ঢাকা ০৯:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে সরকারি গাড়ি নেননি ১৫ প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতি পদে অলি আহমদের মনোনয়ন দুটি কেন? গোয়াইনঘাটে বিএনপি নেতা স্বপন-মান্নানের থাবায় তছনছ পিয়াইন নদী ধামরাইয়ে ‘ফ্যামিলি কার্ডের নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ মহিলা দল সভাপতির বিরুদ্ধে রাজশাহী বিভাগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী কালিহাতীতে জসিম খানের নিজ অর্থায়নে গাছের চারা বিতরণ নওগাঁয় মেয়েকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ প্রেসক্লাব গংগাচড়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে এমপির মতবিনিময়  ফরিদপুরে ছেঁড়া-ফাটা ও অতি পুরাতন টাকায় চরম ভোগান্তি  শাহরাস্তিতে দিনব্যাপী সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন

নীলফামারী জেলার বসুনিয়া হাটে গরু বিক্রির রশিদে অতিরিক্ত টাকা আদায় প্রতিবাদ করায় যুবককে মারধরের অভিযোগ

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার বসুনিয়া হাটে গরু বিক্রির রশিদে নির্ধারিত ইজারা মূল্য উল্লেখ না করে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে হাট ইজারাদারদের বিরুদ্ধে। এ ছাড়া মসজিদের নামে চাঁদা তুললেও সেই টাকা মসজিদে দেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের। এ ঘটনায় প্রতিবাদ করায় এক যুবককে মারধর ও তার মোবাইলফোন ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে হাটে মসজিদের নামে অতিরিক্ত চাঁদা তোলা হলেও সেই টাকা মসজিদে দেওয়া হয় না। হাটে কোথাও নির্ধারিত ইজারা মূল্যের তালিকা টাঙানো নেই। অনেক বিক্রেতার কাছ থেকে নির্ধারিত টাকার চেয়ে বেশি নেওয়া হলেও রশিদে তা উল্লেখ করা হচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে ইজারাদারদের পক্ষ থেকে হুমকি ও মারধরের চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা।
বসুনিয়া হাট জামে মসজিদের সহকারী সেক্রেটারি মো. আহেদ আলী বলেন, ‘প্রতি হাটে মসজিদের নামে অতিরিক্ত চাঁদা নেওয়া হলেও মসজিদে কোনো টাকা দেওয়া হয় না। বিষয়টি নিয়ে ইজারাদারদের সঙ্গে কথা বলেও কোনো সমাধান হয়নি।’
এদিকে, রশিদে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার প্রতিবাদ করায় মমিনুর নামে স্থানীয় এক যুবক মারধরের শিকার হন। এ সময় মোবাইলফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণের অভিযোগ তুলে তার মোবাইলফোন ভেঙে ফেলা হয়।
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ ফুলবাড়ি থেকে আসা গরু বিক্রেতা রহিদুল ইসলাম বলেন, ‘গরু বিক্রির পর আমার কাছ থেকে ৭০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। পরে জানতে পারি, নির্ধারিত ইজারা ৬০০ টাকা।’
ডোমারের পাঙ্গা মটকপুর থেকে আসা আরেক বিক্রেতা জিয়ারুল অভিযোগ করেন, ‘আমার কাছ থেকে ৮০০ টাকা নেওয়া হয়েছে, কিন্তু রশিদে সেই টাকার পরিমাণ উল্লেখ নেই।’
এ বিষয়ে বসুনিয়া হাটের ইজারাদার জাহিরুল ইসলাম বলেন, ‘রশিদ অনুযায়ী ৬০০ টাকা নেওয়ার কথা থাকলেও বিভিন্ন খরচের কারণে বর্তমানে অতিরিক্ত ১০০-২০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। ঈদ হাট উপলক্ষ্যে সামনে ১ হাজার টাকা করে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এজন্য হাটে কোনো চার্ট টাঙানো হয়নি।’
ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শায়লা সাঈদ তন্বী এ বিষয়ে বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের জানা ছিল না। তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে সরকারি গাড়ি নেননি ১৫ প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা

নীলফামারী জেলার বসুনিয়া হাটে গরু বিক্রির রশিদে অতিরিক্ত টাকা আদায় প্রতিবাদ করায় যুবককে মারধরের অভিযোগ

আপডেট সময় ১২:০৩:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
নীলফামারীর ডোমার উপজেলার বসুনিয়া হাটে গরু বিক্রির রশিদে নির্ধারিত ইজারা মূল্য উল্লেখ না করে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে হাট ইজারাদারদের বিরুদ্ধে। এ ছাড়া মসজিদের নামে চাঁদা তুললেও সেই টাকা মসজিদে দেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের। এ ঘটনায় প্রতিবাদ করায় এক যুবককে মারধর ও তার মোবাইলফোন ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে হাটে মসজিদের নামে অতিরিক্ত চাঁদা তোলা হলেও সেই টাকা মসজিদে দেওয়া হয় না। হাটে কোথাও নির্ধারিত ইজারা মূল্যের তালিকা টাঙানো নেই। অনেক বিক্রেতার কাছ থেকে নির্ধারিত টাকার চেয়ে বেশি নেওয়া হলেও রশিদে তা উল্লেখ করা হচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে ইজারাদারদের পক্ষ থেকে হুমকি ও মারধরের চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা।
বসুনিয়া হাট জামে মসজিদের সহকারী সেক্রেটারি মো. আহেদ আলী বলেন, ‘প্রতি হাটে মসজিদের নামে অতিরিক্ত চাঁদা নেওয়া হলেও মসজিদে কোনো টাকা দেওয়া হয় না। বিষয়টি নিয়ে ইজারাদারদের সঙ্গে কথা বলেও কোনো সমাধান হয়নি।’
এদিকে, রশিদে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার প্রতিবাদ করায় মমিনুর নামে স্থানীয় এক যুবক মারধরের শিকার হন। এ সময় মোবাইলফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণের অভিযোগ তুলে তার মোবাইলফোন ভেঙে ফেলা হয়।
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ ফুলবাড়ি থেকে আসা গরু বিক্রেতা রহিদুল ইসলাম বলেন, ‘গরু বিক্রির পর আমার কাছ থেকে ৭০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। পরে জানতে পারি, নির্ধারিত ইজারা ৬০০ টাকা।’
ডোমারের পাঙ্গা মটকপুর থেকে আসা আরেক বিক্রেতা জিয়ারুল অভিযোগ করেন, ‘আমার কাছ থেকে ৮০০ টাকা নেওয়া হয়েছে, কিন্তু রশিদে সেই টাকার পরিমাণ উল্লেখ নেই।’
এ বিষয়ে বসুনিয়া হাটের ইজারাদার জাহিরুল ইসলাম বলেন, ‘রশিদ অনুযায়ী ৬০০ টাকা নেওয়ার কথা থাকলেও বিভিন্ন খরচের কারণে বর্তমানে অতিরিক্ত ১০০-২০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। ঈদ হাট উপলক্ষ্যে সামনে ১ হাজার টাকা করে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এজন্য হাটে কোনো চার্ট টাঙানো হয়নি।’
ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শায়লা সাঈদ তন্বী এ বিষয়ে বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের জানা ছিল না। তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।