ঢাকা ০৭:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কালবৈশাখী ঝড়: মৌলভীবাজারে ২২৫ জায়গায় তার ছিঁড়ে বিদ্যুৎ বিপর্যয় সরকারি প্রভাবে জমি দখল ও জ্ঞাতবহির্ভূত সম্পদের পাহাড় গড়েছেন রফিকুল ইসলাম শফি ও শওকত আলী গয়না ছিনতাইয়ে ইটের আঘাতে নারীকে হত্যা, মরদেহ ফেলে দেয় পুকুরে দক্ষিণগাঁও-নন্দীপাড়ায় রাস্তা উন্নয়নের নতুন অধ্যায়, ডিএসসিসির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সুনামগঞ্জে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে নিহত ৩ বিএডিসি এখনও পিডি আবীরের ‘আওয়ামী রাজত্বে’ বন্দি ৯০ কিলোমিটার দূরে থেকেও মামলার আসামি সাবেক শিবির সভাপতি মিজান চট্টগ্রামে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা, ভোগান্তিতে নগরবাসী পদ্মায় জেলের বড়শিতে ধরা পড়ল বিরল প্রজাতির কুমির যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি পরিদর্শনে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী

যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি পরিদর্শনে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী

  • জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় ০৪:৫৪:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫০৮ বার পড়া হয়েছে

উপমহাদেশের প্রাচীনতম জ্ঞানপীঠ যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরির দুষ্প্রাপ্য পাণ্ডুলিপি ও ঐতিহাসিক গ্রন্থরাজির সান্নিধ্যে সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেল ৩টার দিকে তিনি ১৮৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই গণপাঠাগারটি পরিদর্শনে আসেন।

প্রধানমন্ত্রী লাইব্রেরিতে পৌঁছালে সেখানে উপস্থিত প্রাজ্ঞজন, গবেষক ও যশোর ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তারা তাকে অভ্যর্থনা জানান। প্রধানমন্ত্রী প্রথমেই লাইব্রেরির দুষ্প্রাপ্য পাণ্ডুলিপি শাখাটি ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি তুলট কাগজ ও তালপাতায় হাতে লেখা মহাকবি কালিদাসের পুঁথি, প্রাচীন রামায়ণ, মহাভারত এবং চাণক্যের কালজয়ী সৃষ্টিগুলো গভীর মনোযোগ দিয়ে প্রত্যক্ষ করেন। প্রায় পৌনে দুইশ’ বছরের প্রাচীন এসব অমূল্য সম্পদ দেখে প্রধানমন্ত্রী মুগ্ধতা প্রকাশ করেন।

পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী যশোরের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও প্রাজ্ঞজনদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি লাইব্রেরির ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তাদের কাছ থেকে খুঁটিনাটি তথ্য জেনে নেন।

পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নিয়ে তার গভীর ভাবনার কথা প্রকাশ করেন। বিশেষ করে ডিজিটাল আসক্তি থেকে শিশুদের মুক্ত করার বিষয়ে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

পরিদর্শন শেষে উপস্থিত সুধীজন ও সাংবাদিকদের সামনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাচ্চাদেরকে মোবাইল ফোন থেকে বের করে নিয়ে এসে বই পড়ার আগ্রহ বাড়াতে চাই। এই মহৎ কাজে আমরা অবশ্যই সফল হবো।

তিনি বলেন, প্রত্যেক প্রাইমারি স্কুলে লাইব্রেরি করে দেব। সেখানে কোনো রাজনৈতিক বই থাকবে না, যে সকল বই পড়লে বাচ্চা মনন বিকশিত হয় সেই সব বই থাকবে। বই পড়ার সাথে সাথে থাকবে প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা।

এর আগে সকালে শার্শার উলাশীতে খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন এবং দুপুরে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট ১০ তলা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। লাইব্রেরি পরিদর্শন শেষে তিনি সরাসরি যশোর ঈদগাহ ময়দানে আয়োজিত বিশাল জনসভাস্থলে রওনা হন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কালবৈশাখী ঝড়: মৌলভীবাজারে ২২৫ জায়গায় তার ছিঁড়ে বিদ্যুৎ বিপর্যয়

যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি পরিদর্শনে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৪:৫৪:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

উপমহাদেশের প্রাচীনতম জ্ঞানপীঠ যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরির দুষ্প্রাপ্য পাণ্ডুলিপি ও ঐতিহাসিক গ্রন্থরাজির সান্নিধ্যে সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেল ৩টার দিকে তিনি ১৮৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই গণপাঠাগারটি পরিদর্শনে আসেন।

প্রধানমন্ত্রী লাইব্রেরিতে পৌঁছালে সেখানে উপস্থিত প্রাজ্ঞজন, গবেষক ও যশোর ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তারা তাকে অভ্যর্থনা জানান। প্রধানমন্ত্রী প্রথমেই লাইব্রেরির দুষ্প্রাপ্য পাণ্ডুলিপি শাখাটি ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি তুলট কাগজ ও তালপাতায় হাতে লেখা মহাকবি কালিদাসের পুঁথি, প্রাচীন রামায়ণ, মহাভারত এবং চাণক্যের কালজয়ী সৃষ্টিগুলো গভীর মনোযোগ দিয়ে প্রত্যক্ষ করেন। প্রায় পৌনে দুইশ’ বছরের প্রাচীন এসব অমূল্য সম্পদ দেখে প্রধানমন্ত্রী মুগ্ধতা প্রকাশ করেন।

পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী যশোরের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও প্রাজ্ঞজনদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি লাইব্রেরির ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তাদের কাছ থেকে খুঁটিনাটি তথ্য জেনে নেন।

পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নিয়ে তার গভীর ভাবনার কথা প্রকাশ করেন। বিশেষ করে ডিজিটাল আসক্তি থেকে শিশুদের মুক্ত করার বিষয়ে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

পরিদর্শন শেষে উপস্থিত সুধীজন ও সাংবাদিকদের সামনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাচ্চাদেরকে মোবাইল ফোন থেকে বের করে নিয়ে এসে বই পড়ার আগ্রহ বাড়াতে চাই। এই মহৎ কাজে আমরা অবশ্যই সফল হবো।

তিনি বলেন, প্রত্যেক প্রাইমারি স্কুলে লাইব্রেরি করে দেব। সেখানে কোনো রাজনৈতিক বই থাকবে না, যে সকল বই পড়লে বাচ্চা মনন বিকশিত হয় সেই সব বই থাকবে। বই পড়ার সাথে সাথে থাকবে প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা।

এর আগে সকালে শার্শার উলাশীতে খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন এবং দুপুরে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট ১০ তলা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। লাইব্রেরি পরিদর্শন শেষে তিনি সরাসরি যশোর ঈদগাহ ময়দানে আয়োজিত বিশাল জনসভাস্থলে রওনা হন।