দারুস সালাম থানায় কর্মরত এসআই মোবিনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, তিনি বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি প্রদর্শন করে টাকা আদায়, মামলা বাণিজ্য এবং প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করেন।
এক ভুক্তভোগীর অভিযোগ, এই পুলিশ কর্মকর্তা রাজনৈতিক প্রভাব ও ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় করেন। এছাড়াও সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং তথ্য গোপনের অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
দৈনিক আমাদের মাতৃভূমি পত্রিকার অনুসন্ধানী সাংবাদিক সাফায়েত হোসেন জানান, একটি মোবাইল জিডির কপি চাওয়া হলে এসআই মোবিন তা দিতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি বলেন, আমি আপনাকে কেন পাঠাবো? পরে আরও বলেন, আমি আপনাকে তথ্য দিতে বাধ্য নই।
সাংবাদিক সাফায়েত হোসেনের দাবি, একজন সাংবাদিক তথ্য চাইলে তা না দিয়ে উল্টো হুমকি ও অপমানজনক ভাষা ব্যবহার করা পুলিশের দায়িত্বশীল আচরণের পরিপন্থী। অভিযোগ রয়েছে, এসআই মোবিন নিজেকে বড় বড় পত্রিকার সাংবাদিকদের ঘনিষ্ঠ বলে দাবি করলেও সুনির্দিষ্ট কোনো পরিচয় দিতে পারেননি।
আরও অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন থানায় উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন ও অন্যান্য বিষয়ে অসদুপায়ে সুবিধা নেওয়ার অভিযোগও তার বিরুদ্ধে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা রয়েছে।
সাংবাদিক সাফায়েত হোসেন জানান, বিষয়টি পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি), দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ আকারে দাখিলের প্রস্তুতি চলছে।
স্থানীয়দের প্রশ্ন—তিনি কি সত্যিই আইনের রক্ষক, নাকি ক্ষমতার অপব্যবহারকারী,বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমকর্মী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন এলাকাবাসী।
স্টাফ রিপোর্টার শাফায়েত হোসেন 




















