সংবাদ শিরোনাম ::
আগস্টে ঢাকা-পাবনা সরাসরি ট্রেন চালু হচ্ছে: রেলমন্ত্রী কুলির চরিত্রে পর্দায় ফিরছেন ওমর সানী প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর নিয়ে উসকানির আভাস পাচ্ছি : রিজভী গ্যালারিতে বসে দেশসেরা খুদে ফুটবলারদের খেলা দেখছেন প্রধানমন্ত্রী নওগাঁ টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন কমিশন গঠন সভা অনুষ্ঠিত মুকসুদপুরে জাল নোট প্রচলন প্রতিরোধে জন সচেতনতা বৃদ্ধিমুলক ওয়ার্কসপ কিশোর নিবিরের প্রেমের বিয়ে, ৮ মাস পর রহস্যজনক মৃত্যু  কোটালীপাড়ায় নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ দৈনিক আমাদের মাতৃভূমির চট্টগ্রাম ব্যুরো চিফ মুরাদকে অব্যাহতি তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে গঙ্গাচড়ায় হাজারো মানুষের মানববন্ধন

সিলেটে একের পর এক মামলা থাকার পরেও রুমানা আক্তার লিজাকে গ্রেপ্তার করেনি প্রশাসন নাকের ডগায় এমন একজন চিহ্নিত অপরাধী ঘুরে বেড়ায়

সিলেট মহানগরীসহ আশেপাশের এলাকায় দিন দিন বেড়েই চলেছে হানি ট্র্যাপ চক্রের দৌরাত্ম্য। প্রতারণা, ব্ল্যাকমেইল ও অপহরণের মতো গুরুতর অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে সংঘবদ্ধ একটি চক্র। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য।
অনুসন্ধানে জানা যায়, সিলেট জেলা জৈন্তাপুর উপজেলা থেকে একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে চালিয়ে আসছে এই অপরাধমূলক কার্যক্রম। তারা বিভিন্ন কৌশলে মানুষকে ফাঁদে ফেলে ব্ল্যাকমেইল করে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা।
তদন্তে আরও উঠে আসে, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার করে চক্রটি নিজেদের প্রভাব বিস্তার করে আসছে। অভিযোগ রয়েছে, এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন ব্যক্তি ক্ষমতার অপব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরেই ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েগেছে এবং অভিযোগ রয়েছে কতিপয় কিছু অসাধু পুলিশ কর্মকর্তা এর সাথে জড়িত রয়েছেন।
রুমানা আক্তার লিজা আনোয়ার হোসেন শরিফ বাউলি মিন্টু মকবুল হোসেন দুলাল আহম্মদ লিয়াকত হোসেন কুতুব উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি চক্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। একটি মামলার অনুসন্ধান করতে গিয়ে বেরিয়ে আসে আরও বিস্ময়কর তথ্য ও থলের বিড়াল।
অভিযোগ রয়েছে, সিলেটের এক সমাজ সেবক ও ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে রাজধানীর মতিঝি থানার অন্তর্গত পাট ভবনে ৭ম তালায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকা ও একটি একটি চেক ও ফাঁকা ননজুটিশিয়াল স্ট্যাম্পে জোরপূর্ব স্বাক্ষর নেন সঙ্ঘবদ্ধ চক্রটি। এ ঘটনায় রাজধানীর মতিঝিল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে জি আর মামলা নং ————-কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলেও সত্য উক্ত আসামিরা বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু হলেও প্রকাশ্যে সেই আসামিদের সঙ্গে থানার কম্পাউন্ডে চলে রফাদফা চক্র চক্রটির সঙ্গে পাশাপাশি সমাজসেবক ব্যবসায়ী নাজিম উদ্দিনকে এক পুলিশ কর্মকর্তা বারবার ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে পাশাপাশি উক্ত ফাঁকা ননজুপিশিয়াল স্ট্যাম্প এবং চেক দিয়ে সিলেটের সমাজসেবক নাজিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
এ বিষয়ে সমাজসেবক ব্যবসায়ী তিনি বলেন, দিন দিন মানুষকে ব্ল্যাকমেইল করে এই চক্র অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। থানায় মামলা হয়েছে, কিন্তু এখনো তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে। উল্টো আমাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমি সবসময় আতঙ্কে থাকি।
ভুক্তভোগীরা বলছেন, আইনের আশ্রয় নিয়েও পাচ্ছেন না কোনো সুরক্ষা। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা।
এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপ দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা। হানি ট্র্যাপ চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আগস্টে ঢাকা-পাবনা সরাসরি ট্রেন চালু হচ্ছে: রেলমন্ত্রী

সিলেটে একের পর এক মামলা থাকার পরেও রুমানা আক্তার লিজাকে গ্রেপ্তার করেনি প্রশাসন নাকের ডগায় এমন একজন চিহ্নিত অপরাধী ঘুরে বেড়ায়

আপডেট সময় ০৭:১৫:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

সিলেট মহানগরীসহ আশেপাশের এলাকায় দিন দিন বেড়েই চলেছে হানি ট্র্যাপ চক্রের দৌরাত্ম্য। প্রতারণা, ব্ল্যাকমেইল ও অপহরণের মতো গুরুতর অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে সংঘবদ্ধ একটি চক্র। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য।
অনুসন্ধানে জানা যায়, সিলেট জেলা জৈন্তাপুর উপজেলা থেকে একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে চালিয়ে আসছে এই অপরাধমূলক কার্যক্রম। তারা বিভিন্ন কৌশলে মানুষকে ফাঁদে ফেলে ব্ল্যাকমেইল করে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা।
তদন্তে আরও উঠে আসে, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার করে চক্রটি নিজেদের প্রভাব বিস্তার করে আসছে। অভিযোগ রয়েছে, এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন ব্যক্তি ক্ষমতার অপব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরেই ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েগেছে এবং অভিযোগ রয়েছে কতিপয় কিছু অসাধু পুলিশ কর্মকর্তা এর সাথে জড়িত রয়েছেন।
রুমানা আক্তার লিজা আনোয়ার হোসেন শরিফ বাউলি মিন্টু মকবুল হোসেন দুলাল আহম্মদ লিয়াকত হোসেন কুতুব উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি চক্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। একটি মামলার অনুসন্ধান করতে গিয়ে বেরিয়ে আসে আরও বিস্ময়কর তথ্য ও থলের বিড়াল।
অভিযোগ রয়েছে, সিলেটের এক সমাজ সেবক ও ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে রাজধানীর মতিঝি থানার অন্তর্গত পাট ভবনে ৭ম তালায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকা ও একটি একটি চেক ও ফাঁকা ননজুটিশিয়াল স্ট্যাম্পে জোরপূর্ব স্বাক্ষর নেন সঙ্ঘবদ্ধ চক্রটি। এ ঘটনায় রাজধানীর মতিঝিল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে জি আর মামলা নং ————-কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলেও সত্য উক্ত আসামিরা বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু হলেও প্রকাশ্যে সেই আসামিদের সঙ্গে থানার কম্পাউন্ডে চলে রফাদফা চক্র চক্রটির সঙ্গে পাশাপাশি সমাজসেবক ব্যবসায়ী নাজিম উদ্দিনকে এক পুলিশ কর্মকর্তা বারবার ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে পাশাপাশি উক্ত ফাঁকা ননজুপিশিয়াল স্ট্যাম্প এবং চেক দিয়ে সিলেটের সমাজসেবক নাজিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
এ বিষয়ে সমাজসেবক ব্যবসায়ী তিনি বলেন, দিন দিন মানুষকে ব্ল্যাকমেইল করে এই চক্র অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। থানায় মামলা হয়েছে, কিন্তু এখনো তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে। উল্টো আমাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমি সবসময় আতঙ্কে থাকি।
ভুক্তভোগীরা বলছেন, আইনের আশ্রয় নিয়েও পাচ্ছেন না কোনো সুরক্ষা। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা।
এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপ দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা। হানি ট্র্যাপ চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন