ঢাকা ০৮:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্থায়ী দোকানের অতিরিক্ত অংশ অপসারণ বিতর্কিত সেই নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেনের বদলি ‘খাদ্যবান্ধব’ কার্ডের নামে ৯ শতাধিক মানুষের কাছ থেকে ঘুষ নিলেন ইউপি সদস্য! ঝড়ে উড়ে গেছে স্কুলের ছাউনি, খোলা আকাশের নিচে পাঠদান লক্ষ্মীপুরে খালে মিলল ডামভর্তি ১৩৬০ লিটার ডিজেল বায়তুল মোকাররম এলাকায় অভিযান, দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৬ ৪ বছরের ছেলেকে হত্যার পর ফাঁস নিলেন প্রবাসীর স্ত্রী বীমা খাতে প্রফেশনালিজম নেই, আছে শুধু অব্যবস্থাপনা ও তদবির নওগাঁয় ১ হাজার ৫০০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট সহ দু’জনকে আটক ও ১টি মোটরসাইকেল জব্দ  নওগাঁয় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তিন আইনজীবী বহিষ্কার 

ঝড়ে উড়ে গেছে স্কুলের ছাউনি, খোলা আকাশের নিচে পাঠদান

ঝড়ের কবলে পড়ে বরগুনার তালতলীতে একটি স্কুলঘরের ছাউনি উড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে স্কুলটির দড়জা-জানালাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ অবস্থায় বিদ্যালয়ের শিক্ষাকর্যক্রম অব্যাহত রাখতে খোলা আকাশের নিচেই চলছে পাঠদান। তবে দ্রুত বিদ্যালয়ের ঘরটি মেরামত করা হবে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ১৬ মার্চ (শবে কদরের রাতে) হঠাৎ করে তালতলীতে ঝড় শুরু হয়। এ সময় ঝড়ো হাওয়ায় কড়ইবাড়িয়া ইউনিয়নের ঝাড়াখালী আলহাজ নাসির উদ্দিন নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কাঠের তৈরি ঘরের টিনের চালা উড়ে যায়। এ ছাড়া, ঝড়ো হাওয়ায় দড়জা-জানালাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিদ্যালয়টি ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই কাঠের তৈরি একটি ঘরে চলছিল শিক্ষার্থীদের পাঠদান। তবে রমজান মাস এবং ঈদের ছুটি শেষে বিদ্যালয়ের ওই ঘরটি ভাঙাচোরা থাকায় এবং বিকল্প কোনো জায়গা না থাকায় বাধ্য হয়ে খোলা আকাশের নিচে শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন শিক্ষকরা।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবু হানিফ বলেন, আমাদের বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্ত। শবে কদরের রাতে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয় উপজেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্মকর্তাদের বিষয়টি অবহিত করেছি। বর্তমানে আমাদের স্কুলে ১৫৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। এদের মধ্যে নিয়মিত প্রায় ১০০ জন শিক্ষার্থী ক্লাসে উপস্থিত থাকে। ঝড়ে স্কুল ঘরটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এখন একপ্রকার খোলা আকাশের নিচেই শিক্ষার্থীদেরকে পাঠদান করাতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ঝড়ে বিদ্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে প্রতিনিধি পাঠিয়েছিলাম। আমিও বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করবো। তবে আপাতত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে টিন দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়ের ঘরটি মেরামত করা হবে। এ ছাড়া, বিদ্যালয়টির জন্য স্থায়ী একটি ভবন নির্মাণ করতে ইতোমধ্যেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্থায়ী দোকানের অতিরিক্ত অংশ অপসারণ

ঝড়ে উড়ে গেছে স্কুলের ছাউনি, খোলা আকাশের নিচে পাঠদান

আপডেট সময় ০৬:৩৬:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

ঝড়ের কবলে পড়ে বরগুনার তালতলীতে একটি স্কুলঘরের ছাউনি উড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে স্কুলটির দড়জা-জানালাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ অবস্থায় বিদ্যালয়ের শিক্ষাকর্যক্রম অব্যাহত রাখতে খোলা আকাশের নিচেই চলছে পাঠদান। তবে দ্রুত বিদ্যালয়ের ঘরটি মেরামত করা হবে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ১৬ মার্চ (শবে কদরের রাতে) হঠাৎ করে তালতলীতে ঝড় শুরু হয়। এ সময় ঝড়ো হাওয়ায় কড়ইবাড়িয়া ইউনিয়নের ঝাড়াখালী আলহাজ নাসির উদ্দিন নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কাঠের তৈরি ঘরের টিনের চালা উড়ে যায়। এ ছাড়া, ঝড়ো হাওয়ায় দড়জা-জানালাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিদ্যালয়টি ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই কাঠের তৈরি একটি ঘরে চলছিল শিক্ষার্থীদের পাঠদান। তবে রমজান মাস এবং ঈদের ছুটি শেষে বিদ্যালয়ের ওই ঘরটি ভাঙাচোরা থাকায় এবং বিকল্প কোনো জায়গা না থাকায় বাধ্য হয়ে খোলা আকাশের নিচে শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন শিক্ষকরা।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবু হানিফ বলেন, আমাদের বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্ত। শবে কদরের রাতে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয় উপজেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্মকর্তাদের বিষয়টি অবহিত করেছি। বর্তমানে আমাদের স্কুলে ১৫৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। এদের মধ্যে নিয়মিত প্রায় ১০০ জন শিক্ষার্থী ক্লাসে উপস্থিত থাকে। ঝড়ে স্কুল ঘরটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এখন একপ্রকার খোলা আকাশের নিচেই শিক্ষার্থীদেরকে পাঠদান করাতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ঝড়ে বিদ্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে প্রতিনিধি পাঠিয়েছিলাম। আমিও বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করবো। তবে আপাতত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে টিন দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়ের ঘরটি মেরামত করা হবে। এ ছাড়া, বিদ্যালয়টির জন্য স্থায়ী একটি ভবন নির্মাণ করতে ইতোমধ্যেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে।