ঢাকা ১১:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আর কে বিল্ডার্স লিমিটেডের আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে আর কে বিল্ডার্স লিমিটেডের উদ্যোগে এক আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে ইফতার ও দোয়া মাহফিল এবং নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। রাজধানীতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তি, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মৎস্যজীবী দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও শতাব্দী টেলিভিশনের পরিচালক মোহাম্মদ জাকির হোসেন খান। সভাপতিত্ব করেন আর কে বিল্ডার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত চৌধুরী রাজ।অনুষ্ঠানে অতিথিরা পবিত্র রমজানের তাৎপর্য, মানবিকতা, সহমর্মিতা ও সামাজিক সম্প্রীতির গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। তারা বলেন, রমজান মাস মানুষের আত্মশুদ্ধি ও নৈতিক উন্নয়নের মাস। এ সময় ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবাইকে একে অপরের পাশে দাঁড়াতে হবে এবং সমাজে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করতে হবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ জাকির হোসেন খান বলেন, পবিত্র রমজান আমাদের সংযম, ধৈর্য ও মানবিকতার শিক্ষা দেয়। এ মাসে মানুষ একে অপরের প্রতি সহানুভূতিশীল হয় এবং সমাজে ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার হয়। তিনি আরও বলেন, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলো যদি নিয়মিতভাবে এ ধরনের আয়োজন করে, তাহলে মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
সভাপতির বক্তব্যে শওকত চৌধুরী রাজ বলেন, রমজান মাস মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি সময়। এই মাসে ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজনের মাধ্যমে সবাই একত্রিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। তিনি বলেন, আর কে বিল্ডার্স লিমিটেড সব সময় সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার চেষ্টা করে। ভবিষ্যতেও প্রতিষ্ঠানটি সমাজকল্যাণমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল বাসেত মিয়া, আয়কর আইনজীবী লাইব্রেরির সম্পাদক এবং ঢাকা ট্যাক্সেস বারের সদস্য। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মামুন আলম, বার্তা সম্পাদক, দৈনিক আমাদের মাতৃভূমি; হুমায়ুন কবির মাস্টার; মোহাম্মদ ইব্রাহিম; আরিফ খান; সালমা আক্তারসহ বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এ ধরনের আয়োজন মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বৃদ্ধি করে। রমজানের ইফতার মাহফিল কেবল একটি ধর্মীয় আয়োজন নয়, এটি সামাজিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
ইফতারের আগে দেশ, জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন একজন ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব। এ সময় বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ, দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়। পাশাপাশি সমাজে ন্যায়বিচার, মানবিকতা এবং ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠার জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা হয়।

ইফতারের সময় উপস্থিত অতিথিরা একসঙ্গে ইফতার করেন এবং পরে তাদের সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। পুরো অনুষ্ঠানটি ছিল অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও আন্তরিক পরিবেশে সম্পন্ন।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী অতিথিরা জানান, রমজানের এ ধরনের আয়োজন মানুষকে একত্রিত করে এবং পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে এবং সমাজে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেবে। সবশেষে আয়োজক পক্ষের পক্ষ থেকে উপস্থিত অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয় এবং ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এমন আয়োজন করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আর কে বিল্ডার্স লিমিটেডের আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় ০৭:৩৯:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে আর কে বিল্ডার্স লিমিটেডের উদ্যোগে এক আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে ইফতার ও দোয়া মাহফিল এবং নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। রাজধানীতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তি, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মৎস্যজীবী দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও শতাব্দী টেলিভিশনের পরিচালক মোহাম্মদ জাকির হোসেন খান। সভাপতিত্ব করেন আর কে বিল্ডার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত চৌধুরী রাজ।অনুষ্ঠানে অতিথিরা পবিত্র রমজানের তাৎপর্য, মানবিকতা, সহমর্মিতা ও সামাজিক সম্প্রীতির গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। তারা বলেন, রমজান মাস মানুষের আত্মশুদ্ধি ও নৈতিক উন্নয়নের মাস। এ সময় ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবাইকে একে অপরের পাশে দাঁড়াতে হবে এবং সমাজে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করতে হবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ জাকির হোসেন খান বলেন, পবিত্র রমজান আমাদের সংযম, ধৈর্য ও মানবিকতার শিক্ষা দেয়। এ মাসে মানুষ একে অপরের প্রতি সহানুভূতিশীল হয় এবং সমাজে ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার হয়। তিনি আরও বলেন, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলো যদি নিয়মিতভাবে এ ধরনের আয়োজন করে, তাহলে মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
সভাপতির বক্তব্যে শওকত চৌধুরী রাজ বলেন, রমজান মাস মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি সময়। এই মাসে ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজনের মাধ্যমে সবাই একত্রিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। তিনি বলেন, আর কে বিল্ডার্স লিমিটেড সব সময় সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার চেষ্টা করে। ভবিষ্যতেও প্রতিষ্ঠানটি সমাজকল্যাণমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল বাসেত মিয়া, আয়কর আইনজীবী লাইব্রেরির সম্পাদক এবং ঢাকা ট্যাক্সেস বারের সদস্য। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মামুন আলম, বার্তা সম্পাদক, দৈনিক আমাদের মাতৃভূমি; হুমায়ুন কবির মাস্টার; মোহাম্মদ ইব্রাহিম; আরিফ খান; সালমা আক্তারসহ বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এ ধরনের আয়োজন মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বৃদ্ধি করে। রমজানের ইফতার মাহফিল কেবল একটি ধর্মীয় আয়োজন নয়, এটি সামাজিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
ইফতারের আগে দেশ, জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন একজন ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব। এ সময় বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ, দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়। পাশাপাশি সমাজে ন্যায়বিচার, মানবিকতা এবং ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠার জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা হয়।

ইফতারের সময় উপস্থিত অতিথিরা একসঙ্গে ইফতার করেন এবং পরে তাদের সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। পুরো অনুষ্ঠানটি ছিল অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও আন্তরিক পরিবেশে সম্পন্ন।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী অতিথিরা জানান, রমজানের এ ধরনের আয়োজন মানুষকে একত্রিত করে এবং পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে এবং সমাজে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেবে। সবশেষে আয়োজক পক্ষের পক্ষ থেকে উপস্থিত অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয় এবং ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এমন আয়োজন করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।