ঢাকা ১১:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেড় বিলিয়ন ডলার আকুর বিল পরিশোধ, কমলো রিজার্ভ শেষ হচ্ছে অপেক্ষা, বৃহস্পতিবার প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ চিকিৎসা শিক্ষার বিকাশে আট দশক ধরে অবদান রেখে চলেছে ঢামেক : প্রধানমন্ত্রী ১০ নম্বর জার্সি কোনোদিনই পেতেন না মেসি, কী ঘটেছিল তখন? ভূমি দখল ও আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে অভিযুক্ত আলী আফজাল রোনালদোর বিদায়ের মধ্যেই মেসির স্ত্রীকে জর্জিনার উপহার সরকারি চাকরিতে ৫ লাখ পদে নিয়োগ নিয়ে সুখবর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পেয়ে যা বললেন ভোক্তা অধিকারের জব্বার মণ্ডল সংবাদ প্রকাশের পর কালুখালীর অসহায় রাসেল মণ্ডলের পাশে উপজেলা প্রশাসন গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে সহযোগিতার আশ্বাস যুক্তরাজ্যের

ফুলবাড়ীতে সর্দি, জ্বর ও ডায়েরিয়ার প্রাদুর্ভাবে, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেড়েছে রোগীর চাপ

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে জ্বর, সর্দি, পেটের ব্যথাসহ ডায়রিয়া রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগ, অন্তর্বিভাগ ও বহির্বিভাগে রোগীর চাপ বেড়েছে। আগত রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের।

সরেজমিনে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, জরুরি বিভাগে রোগীদের চিকিৎসা দিতে ব্যস্ত চিকিৎসকসহ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসাররা (সেকমোরা)। অন্তর্বিভাগের রোগীদের ওষুধপত্র দিচ্ছেন সেবিকারা। সবচেয়ে বেশি চাপ সামলাতে হচ্ছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নতুন ভবনের বহির্বিভাগের চিকিৎসকদের।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা উপজেলার বারাইপাড়া গড়পিংলাই গ্রামের রোজিফা খাতুন (৪৫) নামের এক রোগী বলেন, গত সপ্তাহে পাতলা পায়খানা শুরুর পর হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নিয়ে এখন ভালো আছেন। শরীরে জ্বর জ্বর ভাব থাকায় ডাক্তারের অপেক্ষায় রয়েছেন। বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের টিকিট প্রদানকারী কর্মচারী মো. আবুজার বলেন, বর্তমানে রোগীদের চাপ বেড়েছে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট সবার কাজও বেড়ে গেছে।

বহির্বিভাগের চিকিৎসা কার্যক্রম সম্পর্কে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. মো. নূর ই আলম খুশরোজ আহমেদ আনন্দ বলেন, বর্তমানে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত রোগী আসছেন। তবে সবচেয়ে বেশি রোগী আসছেন সর্দি, জ্বর, পেট ব্যথা ও ডায়রিয়া নিয়ে। তাদের মধ্যে যাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার প্রয়োজন, তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু গুরুতর অসুস্থ রোগীদের অন্তবিভাগে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। দুই-এক দিনের মধ্যেই অধিকাংশ রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ী ফিরতে পারছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মশিউর রহমান বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ফুলবাড়ী উপজেলা ছাড়াও পার্শ্ববর্তী বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, পার্বতীপুর ও চিরিরবন্দর উপজেলার কিছু অংশের রোগীরাও এখানে চিকিৎসা নিতে আসছেন। অন্য উপজেলার রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া হলেও এখানকার ওষুধসহ সার্বিক বিষয়ের বরাদ্দ বাড়েনি। এতে প্রায়ই ওষুধ সংকটে পড়তে হচ্ছে। ৫০ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন রোগী থাকছে ৭০ থেকে ৮০ জন। কিন্তু রোগীর খাদ্যসহ অন্যান্য বরাদ্দ রয়েছে ৫০ জনেরই। এরপরও ৫০ জনের বরাদ্দ থেকেই বাড়তি রোগীতের চিকিৎসাসেবাসহ সার্বিক বিষয়গুলো ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেড় বিলিয়ন ডলার আকুর বিল পরিশোধ, কমলো রিজার্ভ

ফুলবাড়ীতে সর্দি, জ্বর ও ডায়েরিয়ার প্রাদুর্ভাবে, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেড়েছে রোগীর চাপ

আপডেট সময় ০৩:৪০:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে জ্বর, সর্দি, পেটের ব্যথাসহ ডায়রিয়া রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগ, অন্তর্বিভাগ ও বহির্বিভাগে রোগীর চাপ বেড়েছে। আগত রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের।

সরেজমিনে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, জরুরি বিভাগে রোগীদের চিকিৎসা দিতে ব্যস্ত চিকিৎসকসহ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসাররা (সেকমোরা)। অন্তর্বিভাগের রোগীদের ওষুধপত্র দিচ্ছেন সেবিকারা। সবচেয়ে বেশি চাপ সামলাতে হচ্ছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নতুন ভবনের বহির্বিভাগের চিকিৎসকদের।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা উপজেলার বারাইপাড়া গড়পিংলাই গ্রামের রোজিফা খাতুন (৪৫) নামের এক রোগী বলেন, গত সপ্তাহে পাতলা পায়খানা শুরুর পর হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নিয়ে এখন ভালো আছেন। শরীরে জ্বর জ্বর ভাব থাকায় ডাক্তারের অপেক্ষায় রয়েছেন। বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের টিকিট প্রদানকারী কর্মচারী মো. আবুজার বলেন, বর্তমানে রোগীদের চাপ বেড়েছে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট সবার কাজও বেড়ে গেছে।

বহির্বিভাগের চিকিৎসা কার্যক্রম সম্পর্কে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. মো. নূর ই আলম খুশরোজ আহমেদ আনন্দ বলেন, বর্তমানে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত রোগী আসছেন। তবে সবচেয়ে বেশি রোগী আসছেন সর্দি, জ্বর, পেট ব্যথা ও ডায়রিয়া নিয়ে। তাদের মধ্যে যাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার প্রয়োজন, তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু গুরুতর অসুস্থ রোগীদের অন্তবিভাগে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। দুই-এক দিনের মধ্যেই অধিকাংশ রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ী ফিরতে পারছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মশিউর রহমান বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ফুলবাড়ী উপজেলা ছাড়াও পার্শ্ববর্তী বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, পার্বতীপুর ও চিরিরবন্দর উপজেলার কিছু অংশের রোগীরাও এখানে চিকিৎসা নিতে আসছেন। অন্য উপজেলার রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া হলেও এখানকার ওষুধসহ সার্বিক বিষয়ের বরাদ্দ বাড়েনি। এতে প্রায়ই ওষুধ সংকটে পড়তে হচ্ছে। ৫০ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন রোগী থাকছে ৭০ থেকে ৮০ জন। কিন্তু রোগীর খাদ্যসহ অন্যান্য বরাদ্দ রয়েছে ৫০ জনেরই। এরপরও ৫০ জনের বরাদ্দ থেকেই বাড়তি রোগীতের চিকিৎসাসেবাসহ সার্বিক বিষয়গুলো ব্যবস্থা করা হচ্ছে।