ঢাকা ০৭:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপি সরকার জনগণের কল্যাণের সরকার- সেলিমুজ্জামান এম,পি দর্শক ফেরাতে আবারও প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাচ্ছেন পিসিবি প্রধান রাজশাহীর মাদ্রাসায় কর্মচারী নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ, মানববন্ধনে ক্ষোভ হাম উপসর্গে বরিশালে আরও ২ শিশুর মৃত্যু নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে প্রিমিয়ার ব্যাংকের বর্তমান পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার গুঞ্জন ঠাকুরগাঁওয়ে বিতর্কিত পিআইও নুরুন্নবী বদলি: এলাকায় স্বস্তি, তদন্তের দাবি পটুয়াখালীতে সংস্কার কাজে অনিয়ম, ঝুঁকিতে গ্রামীণ সড়কের স্থায়িত্ব বোদায় প্রাথমিক বিদ্যালয় সংস্কার কাজে অনিয়মের অভিযোগ রেল টেন্ডারে কারসাজি: প্রকৌশলী শাহিদুজ্জামানের বিরুদ্ধে অভিযোগ সরকারি স্টাফ ও দালাল সিন্ডিকেটে জিম্মি জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ
মনোহরগঞ্জে নয় হাজার হেক্টর কৃষি জমিতে 

বুকজুড়ে সবুজের সমারোহ কৃষকের মুখে হাসি 

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নে বুকজুড়ে বোরো চাষে (৯০০০হাজার) হেক্টর কৃষি জমিতে সবুজের সমারোহ উৎসব কৃষি মাঠ। প্রকৃতি যেন অপরূপ সৌন্দর্যর হাতছানি দিয়ে ডাকছে। ঝতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে কৃষি মাঠ বিল, খাল একেক সময় একেকরূপ ধারণ করে। বোরো মৌসুম শুরু হয় ধান চাষ, মনোহরগঞ্জ উপজেলাকে ধান চাষের জন্য পত্যন্তও সম্ভাবনাময় বোরো ধানের এলাকা ও ঝলা অঞ্চল হিসাবে ধরা হয় । এখানে বছরে ৯ মাষ কৃষি জমি পানির নিছে থাকে এ উপজেলা ঝলা অঞ্চল নামে খ্যাত বছরে মাত্র একটি ফসল আবাদযোগ্য হয়। তবে বোরো ধান চাষ এ উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নে কৃষি জমিতে সবচেয়ে বেশি আবাদ করা হয়। উপজেলা ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকের কষ্ঠে অর্জিত  বোরো ধানের সবুজ পাতায় ছেয়ে গেছে প্রতিটি বোরো ধানের কৃষি মাঠ।আর কিছু দিনের মধ্য পুরোধমে শুরু হবে ধানের শীষ বের হওয়া। মনোহরগঞ্জ উপজেলা সদর মৈশাতুয়া গ্রামের শাহাদত হোসেন ভূঁইয়া, ছিকটিয়া গ্রামের ছালে আহম্মেদ,হাটিরপাড় গ্রামের শুকুর আলী,দিশাবন্দ গ্রামের নুরুল আমিন,ঝলম গ্রামের  আবদুল কাদের মোল্লা সহ ২০ জন কৃষক জানান,এবার আমরা প্রত্যেকে ২-৩ কানি জমিতে বোরো ধান চাষ করেন। ইতোমধ্যে কৃষি মাঠে বিলে -খালে জমিতে বোরো রোপণ সম্পূর্ণ হয়েছে। অল্প কিছু দিনের মধ্যে ধানের শীষ বের হওয়া শুরু করবে। এবার প্রতিটি মাঠে বোরোধানের গাছ ভালো হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে ফলনও ভালো হবে।প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবার ভালো ফসল হবে আশা করেন কৃষক। পর্যাপ্ত পানিসংকটে বোরো আবাদ নিয়ে চিন্তিত ছিলেন কৃষক। ঈদের আগে পরে কয়েক বার বৃষ্টিয়ে হওয়ায় কৃষকের মধ্য স্বস্তি ফিরেছে। উপজেলার সব ছেয়ে বেশি উৎপাদন হবে আশা করা যায়,মৈশাতুয়া ইউনিয়ন,ঝলম উওর ইউনিয়ন, ঝলম দক্ষিণ ইউনিয়ন,বাইশগাঁও ইউনিয়ন,হাসনাবাদ ইউনিয়ন,খিলা ইউনিয়ন, সরসপুর – উওর হাওলা ইউনিয়ন সহ ১১ টি ইউনিয়নে। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম জানান,এবছর ব্রীধান,৮৯/৯২/১০১/১০২/ ব্রী হাইব্রড ধান, ৮/ বীনা ২৫ এছাড়াও হীরা ২,১৯ সহ অনেক জাতের হাইব্রি উন্নত মানের বোরো ধানের চাষ করা হয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গোলাম সরোয়ার তুষার  জানান, চলতি মৌসুমে উপজেলায় বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ হাজারের কিছু বেশি হেক্টর জমি। তিনি বলেন কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবার ফলন ভালো হবে,বোরো ধানের ভালো ফলনের জন্য বৃষ্টি খুবই উপকারী সময়মত বৃষ্টি হওয়ায় ধান এখন সতেজ হয়ে উঠেছে, এবং কৃষক ন্যায্য দাম পাবেন। তিনি আরও বলেন এবার নিজ উপজেলা,ও জেলায় নিজেদের প্রয়োজন মিটিয়ে অন্য জেলায় রপ্তানি করা যাবে ।
আবদুর  রহিম মনোহরগঞ্জ( কুমিল্লা)  প্রতিনিধি
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপি সরকার জনগণের কল্যাণের সরকার- সেলিমুজ্জামান এম,পি

মনোহরগঞ্জে নয় হাজার হেক্টর কৃষি জমিতে 

বুকজুড়ে সবুজের সমারোহ কৃষকের মুখে হাসি 

আপডেট সময় ০৩:৩২:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নে বুকজুড়ে বোরো চাষে (৯০০০হাজার) হেক্টর কৃষি জমিতে সবুজের সমারোহ উৎসব কৃষি মাঠ। প্রকৃতি যেন অপরূপ সৌন্দর্যর হাতছানি দিয়ে ডাকছে। ঝতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে কৃষি মাঠ বিল, খাল একেক সময় একেকরূপ ধারণ করে। বোরো মৌসুম শুরু হয় ধান চাষ, মনোহরগঞ্জ উপজেলাকে ধান চাষের জন্য পত্যন্তও সম্ভাবনাময় বোরো ধানের এলাকা ও ঝলা অঞ্চল হিসাবে ধরা হয় । এখানে বছরে ৯ মাষ কৃষি জমি পানির নিছে থাকে এ উপজেলা ঝলা অঞ্চল নামে খ্যাত বছরে মাত্র একটি ফসল আবাদযোগ্য হয়। তবে বোরো ধান চাষ এ উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নে কৃষি জমিতে সবচেয়ে বেশি আবাদ করা হয়। উপজেলা ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকের কষ্ঠে অর্জিত  বোরো ধানের সবুজ পাতায় ছেয়ে গেছে প্রতিটি বোরো ধানের কৃষি মাঠ।আর কিছু দিনের মধ্য পুরোধমে শুরু হবে ধানের শীষ বের হওয়া। মনোহরগঞ্জ উপজেলা সদর মৈশাতুয়া গ্রামের শাহাদত হোসেন ভূঁইয়া, ছিকটিয়া গ্রামের ছালে আহম্মেদ,হাটিরপাড় গ্রামের শুকুর আলী,দিশাবন্দ গ্রামের নুরুল আমিন,ঝলম গ্রামের  আবদুল কাদের মোল্লা সহ ২০ জন কৃষক জানান,এবার আমরা প্রত্যেকে ২-৩ কানি জমিতে বোরো ধান চাষ করেন। ইতোমধ্যে কৃষি মাঠে বিলে -খালে জমিতে বোরো রোপণ সম্পূর্ণ হয়েছে। অল্প কিছু দিনের মধ্যে ধানের শীষ বের হওয়া শুরু করবে। এবার প্রতিটি মাঠে বোরোধানের গাছ ভালো হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে ফলনও ভালো হবে।প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবার ভালো ফসল হবে আশা করেন কৃষক। পর্যাপ্ত পানিসংকটে বোরো আবাদ নিয়ে চিন্তিত ছিলেন কৃষক। ঈদের আগে পরে কয়েক বার বৃষ্টিয়ে হওয়ায় কৃষকের মধ্য স্বস্তি ফিরেছে। উপজেলার সব ছেয়ে বেশি উৎপাদন হবে আশা করা যায়,মৈশাতুয়া ইউনিয়ন,ঝলম উওর ইউনিয়ন, ঝলম দক্ষিণ ইউনিয়ন,বাইশগাঁও ইউনিয়ন,হাসনাবাদ ইউনিয়ন,খিলা ইউনিয়ন, সরসপুর – উওর হাওলা ইউনিয়ন সহ ১১ টি ইউনিয়নে। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম জানান,এবছর ব্রীধান,৮৯/৯২/১০১/১০২/ ব্রী হাইব্রড ধান, ৮/ বীনা ২৫ এছাড়াও হীরা ২,১৯ সহ অনেক জাতের হাইব্রি উন্নত মানের বোরো ধানের চাষ করা হয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গোলাম সরোয়ার তুষার  জানান, চলতি মৌসুমে উপজেলায় বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ হাজারের কিছু বেশি হেক্টর জমি। তিনি বলেন কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবার ফলন ভালো হবে,বোরো ধানের ভালো ফলনের জন্য বৃষ্টি খুবই উপকারী সময়মত বৃষ্টি হওয়ায় ধান এখন সতেজ হয়ে উঠেছে, এবং কৃষক ন্যায্য দাম পাবেন। তিনি আরও বলেন এবার নিজ উপজেলা,ও জেলায় নিজেদের প্রয়োজন মিটিয়ে অন্য জেলায় রপ্তানি করা যাবে ।
আবদুর  রহিম মনোহরগঞ্জ( কুমিল্লা)  প্রতিনিধি