দীর্ঘ ১৭ দিন বন্ধ থাকার পর অবশেষে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে পুনরায় পাথর আমদানি শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল থেকে বন্দরের মাধ্যমে ভারত থেকে পাথরবাহী ট্রাক প্রবেশ করছে বলে জানিয়েছেন সোনামসজিদ পানামা পোর্ট লিংকের ম্যানেজার মাইনুল ইসলাম।
তিনি জানান, আজ বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত পাথরের ১৫০টি গাড়ি বন্দরে প্রবেশ করেছে। বন্দরে প্রবেশের জন্য আরও গাড়ি অপেক্ষায় আছে।
জানা যায়, পাথর আমদানি নিয়ে জটিলতা নিরসনের জন্য মোহদিপুর এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে নেতৃত্ব দেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক প্রসেনজিৎ ঘোষ এবং সোনামসজিদ আমদানি কারক গ্রুপের নেতৃত্ব দেন আরিফ উদ্দিন ইতি। পরবর্তীতে গতকাল সোমবার বিকেলের জুম মিটিংয়ে দুই দেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের মধ্যে চূড়ান্ত সমঝোতা হয়। বৈঠকের শেষ পর্যায়ে অ্যাসেসমেন্ট ভ্যালু বা শুল্কায়নের সরকারি মূল্য টনপ্রতি ১৩ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১৪ ডলার নির্ধারণে সম্মত হয় ভারতীয় রপ্তানিকারকরা। এর ফলে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থার অবসান ঘটে।
সোনামসজিদ স্থলবন্দরে পাথর আমদানি বন্ধ, দৈনিক রাজস্ব ক্ষতি ২ কোটি টাকা
সোনামসজিদ আমদানি ও রপ্তানি কারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আরিফ উদ্দিন ইতি জানান, নতুন সমঝোতার ফলে মঙ্গলবার সকাল থেকেই পাথর আমদানি কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিন আমদানি বন্ধ থাকায় স্থানীয় ব্যবসায়ী, শ্রমিক, পরিবহন খাতসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পেশাজীবীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন। বন্দরের কার্যক্রম পুনরায় চালু হওয়ায় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি ফিরবে বলেও আশা করেন তিনি।
প্রসঙ্গত, ট্যারিফ ভ্যালু (শুল্কায়ন মূল্য) নির্ধারণ নিয়ে ভারতীয় রপ্তানিকারকদের একতরফা সিদ্ধান্তের জেরে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছিল দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর সোনামসজিদে। গত ১ মে থেকে বন্দরটি দিয়ে পাথর আমদানি সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল। ভারতের মোহদিপুর এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন হঠাৎ করেই পাথরের এলসি (ঋণপত্র) মূল্য প্রতি টন ১৩ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১৫ ডলার করার দাবি তোলায় এ সংকটের সৃষ্টি হয়েছিল।
জেলা প্রতিনিধি 





















