সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকার গুলিস্তানে সিলগালা ভেঙে পার্কিংয়ে সহস্রাধিক অবৈধ দোকান কাজ না করেই সরকারি প্রকল্পের ১২ কোটি টাকা নিয়ে গেল ঠিকাদার বিপিসির আহম্মদুল্লাহর ঢাকায় বহুতল ভবন, গ্রামে বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স বাড়ি রাষ্ট্রের টাকায় ব্যক্তিগত ‘ভবিষ্যৎ’ গড়লেন সামি! নেইমারকে না নামানোর কারণ জানালেন আনচেলত্তি রাজবাড়ীর কালুখালীতে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস তরুণদের প্রলোভনে ফাঁদ, ‘অতিথি ডটকম’-এর বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ দেড়শ বছরের পুরোনো আইন বাতিল করে সংসদে জুয়া প্রতিরোধ আইন পাস ফরিদপুরে ফ্যাসিস্ট শ্রমিক লীগ নেতা হাকিম কে গ্রেফতার ও তাঁর  দুর্নীতির তদন্তের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

রাষ্ট্রীয়ভাবে উদ্যোক্তাদের সম্মাননা শিল্পায়নের ধারাকে সুসংহত করবে

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, রাষ্ট্রীয়ভাবে শিল্প উদ্যোক্তাদের সম্মাননা প্রদান আধুনিক প্রযুক্তি ভিত্তিক শিল্পায়নের চলমান ধারাকে সুসংহত করবে এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতির প্রক্রিয়াকে আরও বেগবান করবে।

বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) ‘রাষ্ট্রপতি শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার ২০২০’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে শিল্পায়নে উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ রাষ্ট্রপতি শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার ২০২০ প্রদানের উদ্যোগকে রাষ্ট্রপতি স্বাগত জানান। তিনি বলেন, দেশের সার্বিক উন্নয়নে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন অন্যতম নিয়ামক। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীনতার মহান স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫৬ সালে কোয়ালিশন সরকারের শিল্প, বাণিজ্য, শ্রম, দুর্নীতি দমন ও গ্রাম সহায়তা দপ্তরের মন্ত্রী থাকাকালে অর্থনৈতিক বৈষম্য নিরসনকল্পে তৃণমূল পর্যায়ে শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করে দেশে শিল্পায়নের সূচনা করেছিলেন। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে তিনি দেশীয় কাঁচামাল নির্ভর শিল্প কারখানা গড়ে তোলার মাধ্যমে শিল্পায়নের ধারা আরও এগিয়ে নেন।

আবদুল হামিদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার বিগত এক যুগে বাংলাদেশে শিল্পায়ন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ প্রসারে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। শিল্প কারখানায় আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির প্রয়োগ বৃদ্ধিতে দেশে বিশ্বমানের শিল্পপণ্য উৎপাদন হচ্ছে এবং রপ্তানি বাণিজ্যে বাংলাদেশের অবদান ক্রমেই সুসংহত হচ্ছে। পদ্মা সেতু কর্ণফুলী টানেলের মতো যোগাযোগ অবকাঠামো নির্মাণ, বিনিয়োগ সহায়ক কর ও শুল্ক কাঠামো, বিদেশি বিনিয়োগের জন্য বিশেষ প্রণোদনাসহ সরকারের বিভিন্ন উদ্যোক্তা-বান্ধব ও সৃজনশীল কর্মসূচির ফলে বাংলাদেশ বিশ্বে বিনিয়োগের জন্য অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে।

তিনি বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত প্রয়াসে জালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তির ব্যবহার, জ্ঞানভিত্তিক ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ, দীর্ঘমেয়াদী নীতি-কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন অতীব জরুরি। বেসরকারি খাতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ‘রাষ্ট্রপতি শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার’ প্রদান করে থাকে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকার গুলিস্তানে সিলগালা ভেঙে পার্কিংয়ে সহস্রাধিক অবৈধ দোকান

রাষ্ট্রীয়ভাবে উদ্যোক্তাদের সম্মাননা শিল্পায়নের ধারাকে সুসংহত করবে

আপডেট সময় ১১:৫৪:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৩

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, রাষ্ট্রীয়ভাবে শিল্প উদ্যোক্তাদের সম্মাননা প্রদান আধুনিক প্রযুক্তি ভিত্তিক শিল্পায়নের চলমান ধারাকে সুসংহত করবে এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতির প্রক্রিয়াকে আরও বেগবান করবে।

বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) ‘রাষ্ট্রপতি শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার ২০২০’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে শিল্পায়নে উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ রাষ্ট্রপতি শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার ২০২০ প্রদানের উদ্যোগকে রাষ্ট্রপতি স্বাগত জানান। তিনি বলেন, দেশের সার্বিক উন্নয়নে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন অন্যতম নিয়ামক। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীনতার মহান স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫৬ সালে কোয়ালিশন সরকারের শিল্প, বাণিজ্য, শ্রম, দুর্নীতি দমন ও গ্রাম সহায়তা দপ্তরের মন্ত্রী থাকাকালে অর্থনৈতিক বৈষম্য নিরসনকল্পে তৃণমূল পর্যায়ে শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করে দেশে শিল্পায়নের সূচনা করেছিলেন। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে তিনি দেশীয় কাঁচামাল নির্ভর শিল্প কারখানা গড়ে তোলার মাধ্যমে শিল্পায়নের ধারা আরও এগিয়ে নেন।

আবদুল হামিদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার বিগত এক যুগে বাংলাদেশে শিল্পায়ন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ প্রসারে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। শিল্প কারখানায় আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির প্রয়োগ বৃদ্ধিতে দেশে বিশ্বমানের শিল্পপণ্য উৎপাদন হচ্ছে এবং রপ্তানি বাণিজ্যে বাংলাদেশের অবদান ক্রমেই সুসংহত হচ্ছে। পদ্মা সেতু কর্ণফুলী টানেলের মতো যোগাযোগ অবকাঠামো নির্মাণ, বিনিয়োগ সহায়ক কর ও শুল্ক কাঠামো, বিদেশি বিনিয়োগের জন্য বিশেষ প্রণোদনাসহ সরকারের বিভিন্ন উদ্যোক্তা-বান্ধব ও সৃজনশীল কর্মসূচির ফলে বাংলাদেশ বিশ্বে বিনিয়োগের জন্য অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে।

তিনি বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত প্রয়াসে জালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তির ব্যবহার, জ্ঞানভিত্তিক ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ, দীর্ঘমেয়াদী নীতি-কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন অতীব জরুরি। বেসরকারি খাতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ‘রাষ্ট্রপতি শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার’ প্রদান করে থাকে।