সংবাদ শিরোনাম ::
সানভিউ টাওয়ার্সের দখলবাজি: শতকোটি টাকার সরকারি জমি বেহাত মীর শাহে আলমের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে শিবগঞ্জের সমাজ ও শিক্ষার মানচিত্র অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করলো আমিরাত বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নীলফামারীতে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, সম্মাননা দেয়া হলো তিনটি স্কুলকে আত্রাইয়ে ৫০ জাতের দেশীয় ফলের প্রদর্শনী নিয়ে ব্যতিক্রমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত নি’হ’ত নন্দিনীর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছুটে গেলেন ত্রাণমন্ত্রী

রামপালে বেপরোয়া সুজন মজুমদারের অবৈধ বালি উত্তোলন বন্ধ করল প্রশাসন

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার ৬ নম্বর হুড়কা ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে ভূগর্ভস্থ মাটি বালুর স্তর  থেকে পাইপ লাইনের মাধ্যমে ড্রেজার মেশিন চালিয়ে অবৈধ বালি উত্তোলন করে বিক্রি করছেন সুজন মজুমদার।
এই সুজন মজুমদার একজন সাংবাদিক পরিচয় দানকারী চাঁদাবাজ, ভূমি দস্যু হিসাবে স্বীকৃত।  এলাকাবাসীর কাছে।  এই সুজন মজুমদার বিগত আওয়ামী লীগের আমলে হাবিবুন নাহার আওয়ামী লীগের এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেনের প্রভাব দেখিয়ে একইভাবে চাঁদাবাজি, ভূমি দস্যুতা এবং অফিসারদের  বিভিন্ন অভিযোগে জিম্মি করে টাকা উপার্জন করছে। উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা তাকে সহযোগিতা করতে বাধ্য হয়। স্বীকৃত চাঁদাবাজ হওয়া সত্ত্বেও,  প্রেসক্লাব রামপালের সাংবাদিক হিসাবে সুজন ও সবুর রানাকে উপজেলা  আইন-শৃঙ্খলা মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করার সুযোগ দেয় উপজেলা প্রশাসন।
হুড়কা এলাকাবাসীর অভিযোগ, বর্তমানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর ক্ষমতা ব্যবহার করে এলাকায় দখলবাজি ও চাঁদাবাজির সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে। এই চাদাবাজ সাংবাদিক সুজন মজুমদার ও সবুর রানা। উপজেলা প্রশাসন ও প্রতিমন্ত্রী মহোদয় এর আস্থাভাজন এই দুই জন সাংবাদিক সুজন মজুমদার ও সবুর রানা এদের কথায় প্রতিমন্ত্রী মহোদয় বিভিন্ন অফিসে  ফোন করে এদের বিষয়ে দেখার জন্য বিশেষভাবে বলেন। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে এরা সীমাহীন ক্ষমতা ব্যবহার করে  চাঁদাবাজি করে চলেছেন।
‎স্থানীয়দের অভিযোগ, হুড়কা ইউনিয়নের অতিপুর এলাকার মাছ চাষ ও কৃষিজমির পাশে ভেলার ওপর ড্রেজার মেশিন বসিয়ে অন্য মালিকের জমি জোর করে পাইপের মাধ্যমে পানি মিশ্রিতবালু তুলে জমিতে জমি ভরাট করা হচ্ছে। এতে  আসলেই জমির ক্ষতি হচ্ছে,   পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হওয়া এবং ধানের ক্ষেতে পলি জমে কৃষিজমির ক্ষতি হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি অফিসে ‎জমির মালিকের অভিযোগে প্রেক্ষিতে, রামপাল প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের কাছে এ ঘটন জানালে, সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে অবৈধ বালু উত্তোলনের ড্রেজার চলমান অবস্থায় দেখতে পান। এসময় ড্রেজার চালকের সঙ্গে কথা বললে তিনি মোবাইল ফোনে অভিযুক্ত সুজন মজুমদারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
‎সাংবাদিকদের উপস্থিতির বিষয়টি জানিয়ে চালক বলেন রামপাল প্রেসক্লাব এর সাংবাদিকবৃন্দ ও এলাকাবাসি এসে ড্রেজার বন্ধ করতে বলছে এখন আমি কি করবে, তখন ফোনের অপর প্রান্ত থেকে সুজন মজুমদার ড্রেজার চালু রাখার নির্দেশ দেন এবং  সাংবাদিক ও এলাকাবাসীদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন, কাউকে দেখার সময় নাই আপনি ড্রেজার চালু রাখেন কি হয় আমি দেখছি।
‎সরেজমিনে দেখা যায়, দিন-রাত ড্রেজার মেশিন চালিয়ে বালি উত্তোলনের কারণে আশপাশের কৃষিজমি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল। স্থানীয় কয়েকজন কৃষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, প্রতিবাদ করলে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রশাসনের নাম ব্যবহার করে ভয়ভীতি ও হুমকি দেয়।
 ওপর এক কৃষক বলেন,
‎“আমরা বাধা দিলে প্রশাসনের ভয় দেখায়, প্রতিমন্ত্রীর ভয় দেখায়,  দীর্ঘদিন চুপ ছিলাম। পরে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে এসে বিষয়টি তুলে ধরলে প্রশাসন ব্যবস্থা নেয়।”
‎রামপাল প্রেসক্লাব ক্লাবের সাংবাদিকরা ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে রামপাল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)-কে অবহিত করেন। পরে উপজেলা প্রশাসনের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ড্রেজার মেশিন অপসারণ ও অবৈধ বালি উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়।
‎উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়,
‎“অবৈধ বালু উত্তোলন দেশের পরিবেশ, নদী ও জননিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি। বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী অনুমোদনহীনভাবে বালু উত্তোলন দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
‎অভিযানের পর এলাকায় স্বস্তি ফিরেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে কৃষিজমি নষ্ট হওয়ায় ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছিল এবং অভিযুক্ত ব্যক্তি সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছিলেন।
‎পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ও কৃষি কর্মকর্তাদের মতে, অপরিকল্পিত ও অবৈধ বালি উত্তোলনের ফলে মাটির উর্বরতা নষ্ট হয়, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যায় এবং নদী-খালের স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হয়। এতে দীর্ঘমেয়াদে কৃষি উৎপাদন ও স্থানীয় জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ে।
‎এলাকাবাসী ও স্থানীয় সাংবাদিকরা আশা প্রকাশ করেছেন, প্রশাসনের এ অভিযান ধারাবাহিকভাবে চললে রামপাল উপজেলায়  কৃষিজমি ও ভূগর্ভস্থ মাটির স্তর ঠিক থাকবে এবং প্রকৃতি ও পরিবেশ সুরক্ষিত থাকবে।
মুঠোফোনে অভিযুক্ত সুজন মজুমদারের কাছে বিষয়টা জানতে চাইলে এ বিষয়টা সম্পূর্ণ অস্বীকার করে এবং রামপাল প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের গালাগালি করেন, এবং দেখে নেয়ার হুমকি দেন।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সানভিউ টাওয়ার্সের দখলবাজি: শতকোটি টাকার সরকারি জমি বেহাত

রামপালে বেপরোয়া সুজন মজুমদারের অবৈধ বালি উত্তোলন বন্ধ করল প্রশাসন

আপডেট সময় ১২:২৭:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার ৬ নম্বর হুড়কা ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে ভূগর্ভস্থ মাটি বালুর স্তর  থেকে পাইপ লাইনের মাধ্যমে ড্রেজার মেশিন চালিয়ে অবৈধ বালি উত্তোলন করে বিক্রি করছেন সুজন মজুমদার।
এই সুজন মজুমদার একজন সাংবাদিক পরিচয় দানকারী চাঁদাবাজ, ভূমি দস্যু হিসাবে স্বীকৃত।  এলাকাবাসীর কাছে।  এই সুজন মজুমদার বিগত আওয়ামী লীগের আমলে হাবিবুন নাহার আওয়ামী লীগের এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেনের প্রভাব দেখিয়ে একইভাবে চাঁদাবাজি, ভূমি দস্যুতা এবং অফিসারদের  বিভিন্ন অভিযোগে জিম্মি করে টাকা উপার্জন করছে। উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা তাকে সহযোগিতা করতে বাধ্য হয়। স্বীকৃত চাঁদাবাজ হওয়া সত্ত্বেও,  প্রেসক্লাব রামপালের সাংবাদিক হিসাবে সুজন ও সবুর রানাকে উপজেলা  আইন-শৃঙ্খলা মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করার সুযোগ দেয় উপজেলা প্রশাসন।
হুড়কা এলাকাবাসীর অভিযোগ, বর্তমানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর ক্ষমতা ব্যবহার করে এলাকায় দখলবাজি ও চাঁদাবাজির সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে। এই চাদাবাজ সাংবাদিক সুজন মজুমদার ও সবুর রানা। উপজেলা প্রশাসন ও প্রতিমন্ত্রী মহোদয় এর আস্থাভাজন এই দুই জন সাংবাদিক সুজন মজুমদার ও সবুর রানা এদের কথায় প্রতিমন্ত্রী মহোদয় বিভিন্ন অফিসে  ফোন করে এদের বিষয়ে দেখার জন্য বিশেষভাবে বলেন। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে এরা সীমাহীন ক্ষমতা ব্যবহার করে  চাঁদাবাজি করে চলেছেন।
‎স্থানীয়দের অভিযোগ, হুড়কা ইউনিয়নের অতিপুর এলাকার মাছ চাষ ও কৃষিজমির পাশে ভেলার ওপর ড্রেজার মেশিন বসিয়ে অন্য মালিকের জমি জোর করে পাইপের মাধ্যমে পানি মিশ্রিতবালু তুলে জমিতে জমি ভরাট করা হচ্ছে। এতে  আসলেই জমির ক্ষতি হচ্ছে,   পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হওয়া এবং ধানের ক্ষেতে পলি জমে কৃষিজমির ক্ষতি হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি অফিসে ‎জমির মালিকের অভিযোগে প্রেক্ষিতে, রামপাল প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের কাছে এ ঘটন জানালে, সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে অবৈধ বালু উত্তোলনের ড্রেজার চলমান অবস্থায় দেখতে পান। এসময় ড্রেজার চালকের সঙ্গে কথা বললে তিনি মোবাইল ফোনে অভিযুক্ত সুজন মজুমদারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
‎সাংবাদিকদের উপস্থিতির বিষয়টি জানিয়ে চালক বলেন রামপাল প্রেসক্লাব এর সাংবাদিকবৃন্দ ও এলাকাবাসি এসে ড্রেজার বন্ধ করতে বলছে এখন আমি কি করবে, তখন ফোনের অপর প্রান্ত থেকে সুজন মজুমদার ড্রেজার চালু রাখার নির্দেশ দেন এবং  সাংবাদিক ও এলাকাবাসীদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন, কাউকে দেখার সময় নাই আপনি ড্রেজার চালু রাখেন কি হয় আমি দেখছি।
‎সরেজমিনে দেখা যায়, দিন-রাত ড্রেজার মেশিন চালিয়ে বালি উত্তোলনের কারণে আশপাশের কৃষিজমি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল। স্থানীয় কয়েকজন কৃষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, প্রতিবাদ করলে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রশাসনের নাম ব্যবহার করে ভয়ভীতি ও হুমকি দেয়।
 ওপর এক কৃষক বলেন,
‎“আমরা বাধা দিলে প্রশাসনের ভয় দেখায়, প্রতিমন্ত্রীর ভয় দেখায়,  দীর্ঘদিন চুপ ছিলাম। পরে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে এসে বিষয়টি তুলে ধরলে প্রশাসন ব্যবস্থা নেয়।”
‎রামপাল প্রেসক্লাব ক্লাবের সাংবাদিকরা ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে রামপাল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)-কে অবহিত করেন। পরে উপজেলা প্রশাসনের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ড্রেজার মেশিন অপসারণ ও অবৈধ বালি উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়।
‎উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়,
‎“অবৈধ বালু উত্তোলন দেশের পরিবেশ, নদী ও জননিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি। বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী অনুমোদনহীনভাবে বালু উত্তোলন দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
‎অভিযানের পর এলাকায় স্বস্তি ফিরেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে কৃষিজমি নষ্ট হওয়ায় ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছিল এবং অভিযুক্ত ব্যক্তি সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছিলেন।
‎পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ও কৃষি কর্মকর্তাদের মতে, অপরিকল্পিত ও অবৈধ বালি উত্তোলনের ফলে মাটির উর্বরতা নষ্ট হয়, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যায় এবং নদী-খালের স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হয়। এতে দীর্ঘমেয়াদে কৃষি উৎপাদন ও স্থানীয় জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ে।
‎এলাকাবাসী ও স্থানীয় সাংবাদিকরা আশা প্রকাশ করেছেন, প্রশাসনের এ অভিযান ধারাবাহিকভাবে চললে রামপাল উপজেলায়  কৃষিজমি ও ভূগর্ভস্থ মাটির স্তর ঠিক থাকবে এবং প্রকৃতি ও পরিবেশ সুরক্ষিত থাকবে।
মুঠোফোনে অভিযুক্ত সুজন মজুমদারের কাছে বিষয়টা জানতে চাইলে এ বিষয়টা সম্পূর্ণ অস্বীকার করে এবং রামপাল প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের গালাগালি করেন, এবং দেখে নেয়ার হুমকি দেন।