধানমন্ত্রী পরিচ্ছন্ন নগরী গড়তে ডিএসসিসির ৩২৭ কোটি টাকার মেগা কর্মসূচি সাবেক কাস্টমস কমিশনার হাফিজুর রহমানকে ঘিরে দুর্নীতি ও প্রভাব খাটানোর অভিযোগ ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে গ্যাস বিলে ৯৮২ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পেল দুদক অনিয়মকারীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে অগ্রণী ব্যাংক! পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী তানজীর সাইফের বিরুদ্ধে টেন্ডারে অনিয়ম ও কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ অভিযোগের মুখে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স এডি ইমরানের বিরুদ্ধে বেপরোয়া হুমকির অভিযোগ

বিশ্বকাপের নতুন গান নিয়ে অসন্তোষ, ক্ষুব্ধ ফুটবল ভক্তরা

  • ক্রীড়া ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৫:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
  • ৬০৩ বার পড়া হয়েছে

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের অফিশিয়াল থিম সং ‘গোলস’ প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে গানটি। বৃহস্পতিবার (২১ মে) গানটি মুক্তির পর ফুটবলপ্রেমীরা এর গানের কথা ও উপস্থাপনা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

ভক্তদের অভিযোগ, গানটি ফুটবল বিশ্বকাপের চিরচেনা আবেগ, ঐক্য ও উত্তেজনা তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছে। তাদের মতে, বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক ক্রীড়া আসরের জন্য এটি উপযুক্ত থিম সং নয়।

ব্ল্যাকপিঙ্ক ব্যান্ডের জনপ্রিয় কে-পপ তারকা লিসা, ব্রাজিলিয়ান গায়িকা আনিতা এবং নাইজেরিয়ান শিল্পী রেমা যৌথভাবে গানটি পরিবেশন করেছেন। ‘ট্রপকিল্যাজ’-এর প্রযোজনায় তৈরি এই গানে কে-পপ, ল্যাটিন পপ ও আফ্রোবিটসের সংমিশ্রণ ঘটানো হয়েছে। ভিডিওতে শিল্পীদের নৃত্য ও স্টাইলিশ পরিবেশনা প্রশংসা পেলেও গানটি ফুটবলপ্রেমীদের মন জয় করতে পারেনি।

বিশ্বকাপের থিম সং সাধারণত ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা, জাতীয় গর্ব এবং স্টেডিয়ামমুখী উন্মাদনাকে তুলে ধরে। তবে সমালোচকদের দাবি, ‘গোলস’ গানটিতে ফুটবলের চেয়ে ব্যক্তিগত জীবনধারা, সৌন্দর্য ও অর্থ-বিত্তের বিষয়গুলো বেশি গুরুত্ব পেয়েছে।

গানের কিছু লাইন, যেমন ‘আমার শরীর, আমার ফিট, আমার বন্ধুরা, আমার গাড়ি’ কিংবা ‘ক্লাবটা কিনে নাও, আমি এটা করি গল্পের খাতিরে’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকের মতে, এটি কোনো ফুটবল বিশ্বকাপের গান নয়; বরং একটি সাধারণ পপ বা ক্লাবসংগীতের মতো শোনায়।

এক ক্ষুব্ধ ফুটবল অনুরাগী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) লিখেছেন, “বিশ্বকাপ এমন একটি আয়োজন যেখানে বিশ্বের নানা প্রান্তের মানুষ একসঙ্গে আনন্দে মেতে ওঠে। অথচ এই গানে রোগা হওয়া, সুন্দরী হওয়া আর ধনী হওয়ার বিষয়গুলোই তুলে ধরা হয়েছে।”

অনেকে গানটির তুলনা করছেন অতীতের জনপ্রিয় বিশ্বকাপ সংগীতের সঙ্গে। ২০১০ সালের শাকিরার ‘ওয়াকা ওয়াকা’ এবং ২০২২ সালের বিটিএস তারকা জাংকুকের ‘ড্রিমার্স’-এর উদাহরণ টেনে তারা বলছেন, ‘গোলস’ সেই মানের ধারেকাছেও পৌঁছাতে পারেনি। এমনকি কেউ কেউ এটিকে ২০২২ সালের বিতর্কিত গান ‘টুকোহ টাকা’র চেয়েও দুর্বল বলে মন্তব্য করেছেন।

তবে সমালোচনার ঝড়ের মধ্যেও গানটির জনপ্রিয়তা কম নয়। ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউবে প্রকাশের অল্প সময়ের মধ্যেই ‘গোলস’-এর ভিউ ২৫ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। ফলে বিতর্ক ও সমালোচনার পাশাপাশি গানটি দর্শকদের উল্লেখযোগ্য আগ্রহও কাড়তে সক্ষম হয়েছে।
সূত্র : দ্য টেলিগ্রাফ

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রাইম মিনিস্টার গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা প্রস্তুতিমূলক সভা 

বিশ্বকাপের নতুন গান নিয়ে অসন্তোষ, ক্ষুব্ধ ফুটবল ভক্তরা

আপডেট সময় ০১:০৫:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের অফিশিয়াল থিম সং ‘গোলস’ প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে গানটি। বৃহস্পতিবার (২১ মে) গানটি মুক্তির পর ফুটবলপ্রেমীরা এর গানের কথা ও উপস্থাপনা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

ভক্তদের অভিযোগ, গানটি ফুটবল বিশ্বকাপের চিরচেনা আবেগ, ঐক্য ও উত্তেজনা তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছে। তাদের মতে, বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক ক্রীড়া আসরের জন্য এটি উপযুক্ত থিম সং নয়।

ব্ল্যাকপিঙ্ক ব্যান্ডের জনপ্রিয় কে-পপ তারকা লিসা, ব্রাজিলিয়ান গায়িকা আনিতা এবং নাইজেরিয়ান শিল্পী রেমা যৌথভাবে গানটি পরিবেশন করেছেন। ‘ট্রপকিল্যাজ’-এর প্রযোজনায় তৈরি এই গানে কে-পপ, ল্যাটিন পপ ও আফ্রোবিটসের সংমিশ্রণ ঘটানো হয়েছে। ভিডিওতে শিল্পীদের নৃত্য ও স্টাইলিশ পরিবেশনা প্রশংসা পেলেও গানটি ফুটবলপ্রেমীদের মন জয় করতে পারেনি।

বিশ্বকাপের থিম সং সাধারণত ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা, জাতীয় গর্ব এবং স্টেডিয়ামমুখী উন্মাদনাকে তুলে ধরে। তবে সমালোচকদের দাবি, ‘গোলস’ গানটিতে ফুটবলের চেয়ে ব্যক্তিগত জীবনধারা, সৌন্দর্য ও অর্থ-বিত্তের বিষয়গুলো বেশি গুরুত্ব পেয়েছে।

গানের কিছু লাইন, যেমন ‘আমার শরীর, আমার ফিট, আমার বন্ধুরা, আমার গাড়ি’ কিংবা ‘ক্লাবটা কিনে নাও, আমি এটা করি গল্পের খাতিরে’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকের মতে, এটি কোনো ফুটবল বিশ্বকাপের গান নয়; বরং একটি সাধারণ পপ বা ক্লাবসংগীতের মতো শোনায়।

এক ক্ষুব্ধ ফুটবল অনুরাগী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) লিখেছেন, “বিশ্বকাপ এমন একটি আয়োজন যেখানে বিশ্বের নানা প্রান্তের মানুষ একসঙ্গে আনন্দে মেতে ওঠে। অথচ এই গানে রোগা হওয়া, সুন্দরী হওয়া আর ধনী হওয়ার বিষয়গুলোই তুলে ধরা হয়েছে।”

অনেকে গানটির তুলনা করছেন অতীতের জনপ্রিয় বিশ্বকাপ সংগীতের সঙ্গে। ২০১০ সালের শাকিরার ‘ওয়াকা ওয়াকা’ এবং ২০২২ সালের বিটিএস তারকা জাংকুকের ‘ড্রিমার্স’-এর উদাহরণ টেনে তারা বলছেন, ‘গোলস’ সেই মানের ধারেকাছেও পৌঁছাতে পারেনি। এমনকি কেউ কেউ এটিকে ২০২২ সালের বিতর্কিত গান ‘টুকোহ টাকা’র চেয়েও দুর্বল বলে মন্তব্য করেছেন।

তবে সমালোচনার ঝড়ের মধ্যেও গানটির জনপ্রিয়তা কম নয়। ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউবে প্রকাশের অল্প সময়ের মধ্যেই ‘গোলস’-এর ভিউ ২৫ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। ফলে বিতর্ক ও সমালোচনার পাশাপাশি গানটি দর্শকদের উল্লেখযোগ্য আগ্রহও কাড়তে সক্ষম হয়েছে।
সূত্র : দ্য টেলিগ্রাফ