ঢাকা ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে সরকারি গাড়ি নেননি ১৫ প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতি পদে অলি আহমদের মনোনয়ন দুটি কেন? গোয়াইনঘাটে বিএনপি নেতা স্বপন-মান্নানের থাবায় তছনছ পিয়াইন নদী ধামরাইয়ে ‘ফ্যামিলি কার্ডের নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ মহিলা দল সভাপতির বিরুদ্ধে রাজশাহী বিভাগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী কালিহাতীতে জসিম খানের নিজ অর্থায়নে গাছের চারা বিতরণ নওগাঁয় মেয়েকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ প্রেসক্লাব গংগাচড়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে এমপির মতবিনিময়  ফরিদপুরে ছেঁড়া-ফাটা ও অতি পুরাতন টাকায় চরম ভোগান্তি  শাহরাস্তিতে দিনব্যাপী সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন

পার্বতীপুরে ড্রেন বন্ধের অভিযোগে জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে ৫০ পরিবার

দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের জাহানাবাদ (চকপাড়া) গ্রামে পানি নিষ্কাশনের ড্রেন বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এতে দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন প্রায় ৫০টি পরিবার।

সরেজমিনে দেখা গেছে, গ্রামের বিভিন্ন বাড়ির আঙিনা, রাস্তা ও চলাচলের পথ পানিতে তলিয়ে রয়েছে। বৃষ্টির পানি ও স্যানিটেশন লাইনের পানি বের হওয়ার স্বাভাবিক পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি দিন দিন আরও খারাপ হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পূর্বে একটি ড্রেন দিয়ে স্বাভাবিকভাবে পানি নিষ্কাশন হতো। সম্প্রতি ড্রেনের মুখ বন্ধ করে দেওয়ায় পানি জমে গিয়ে পুরো এলাকা জলাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। এতে অন্তত ৫০টি পরিবার কার্যত পানি বন্দি অবস্থায় রয়েছে।

ভুক্তভোগী কয়েকজন বাসিন্দা গোলাম আযম (৬৫) ও কিবরিয়া (৫০) জানান, “আমাদের বসতবাড়ি, , তাদের বসতবাড়ি, রান্নাঘর ও চলাচলের রাস্তা পানির নিচে চলে গেছে। এতে শিশু ও বৃদ্ধরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। স্থানীয় দুই শিক্ষার্থী সুমাইয়া খাতুন ও নুসরাত জাহান জানায়, প্রতিদিন পানি পার হয়ে স্কুলে যেতে হচ্ছে।

এলাকাবাসীর দাবি, ব্যক্তিস্বার্থে ড্রেনের প্রবাহ বন্ধ করে দেওয়ার কারণেই এই সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। তারা দ্রুত সমস্যার সমাধান চেয়ে পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিস বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

তবে অভিযুক্ত ওয়ারেস আলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “গ্রামের মানুষ কবরস্থানে মাটি ভরাট করায় জায়গাটি উঁচু হয়ে গেছে। আগে ওই পথ দিয়েই পানি বের হতো। এখন বিকল্প হিসেবে পাইপ বসানো হলে পানি নিষ্কাশন সম্ভব হবে। আমি কোনো ড্রেন বন্ধ করিনি।”

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, দ্রুত ড্রেনেজ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করা না হলে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে এবং পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে সরকারি গাড়ি নেননি ১৫ প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা

পার্বতীপুরে ড্রেন বন্ধের অভিযোগে জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে ৫০ পরিবার

আপডেট সময় ১১:১৯:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের জাহানাবাদ (চকপাড়া) গ্রামে পানি নিষ্কাশনের ড্রেন বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এতে দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন প্রায় ৫০টি পরিবার।

সরেজমিনে দেখা গেছে, গ্রামের বিভিন্ন বাড়ির আঙিনা, রাস্তা ও চলাচলের পথ পানিতে তলিয়ে রয়েছে। বৃষ্টির পানি ও স্যানিটেশন লাইনের পানি বের হওয়ার স্বাভাবিক পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি দিন দিন আরও খারাপ হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পূর্বে একটি ড্রেন দিয়ে স্বাভাবিকভাবে পানি নিষ্কাশন হতো। সম্প্রতি ড্রেনের মুখ বন্ধ করে দেওয়ায় পানি জমে গিয়ে পুরো এলাকা জলাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। এতে অন্তত ৫০টি পরিবার কার্যত পানি বন্দি অবস্থায় রয়েছে।

ভুক্তভোগী কয়েকজন বাসিন্দা গোলাম আযম (৬৫) ও কিবরিয়া (৫০) জানান, “আমাদের বসতবাড়ি, , তাদের বসতবাড়ি, রান্নাঘর ও চলাচলের রাস্তা পানির নিচে চলে গেছে। এতে শিশু ও বৃদ্ধরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। স্থানীয় দুই শিক্ষার্থী সুমাইয়া খাতুন ও নুসরাত জাহান জানায়, প্রতিদিন পানি পার হয়ে স্কুলে যেতে হচ্ছে।

এলাকাবাসীর দাবি, ব্যক্তিস্বার্থে ড্রেনের প্রবাহ বন্ধ করে দেওয়ার কারণেই এই সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। তারা দ্রুত সমস্যার সমাধান চেয়ে পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিস বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

তবে অভিযুক্ত ওয়ারেস আলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “গ্রামের মানুষ কবরস্থানে মাটি ভরাট করায় জায়গাটি উঁচু হয়ে গেছে। আগে ওই পথ দিয়েই পানি বের হতো। এখন বিকল্প হিসেবে পাইপ বসানো হলে পানি নিষ্কাশন সম্ভব হবে। আমি কোনো ড্রেন বন্ধ করিনি।”

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, দ্রুত ড্রেনেজ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করা না হলে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে এবং পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।