ঢাকা ০২:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চাঁপাইনবাবগঞ্জের মহানন্দা সেতুতে টোল ফ্রি করার দাবীতে মানববন্ধন কালিয়াকৈরে তেল পাম্পে অনিয়ম, ভোগান্তিতে মানুষ পল্লবীতে বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র-গুলিসহ শুটার বৃন্দা রনি গ্রেপ্তার সুনামগঞ্জে রোদের দেখা মিললেও হাওরে কাটেনি বন্যার শঙ্কা ইন্ডাস্ট্রিতে আমার কথা ভাবার জন্য কেউ ছিল না’ পাকা সড়ক ও টেকসই বাঁধ নির্মাণের দাবিতে এলাকাবাসীর আহ্বান বিশ্বকাপের আগে নতুন বিতর্ক, কানাডায় ইরানের ফুটবল কর্মকর্তার প্রবেশে বাধা কুমিল্লায় শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, আসামির মৃত্যুদণ্ড পিএসএলের ফাইনাল খেলতে দেশ ছাড়লেন নাহিদ রানা মার্কিন দূতাবাসের কাছে গোয়েন্দা ড্রোন ভূপাতিত, নিরাপত্তা জোরদার
এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী

চট্টগ্রামে ৭০-৮০ শতাংশ জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধান হয়েছে

চট্টগ্রাম নগরের জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে নগরের প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধান হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে নগরের বিভিন্ন খাল ও জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি। এসময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোথাও পাম্প ব্যবহার করা না গেলেও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে। বর্তমানে খালগুলোতে চলমান উন্নয়নকাজ আগামী বর্ষা শেষে ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি চট্টগ্রামবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেন, আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ জলাবদ্ধতা থাকবে না। তবে বাকি ১৫ থেকে ২০ শতাংশ সমস্যার সমাধানে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় লাগবে। এ জন্য নগরবাসীর ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্লুইস গেটগুলো সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার ব্রিগেড তদারকি করছে এবং সেগুলো সচল রাখা হয়েছে। পাশাপাশি বন্দর কর্তৃপক্ষ খালের মুখ নিয়মিত ড্রেজিং করে কর্ণফুলি নদীতে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখছে।

তিনি বলেন, সিটি কর্পোরেশন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সেনাবাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বয়ে কাজ চলছে। মেয়রের নেতৃত্বে একটি সমন্বিত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং এর প্রজ্ঞাপন শিগগিরই জারি হবে।

সিডিএর বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটিকে সরাসরি ব্যর্থতা বলা যাবে না, তবে সংস্থাটিতে জনবলের ঘাটতি রয়েছে। বর্তমানে সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার ব্রিগেড প্রকল্প বাস্তবায়ন ও তদারকিতে কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, অতিভারী বৃষ্টিপাত হলে সাময়িক জলজট তৈরি হতে পারে, তবে সেটি দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে নেমে যাবে। অতীতে যেমন দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা ছিল, সেই পরিস্থিতিতে আর ফিরে যেতে হবে না বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এসময় তিনি জানান, অতীতে চট্টগ্রামে ২৪৬ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের রেকর্ড রয়েছে। সামনে বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ি ঢল ও জোয়ারের প্রভাব থাকলেও নগরী আর আগের মতো তলিয়ে যাবে না বলে সংশ্লিষ্টরা প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের মহানন্দা সেতুতে টোল ফ্রি করার দাবীতে মানববন্ধন

এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী

চট্টগ্রামে ৭০-৮০ শতাংশ জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধান হয়েছে

আপডেট সময় ০১:২৫:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রাম নগরের জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে নগরের প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধান হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে নগরের বিভিন্ন খাল ও জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি। এসময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোথাও পাম্প ব্যবহার করা না গেলেও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে। বর্তমানে খালগুলোতে চলমান উন্নয়নকাজ আগামী বর্ষা শেষে ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি চট্টগ্রামবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেন, আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ জলাবদ্ধতা থাকবে না। তবে বাকি ১৫ থেকে ২০ শতাংশ সমস্যার সমাধানে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় লাগবে। এ জন্য নগরবাসীর ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্লুইস গেটগুলো সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার ব্রিগেড তদারকি করছে এবং সেগুলো সচল রাখা হয়েছে। পাশাপাশি বন্দর কর্তৃপক্ষ খালের মুখ নিয়মিত ড্রেজিং করে কর্ণফুলি নদীতে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখছে।

তিনি বলেন, সিটি কর্পোরেশন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সেনাবাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বয়ে কাজ চলছে। মেয়রের নেতৃত্বে একটি সমন্বিত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং এর প্রজ্ঞাপন শিগগিরই জারি হবে।

সিডিএর বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটিকে সরাসরি ব্যর্থতা বলা যাবে না, তবে সংস্থাটিতে জনবলের ঘাটতি রয়েছে। বর্তমানে সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার ব্রিগেড প্রকল্প বাস্তবায়ন ও তদারকিতে কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, অতিভারী বৃষ্টিপাত হলে সাময়িক জলজট তৈরি হতে পারে, তবে সেটি দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে নেমে যাবে। অতীতে যেমন দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা ছিল, সেই পরিস্থিতিতে আর ফিরে যেতে হবে না বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এসময় তিনি জানান, অতীতে চট্টগ্রামে ২৪৬ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের রেকর্ড রয়েছে। সামনে বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ি ঢল ও জোয়ারের প্রভাব থাকলেও নগরী আর আগের মতো তলিয়ে যাবে না বলে সংশ্লিষ্টরা প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছেন।