নাটোরের লালপুর বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল বিদ্যুৎস্পৃষ্ট সন্তানের

  • এস এম আয়নুল হক
  • আপডেট সময় ০২:৫৪:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৮১ বার পড়া হয়েছে
নাটোরের লালপুর উপজেলায় বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছে আট বছরের শিশু আব্দুল্লাহ। সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে উপজেলার মোহরকয়া হাটপাড়া এলাকায় মর্মান্তিক এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অটোরিকশাচালক আল আমিন বাড়িতে অটোরিকশা চার্জ দিতে গিয়ে হঠাৎ বিদ্যুতায়িত হয়ে পড়েন। বিদ্যুতের তারে আটকে অসহায়ভাবে চিৎকার করতে থাকেন তিনি। বাবার সেই আর্তনাদ শুনে ছোট্ট ছেলে আব্দুল্লাহ ছুটে আসে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা না বুঝেই বাবাকে বাঁচানোর চেষ্টা করতে গিয়ে বাবাকে স্পর্শ করলে সেও বিদ্যুতের তীব্র ঝাঁকুনিতে আক্রান্ত হয়।
এসময় মা আসমা খাতুন দ্রুত বাড়ির মেইন সুইচ বন্ধ করে সাহসিকতার পরিচয় দেন। এতে আল আমিনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও গুরুতর আহত হয়ে পড়ে শিশু আব্দুল্লাহ।
পরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত আব্দুল্লাহ স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলের নার্সারির ছাত্র এবং আল আমিন-আসমা খাতুন দম্পতির একমাত্র সন্তান ছিল। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছেন তার পরিবার ও স্বজনরা।
এ বিষয়ে জানতে লালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুল ইসলামের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নাটোরের লালপুর বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল বিদ্যুৎস্পৃষ্ট সন্তানের

আপডেট সময় ০২:৫৪:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
নাটোরের লালপুর উপজেলায় বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছে আট বছরের শিশু আব্দুল্লাহ। সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে উপজেলার মোহরকয়া হাটপাড়া এলাকায় মর্মান্তিক এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অটোরিকশাচালক আল আমিন বাড়িতে অটোরিকশা চার্জ দিতে গিয়ে হঠাৎ বিদ্যুতায়িত হয়ে পড়েন। বিদ্যুতের তারে আটকে অসহায়ভাবে চিৎকার করতে থাকেন তিনি। বাবার সেই আর্তনাদ শুনে ছোট্ট ছেলে আব্দুল্লাহ ছুটে আসে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা না বুঝেই বাবাকে বাঁচানোর চেষ্টা করতে গিয়ে বাবাকে স্পর্শ করলে সেও বিদ্যুতের তীব্র ঝাঁকুনিতে আক্রান্ত হয়।
এসময় মা আসমা খাতুন দ্রুত বাড়ির মেইন সুইচ বন্ধ করে সাহসিকতার পরিচয় দেন। এতে আল আমিনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও গুরুতর আহত হয়ে পড়ে শিশু আব্দুল্লাহ।
পরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত আব্দুল্লাহ স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলের নার্সারির ছাত্র এবং আল আমিন-আসমা খাতুন দম্পতির একমাত্র সন্তান ছিল। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছেন তার পরিবার ও স্বজনরা।
এ বিষয়ে জানতে লালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুল ইসলামের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।